পদত্যাগে বাধ্য হবেন ট্রাম্প

January 7, 2018, 3:39 AM, Hits: 447

পদত্যাগে বাধ্য হবেন ট্রাম্প

যুহ-বাংলা নিউজ :  ক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা যোগ্য, কিংবা হোয়াইট হাউসে তাঁর প্রথম বছর নিয়ে অত্যন্ত কড়া সমালোচনাপূর্ণ বই ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। বইটির প্রকাশ আটকে দিতে প্রেসিডেন্টের উদ্যোগ সত্ত্বেও এর বেচাবিক্রি শুরু হয়ে গেছে। এরই মধ্যে গতকাল শনিবার বইটির লেখক মাইকেল উলফ বলেছেন, বইটিতে ট্রাম্পের সম্পর্কে যে ধরনের তথ্য উঠে এসেছে, তাতে হোয়াইট হাউসে তাঁর ক্ষমতার অবসান ঘটতে পারে।

বিবিসি রেডিওকে গতকাল দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক ও লেখক মাইকেল উলফ বলেন, ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি: ইনসাইড দ্য ট্রাম্প হোয়াইট হাউস-এর পরিসমাপ্তিতে তিনি লিখেছেন, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদে থাকার যোগ্য নন—এটি এখন একটা জনমতে পরিণত হয়েছে। উলফ মনে করেন, বইটির কারণে ট্রাম্পের ‘বস্ত্র হরণ’ হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্পর্কে যে ধরনের তথ্য উন্মোচিত হয়েছে বইটিতে, সে কারণে মনে হচ্ছে যে তিনি আর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

মাইকেল উলফের বইতে বলা হয়েছে, ‘ট্রাম্পের মানসিক অবস্থা ঘুমন্ত’ বলে মনে করেন হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা। ট্রাম্প বলেছেন, বইটি ‘বিরক্তিকর এবং অসত্য’ তথ্যে ভরা।

আমি প্রতিভাবান ও স্থিতিশীল: ট্রাম্প

নিজের মানসিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনার মাঝে ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি প্রতিভাবান ও স্থিতিশীল। টুইট করে ট্রাম্প বলেন, ‘পুরো জীবনে আমার দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো মানসিক স্থিতিশীলতা এবং বুদ্ধিমত্তা।...আমি দারুণ সফল ব্যবসায়ী, টেলিভিশন তারকা ছিলাম। এখন প্রেসিডেন্ট। আমি নিজেকে কেবল বুদ্ধিমানই নয়, স্থিতিশীল এবং প্রতিভাবান বলে মনে করি।’

এদিকে প্রেসিডেন্টের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। ট্রাম্প একটা ‘নির্বোধ’—গত বছর এমন মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে টিলারসনের বিরুদ্ধে। এখন সেই টিলারসনই বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়ে তাঁর মনে কখনো সংশয় জাগেনি।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড শিশুতোষ বলে মনে করেন—মাইকেল উলফের বইতে এমন দাবির পর টিলারসন এ মন্তব্য করলেন। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তাঁর (ট্রাম্পের) মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন করার আমি কোনো কারণ দেখি না।’

টিলারসন আরও বলেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের আগের প্রেসিডেন্টদের মতো নন। ‘আমি মনে করি, এটা সবাই বোঝে। আর এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাঁকে নির্বাচিত করেছে।’ 

 
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ