বাঘ রক্ষায় বাংলাদেশের প্রশংসা হলিউড স্টার ডি ক্যাপ্রিওর

June 17, 2011, 4:15 PM, Hits: 2090

বাঘ রক্ষায় বাংলাদেশের প্রশংসা হলিউড স্টার ডি ক্যাপ্রিওর


হ-বাংলা নিউজ : লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে : বাংলাদেশে বাঘ রক্ষায় নতুন বাহিনী গঠন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন হলিউড তারকা ‌`টাইটানিক` খ্যাত হলিউড সুপারস্টার লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও।

বাঘ শিকারীদের হাত থেকে রয়েল বেঙ্গল টাইগার রক্ষার অংশ হিসেবে গঠিত ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট সত্যিই প্রশংসার, বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে বাঘের সুরক্ষা ও সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন এই বিশ্বখ্যাত অভিনেতা।

শুক্রবার লন্ডনে সেভ টাইগার নাউ সংগঠনের উদ্বোধনকালে ক্যাপ্রিও তার বক্তৃতায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার রক্ষার ওপর জোর দেন। এসময় বাংলাদেশ সরকারের বাঘ রক্ষায় বিশেষ বাহিনী গঠনের উদ্যোগের ভূয়ষী প্রশংসা করেন তিনি।

এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ওয়েব সাইট টুইটারে তার নিজস্ব পেজে লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও লিখেছেন, ‘চূড়ান্ত খারাপ পরিস্থিতিতে এটি একটি ভালো সংবাদ।’

`সেভ টাইগার নাউ` এর হয়ে বিশ্বব্যাপী বাঘ রক্ষায় ২ কোটি ডলারের একটি তহবিল গঠনেও কাজ করছেন লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও। এ অভিযানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্বে মোট বাঘের সংখ্যা বর্তমান সংখ্যার দ্বিগুণ করে তোলা।

বাঘসহ অন্যান্য বিলুপ্ত-প্রায় প্রজাতির প্রাণী রক্ষায় বাংলাদেশ সরকার ৩০০ সদস্যের একটি বিশেষ বাহিনী গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।

সক্রিয় একটি শিকারীচক্রের হাত থেকে রয়েল বেঙ্গল টাইগার রক্ষায় এ বাহিনীর অধিকাংশ সদস্যই সুন্দরবন ও এর আশপাশের এলাকায় নিয়োজিত থাকবে।

সম্প্রতি তিনটি বাঘের চামড়া এবং বিপুল সংখ্যক হাড়গোড় উদ্ধারের পর এই সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। বেআইনিভাবে পাচারের সময় বাঘের বিভিন্ন দেহাংশ উদ্ধারে কয়েক দশকের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় ঘটনা।

পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবনে বর্তমানে ৪০০টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে ।

বেইআইনিভাবে পশুপাখি ধরা ও পাচার করাকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে বাঘের সংখ্যা কমে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে বিবেচনা করা না হলেও এই বছরের শুরুর দিকে বিপুল পরিমাণ বাঘের চামড়া ও হাড়সহ কয়েকজন পাচারকারীকে গ্রেপ্তারের পর ধারণা করা হচ্ছে, সুন্দরবনে সংঘবদ্ধ একটি চক্র গড়ে উঠেছে যারা বাঘ শিকারে তৎপর।

কর্মকর্তারাও স্বীকার করছেন, চক্রটিকে প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট লোকবল, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণ নেই।

বাংলাদেশের এই বন্যপ্রাণী অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বেশিরভাগের যোগান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ কাজে সরকার বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার ঋণ নিচ্ছে বলে জানা গেছে। - - বাংলা নিউজ

 
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ