প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা বিশ্বনেএীর মর্যাদাপ্রাপ্তিতে অভিনন্দন

July 15, 2017, 8:22 AM, Hits: 105

প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা বিশ্বনেএীর মর্যাদাপ্রাপ্তিতে অভিনন্দন

হাকিকুল ইসলাম খোকন,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ:নিউইয়ক, ১০ জুলাই: বাকসু’র সাবেক জিএস মুক্তিযোদ্ধা ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা  বিশ্বের ১৮ জন নারী নেতার মধ্যে অন্যতম বিশ্বনেএীর মর্যাদাপ্রাপ্তিতে  অভিনন্দন জানিয়ে এক বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন –উইমেন প্রেসিডেন্টস অ্যান্ড প্রাইম মিনিস্টার্স’ নামে যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত এক গ্রন্থের লেখক যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড ও ব্রেইন উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের বর্তমান ১৮ জন নারী জাতীয় নেতাদের মধ্যে অন্যতম। নারী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শীর্ষক এই গ্রন্থের প্রচ্ছদে অপর ছয় জন বিশ্ব নেতার সঙ্গে শেখ হাসিনার ছবি মুদ্রিত হয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির ওমেন্স ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ক্লাবে বিদেশী কূটনীতিক, নারী নেত্রী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গ্রন্থটি প্রকাশ করা হয়। গ্রন্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিস্মরণীয় নেতৃত্বের কথা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার সময় তাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করার ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। লেখক তার গ্রন্থে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকা র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় একনিষ্ঠতা ও কঠোর পরিশ্রম, তার জীবননাশের চেষ্টা এবং বাংলাদেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক অর্জন গ্রন্থের তিন পৃষ্ঠা লিপিবদ্ধ করেন।

লেখক রিচার্ড ও ব্রেইন বাংলাদেশকে অধিকতর স্থিতিশীল ও অধিকতর গণতান্ত্রিক এবং অপেক্ষাকৃত কম হিংসাত্মক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রয়াসের প্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে লেখক শেখ হাসিনার এই উক্তি উদ্ধৃত করেন যে, “বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত ও ক্ষুধামুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই আমি গর্বিত হব”। গ্রন্থে প্রধানমন্ত্রীর পারিবারিক পটভূমির উল্লেখ করে বলা হয়, তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান আধুনিক বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। লেখক ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে উল্লেখ করেন যে, ওই সময়ে শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহেনা দেশের বাইরে থাকায় তারা বেঁচে যান।

​গ্রন্থের লেখক রিচার্ড ও ব্রেইন ১৯৮১ সালে নির্বাসন থেকে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের উল্লেখ করে বলেন, আওয়ামী লীগকে পরিচালনার নেতৃত্বের পদে নির্বাচিত হয়ে তিনি নির্বাচনী কারচুপি ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। সে সময় তাঁকে দমন ও নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং ৮০ র দশকে তিনি গৃহবন্দী হন। লেখক এরশাদ শাসনামলের উল্লেখ করে বলেন, সরকারের নির্যাতন সত্ত্বেও শেখ হাসিনা এতই প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় ছিলেন যে, তার চাপে ১৯৯০ সালে একজন সামরিক জান্তাকে পদত্যাগ করতে হয়। লেখক বলেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা ও তার সরকার ১৯৯৭ সালে যুগান্তকারী পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, স্থলমাইনের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণ ও ক্ষুদ্র ঋণ সম্মেলনে সভাপতিকে সহায়তা ও নারী কল্যাণ গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাসহ অনেক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছেন। রিচার্ড তার গ্রন্থে শান্তি ও গণতন্ত্রের বিকাশে শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির উল্লেখ করে বলেন, তিনি মাদার তেরেসা পদক ও গান্ধী পদক অর্জন করেছেন।

ডঃ প্রদীপ রঞ্জন কর প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনার আরো অভূতপূর্ব সাফল্যে, সম্মাননা ও অর্জনের কথা  উল্লেখ করে বলেন-১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা নির্বাসন থেকে দেশে প্রত্যার্বন করেন। এই দিনটি বাংলাদেশের মানুষের কাছে যেমন স্মরণীয়, তেমনি উজ্জ্বল। সে সময় বাংলাদেশ ছিল বঙ্গবন্ধুর খুনিচক্রের দখলদারি ও জবরদস্তি শাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট। সেই থেকেই জননেএীর সংগ্রাম শুরু। তিনি মানুষকে সঙ্গে নিয়ে স্বৈরশাসকবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে  গৃহবন্দি হন। তিনি ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রায় এক বছর কারান্তরীণ ছিলেন। জননেএী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব যেমন যোগ্যতার সঙ্গে পরিচালনা করে চলেছেন, তেমনি দুই বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রজ্ঞা ও যোগ্যতার সঙ্গে রাষ্ট্রের পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন এবং বতমানে তিনি তৃতীয় মেয়াদে অভূতপূর্ব সাফল্যের সাথে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে চলেছেন। ১৯৯৬ সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে উন্নয়ন-সংস্কারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন। এই মেয়াদে তিনি কোয়ালিশন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্ত করতে শক্তভাবে হাল ধরেন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে ভূমিধস জয়ী হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা নিষ্পত্তি, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও বাস্তবায়ন, শিক্ষানীতি, নারী উন্নয়ন নীতি, জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলার বিষয়ে দাবি জোরালোভাবে বিশ্বপরিমণ্ডলে উত্থাপন, গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিকাশে কর্মপন্থা নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন, সমুদ্র সীমানা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিজয় অর্জন, শ্রমজীবী মানুষের জন্য শ্রম আইন সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ, দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা স্থল সীমান্ত চুক্তি বিল ভারতের লোকসভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ার বিষয়ে সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণসহ অসংখ্য কর্মকাণ্ডে শেখ হাসিনা দৃঢ়, বলিষ্ঠ ও যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে এসছেন। রাজনীতিতে এসে তার পিতার ন্যায় দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সংগ্রাম করছেন। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনকে সামনে রেখে দেশ উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তার জাতীয়তাবাদের চেতনার অসীম শক্তির প্রমাণ - বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নেই পদ্মাসেতু প্রকল্প গ্রহন। তার দৃঢ় চেতনার প্রমাণ, তিনি যুদ্ধাপরাধ বিচারের ইস্যুতে বাইরের অনেক বড় বড় শক্তির চাপ উপেক্ষা করার সাহস দেখিয়ে বিচারিক কাজ অব্যহত রেখেছেন। জননেএী শেখ হাসিনা বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে একটি উচ্চাসনে নিয়ে গিয়েছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ লাভ করেছেন। ২০১৫ সালে জাতিসংঘের ৭০তম অধিবেশনে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে শেখ হাসিনা রাজনীতিতে নারী পুরুষের বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালনের জন্য ডব্লিউআইপি (ওম্যান ইন পার্লামেন্ট) গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ২৫ মার্চ ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০১৪ সালে নারী ও শিশুশিক্ষা উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘শান্তিবৃক্ষ পদক’ পুরস্কারে ভূষিত করে। খাদ্য উৎপাদন ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটি প্রধানমন্ত্রীকে এই সম্মাননা সার্টিফিকেট প্রদান করে।

২০১৩ সালে খাদ্য নিরাপত্তা এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন, ‘একটি বাড়ি ও একটি খামার প্রকল্প’ ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত তথ্যপ্রযুক্তি মেলায় সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক ‘মান্থন এওয়ার্ড’ এবং জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দারিদ্রতা, অপুষ্টি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় ‘ডিপ্লোমা এওয়ার্ড’ পদকে ভূষিত করে জননেএী শেখ হাসিনাকে। ২০১২ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিশেষ অবদানের জন্য আইএনইএসসিও, প্রধানমন্ত্রীকে কালচারাল ডাইভারসিটি পদকে ভূষিত করে। ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের হাউস অব কমন্সের স্পিকার জন ব্রেক্রো এমপি প্রধানমন্ত্রীকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে দূরদর্শী নেতৃত্ব, সুশাসন, মানবাধিকার রক্ষা, আঞ্চলিক শান্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনবদ্য অবদানের জন্য গ্লোবাল ডাইভারসিটি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।

স্বাস্থ্যখাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নারী ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) সাউথ সাউথ নিউজ এবং জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাককে সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে। ২০১১ তে ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট হেলথ এর জন্য তিনি পুরস্কারে ভূষিত হন।

শিশুমৃত্যু হ্রাস সংক্রান্ত এমডিজি-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে। একই বছরে আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য এসটি পিটার্সবার্গ ইউনিভার্সিটি প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করে। এই সময়ে বিশ্বখ্যাত ‘ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক-২০০৯’-এ ভূষিত হন তিনি। ২০০৫ সালের জুন মাসে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তির পক্ষে অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অব রাশিয়া। ২০০০ সালে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকন ওমেনস কলেজ ‘পার্ল এস বাক পদক’ প্রদান করে। একই বছর ব্রাসেলসের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় ডক্টর অনারিয়াস কসা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটের ‘ইউনিভার্সিটি অব বার্ডিগ্রেপোট’ বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নে অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে ‘ডক্টর্স অব হিউম্যান লেটার্স’ প্রদান করে।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ১৯৯৯ সালের ২০ অক্টোবর ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি এবং ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ এফএও কর্তৃক ‘সেরেস পদক’ লাভ করেন জননেএী শেখ হাসিনা। ১৯৯৮ সালে নরওয়ের রাজধানী অসলোয় মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে ‘এম কে গান্ধী ’ পুরস্কারে ভূষিত করে। একই বছরের এপ্রিলে নিখিল ভারত শান্তি পরিষদ শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য ‘মাদার তেরেসা পদক’ এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার জন্য ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে ‘ফেলিক্স হুফে বইনি’ শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। ঐ বছরেই শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী এক আড়ম্বরপূর্ণ বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মানমূচক ‘দেশিকোত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৯৭ সালে লায়ন্স ক্লাবসমূহের আন্তর্জাতিক অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপ্রধান পদক’ প্রদান করা হয় জনননেএী শেখ হাসিনাকে। তার এই সব অর্জন বাঙালী জাতির অর্জন। এই অর্জন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার অর্জন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে উন্নয়ন ও ত্যাগের রাজনীতির মহীরুহ। জননেএী শেখ হাসিনার অসীম প্রজ্ঞার আলোক ধারণ করেই প্রজন্ম এগোবে সামনে। তার সুসাস্থ্য ও দীঘ জীবনের  প্রত্যাশা কামনা।  

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ