বৃষ্টির বেড়ানো

June 11, 2017, 2:18 AM, Hits: 4098

বৃষ্টির বেড়ানো

ত্রিশতম মেঘের জ্বলন দেখে, চৌষট্টি থাকে হাসছে বিজলি হাসি,

মরুর বালি ধুলোর রঙে ওড়ে, মেঘের চোখকে দিচ্ছে দারুণ ফাঁকি।

তুমি যখন মেঘ বাড়িটার খোঁজে, আকাশ পথে দিচ্ছিলে পথ পাড়ি,

প্রিয় সাজে চোখে কাজল এঁকে, কুঁচির ভাঁজে জড়ায় জলো শাড়ি।

বৃষ্টি তখন নামছে উদল পায়,

বর্ষাতিহীন মুষল বরষায়।

দুই. মেঘের মেয়ের ছুটি

সারাটি দিন সারা রাত ঘুরে; মেঘের বিবশ ডানায়,

উড়েছি ভীষণ; খুশির উড়াল, সজল বরষায়।

মেঘ গুড় গুড়, গুড়ুম গুড়ুম; বিদ্যুৎ চমকায়,

আমার খুশি; বুঝবে সে কী, কাটায় যে ব্যস্ততায়?

মাটিতে ঘাসেরা হল্লা করেছে, কিশোরী দোপাটি ফুলে,

হাত ধরাধরি করে; নাচছে দেখ না, মেঘের ছোট্ট মেয়ে!

মেঘ কুমারী মেঘ কুমারী, কি করে তুই এলি?

‘মা যে আমায় পথ চিনাল, তাইতো এখানে খেলি।’

কেমন করে পেলি এত রূপ; আসমানি চান্দ-কণা!

‘মা যে আমার পূর্ণিমা তিথি, সাগর জোয়ারী ললনা।’

কেমন করে দেখব তাকে, যদি বলি দেখে যেতে!

মাতো গেছে আকাশ পথে, আসবে অমাবস্যা শেষে।

প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত

তিন. বৃষ্টির সখীরা

একদিন কনকনে শীতের বৃষ্টিতে

জোরছে বাতাস কাছে এসে স্মিত হেসে;

ভিজে জড়সড় বৃষ্টির কানে বলে গেছে,

‘আজ না হয় একাকিনী তুমি

কাল শীলা আর নীলাকেও সাথে নিয়ে আসব!

তখন খুব মজা করে না হয়; তিনজনে মিলে ভিজো!’

নিবেদিতা পুণ্যি (সঞ্চারিণী): সৌদি আরবের দাম্মামপ্রবাসী। 

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ