বস্টনে নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনার ৩০ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন

May 24, 2011, 1:34 PM, Hits: 2394

বস্টনে নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনার ৩০ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন


DSC04635_-_Boston-_SaKiL_-_00-0

গত ২২শে মে, ২০১১ শনিবার বস্টনে নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গণতন্ত্রের মানসকন্যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার ৩০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা আয়োজিত হয় ক্যামব্রিজস্থ রিঞ্জ এভিনিউর কম্যুনিটি রুমে। সভা থেকে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বিদেশের মাটিতে গিয়ে মিথ্যাচার ও দেশবিরোধি প্রচারণার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথী ছিলেন যুক্তরাস্ট্র সফররত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা এবং অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক শাহজাদা মহিউদ্দিন।

DSC04635_-_Boston-_SaKiL_-_00-1

বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বঙ্গবন্ধু গবেষক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক ডঃ সৈয়দ আবু হাসনাত, সংগঠনের সহ-সভাপতি বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা রাতুল কান্তি বড়ুয়া এবং নিউইয়র্ক থেকে আগত যুক্তরাস্ট্র ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মিয়া। সভার শুরুতে সমবেতকন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশণ করা হয় এবং সবাধীনতা সংগ্রামের শহীদদের প্রতি এবং পচাত্তরের ১৫ই আগস্টের কালরাত্রীতে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এরপর জননেত্রী শেখ হাসিনার উৎসর্গে কবিতা পাঠ করেন ফজলুর রহমান।আলোচনা সভা পরিচালনা করেন নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল ইউসুফে। তিনি তার সুচনা বক্তব্যে বলেন সবাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলার সবপ্নদ্রষ্টা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলার রুপকার আর জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া বাংলাদেশে যুদ্ধপরাধীদের পুণঃপ্রতিষ্ঠার রুপকার। সাংগঠণিক সম্পাদক মিন্টো কামরুজ্জামান সম্রতি শেখ হাসিনার শান্তি মডেলের উপর আয়োজিত লন্ডন কনভেনশনে যোগদানের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন।

DSC04635_-_Boston-_SaKiL_-_00-2

সংগঠনের সহ-সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ইতিহাসবিদ অধ্যক্ষ আহমেদ হাসান ইতিহাসের পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তাৎপর্য পর্যালোচনা করেন। বিশেষ অতিথী বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা রাতুল কান্তি বড়ুয়া বলেন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেই একটি গণতন্ত্রের স্কুল, যেখান থেকে আমাদের সবার গণতন্ত্রের শিক্ষা নেওয়া উচিত। তিনি আরো বলেন শেখ হাসিনা সবদেশ প্রত্যাবর্তন করে ‘৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশে গণতন্ত্র উপহার দেন। প্রধান অতিথীর ঊদ্দেশ্যে তিনি বলেন আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেত্রিত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজয়ের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরুর জন্য। অপর বিশেষ অতিথী যুক্তরাস্ট্র ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মিয়া বলেন বিরোধী দলকে শেখ হাসিনার কাছ থেকে গণতন্ত্র শিখতে হবে, যুদ্ধপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ শেখ হাসিনার সবদেশ প্রত্যাবর্তনের অন্যতম প্রাপ্তি। ডঃ সৈয়দ আবু হাসনাত জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর্যালোচনায় গত ৩০ বছরে শেখ হাসিনার বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে গৃহীত পদক্ষেপ ও সফলতার সুদীর্ঘ আলোচনা করেন। তিনি তার চলমান গবেষণার বিষয় জননেত্রী শেখ হাসিনার দুই পর্বের শাসনকালের ঐতিহাসিক ও সাহসী সিদ্ধান্তসমূহের ব্যাখ্যা করেন।

DSC04635_-_Boston-_SaKiL_-_00-4


প্রধান অতিথী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাদা মহিউদ্দিন তার বক্তব্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জনগণের সবতস্ফূর্ত আহবান, এবং সময়ের সাথে সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী থেকে বাংলাদেশের জনগণের জননেত্রীতে পরিণত হওয়ার ইতিহাস বর্ণনা দেন। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন ও সাফল্যের আলোচনা করেন এবং বঙ্গবন্ধুর দারিদ্র্য বিমোচনের স্বপ্নের বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকারের নিরলস প্রচেষ্টার বর্ণনা দেন। একই সঙ্গে তিনি খালেদা জিয়াকে মিথ্যাচার ও দেশবিরোধি প্রচারণা বন্ধ করার আহবান জানান। অন্যথায় জনগণকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করবে বলে ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ফাইযুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক গোলাম মোর্তজা মিলন, রকিবুল চৌধুরী রনি প্রমুখ। সভাপতির মূল্যবান সমাপনি বক্তব্য এবং প্রীতি ভোজনের মাধ্যমে সভা সমাপ্ত হয়।

 


 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ