মুক্তিযোদ্ধার রাজাকার প্রীতিতে দিকহীন প্রজন্ম

February 16, 2018, 12:56 PM, Hits: 762

মুক্তিযোদ্ধার রাজাকার প্রীতিতে দিকহীন প্রজন্ম

১৯৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা আমাদের প্রিয় ‘মিরপুরের মামা বাহিনী’র প্রধান শহিদুল হক “মামা” যখন আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন, আমরা যখন তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানবার জন্য দুঃখ-ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে তৈরী হচ্ছি। ঠিক তখনই শুরু হলো ফরহাদ মজহারের গুম নাটকের অঙ্ক! মামা ১৯৭১এ শুধু মিরপুর স্বাধীন করেই তাঁর দায়িত্ব শেষ করেননি। বরং ২০১৩তে নতুন প্রজন্মের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শাহবাগে তাদের অনুপ্রাণিত করেছেন, কাদের মোল্লার মামলায় প্রধান সাক্ষী হয়ে তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলানোরও ব্যবস্থা করেছেন। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি বঙ্গবন্ধুর মুক্তির সংগ্রামেই নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। সেই মামার প্রতি সন্মান দেখানোকে পাশ কাটিয়ে বেশির ভাগ মিডিয়া, কথিত বুদ্ধিজীবী, টিভির গভীর রাতের টকারদের ফরহাদ মজহারের গুম নাটককে সফল করার আপ্রাণ চেষ্টার দিকেই বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন। এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের চেয়ে কথিত ষড়যন্ত্রকারী বুদ্ধিজীবীদের মূল্যায়ন আজ আমাদের মিডিয়ার কাছে বেশি বলেই মনে হচ্ছে।

এই লুঙ্গি বাবার মতাদর্শের বা তার সহচর ৫০জন বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী নামক ব্যক্তিরা যুদ্ধাপরাধী মীর কাশেমের পক্ষের ডেভিড বার্গম্যানের পক্ষে লড়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল তথা বাঙালীদের প্রাণের দাবি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবির বিপক্ষে। তাদের মধ্যে ছিলেন ফরহাদ মজহার, ডঃ জাফরুল্লাহ, আসিফ নজরুল, ডঃ আলী রিয়াজ সহ আরো ৪৭ জন। শুধু তাই নয় এদের মধ্যে অনেকেই আন্তর্জাতিকভাবে ট্রাইব্যুনালকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে যথেষ্ট চেষ্টাও করেছিলেন বিভিন্ন পত্রিকায় লিখে। বিভিন্ন জায়গায় লবিং করে এরা সবাই কোন না কোন ভাবে মীর কাশেমের টাকার সুবিধাভোগী ছিলেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি। জনতার দাবির কাছে সব ভেসে গিয়েছিলো।

বঙ্গবন্ধুকন্যা তার ২০০৮ এর নির্বাচনী ইস্তেহারে দেয়া অঙ্গীকারকে বাস্তবায়ন করেছেন, যা এখনো চলমান। তাই এখন তাদের মিশন একটাই, ‘শেখের বেটিকে ঠেকাতে হবে।’ যা তারা ১৫ই আগস্টে পারেনি, ২১শে আগস্টেও পারেনি। সেই না পারার কষ্টকে তারা “বদলে দাও, বদলে যাও” স্লোগান তুলে সুশীলীয় কায়দায় বাস্তবায়ন করার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন বিরামহীনভাবে। মিশন এক ও অভিন্ন, ‘শেখর বেটিকে ঠেকাও।’ আর এই প্রক্রিয়াটাকে বাস্তবায়নকল্পেই বিভিন্ন মিডিয়া, পত্রিকা ও সংগঠনের দায়িত্ব হচ্ছে ওইসব বিতর্কিত ব্যক্তিকে যেকোনো ভাবে হোক দেশের বরেণ্য ব্যক্তি বা বুদ্ধিজীবি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা, যাতে সময়মতো তাদের মাধ্যমে শেখ হাসিনার বিপক্ষে দেশের সাধারণ মানুষকে দাঁড় করানো যায়।

এইসব লোকগুলোই এক সময় মাইনাস টু ফর্মুলার ক্রীড়নক ছিলেন। এসব লোকগুলোই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে বিভিন্নভাবে লবিং করেছে, এই লোকগুলোই পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিকভাবে লবিং করেছে, সুন্দরবন নিয়ে শেখ হাসিনার ভাবমূর্তিকে সারাবিশ্বের কাছে নিচু করার চেষ্টা করেছে। শুধু তাই নয়, এদের ষড়যন্ত্রেই দেশে ব্লগার হত্যা এবং বিদেশীদের হত্যা করা হয়েছে, যা জামাত শিবিরের ক্যাডারদের মাধ্যমে ঘটেছে। কিন্তু এই হত্যা গুলোকে ওই বুদ্ধিজীবীরা আইএস-এর কর্মকাণ্ড হিসাবে প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছে, যাতে তাদের বিদেশী প্রভুরা সাহায্যের নামে এই দেশে তাদের সৈন্য ঘাঁটি স্থাপন করতে পারে। এসব ষড়যন্ত্র কখনোই তারা বাস্তবায়ন করতে পারে নাই শুধুমাত্র শেখের বেটির দৃঢ় সিদ্ধান্তের কারণে।

এই বুদ্ধিজীরাই এখন স্বাধীনতার পক্ষের মানুষদের কাঁধে চড়ে দেশ-বিদেশে বরেণ্য হবার জন্য বিভিন্ন নামের সংগঠন তৈরী করে, বিভিন্ন স্লোগানে, সভা, সেমিনার, অভিষেক জাতীয় অনুষ্ঠান করার প্রক্রিয়ায় সচেষ্ট রয়েছেন। এই অনুষ্ঠানগুলো বাস্তবায়ন করতে যাদেরকে ব্যবহার করছেন, তারা হয় মুক্তিযোদ্ধা অথবা স্বাধীনতার পক্ষের মানুষ বা সমাজের প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন গুণীজন। কিন্তু যারা ব্যবহৃত হচ্ছেন তারা আসলেই বুঝে বা না বুঝে বা ইচ্ছে করেই না বোঝার ভান করে এদের ফাঁদে পা দিচ্ছেন কিনা, তা এখন অনেকের কাছেই বড় একটা প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে!

বিদ্যাপ্রকাশের কর্ণধার, যিনি একাধারে লেখক এবং মুক্তিবাহিনীর সদস্য, বর্তমানে লস এঞ্জেলেস নিবাসী। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে সমাজে তিনি আমাদের কাছে শ্রদ্ধেয় বরেণ্য ব্যক্তিত্ব। তার যে কোন কর্মকাণ্ডে আমরা সবসময় তার পাশে না ভেবেই দাঁড়িয়েছি। তারই তৈরী করা নব্য সংগঠন “ক্রান্তি” (সেন্টার ফর বাংলাদেশ ডায়লগ ইউ এস এ), যা সৃষ্টি হবার উদ্দেশ্য ছিল লস এঞ্জেলেসের নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানো এবং বাংলাদেশকে তাঁদের সামনে তুলে ধরা। এই ক্রান্তি গত ২৫শে মার্চ একটি রেস্টুরেন্টে একটা অনুষ্ঠান করে, যে অনুষ্ঠানটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রধান মফিদুল হক তার জাদুঘরের জন্য ডকুমেন্ট হিসাবে তুলে রাখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন, যা ক্রান্তির কর্ণধারই আমাদের জানিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে আমি নিজের উদ্যোগেই ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ এর ঘটনা প্রবাহের উপর ১৯ মিনিটের একটা ফুটেজ দিয়ে মিউজিক ডকুমেন্টারি বানিয়ে বাচ্চাদের দেখানোর ব্যবস্থা করে দেই। যার ভিতর আমাদের নতুন প্রজন্ম খুবই উৎসাহ নিয়ে ঢুকে যায়, যা তাদেরকে আমাদের স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস খুঁজে বের করতে, নিজেদের পূর্বপুরুষদের গৌরব গাঁথা জানতে উৎসাহিত করে। এরপর তিন মাস না যেতেই তিনি সবাইকে অবাক করে দিয়ে বাংলাদেশ, নিউইয়র্ক, কানাডা থেকে শিল্পী এনে অভিষেক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেন, যা যথেষ্ট ব্যয়সাপেক্ষ। তিনি মেম্বারদের উপর উচ্চ পরিমাপের চাঁদা নির্ধারণ করেন, যা অনেকেরই সামর্থের বাইরে। তিনি এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নির্বাচন করেন লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল জনাব প্রিয়তোষ সাহাকে। মূলপ্রবন্ধ পাঠ করার জন্য বিশেষ অতিথি নির্বাচন করেন ডঃ আলী রিয়াজকে যিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনিওস ইউনিভার্সিটির রাজনীতি এবং সরকার বিভাগের অধ্যাপক। অনেকের মূল আপত্তিটি এখানেই।

আমি রাজনীতি বুঝি কম। সোজাসাপ্টা স্বভাবের মানুষ। আমার গত ৩০ বছরের সংগ্রামের মূল জায়গাটাই ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। আমার দেশে বুক ফুলিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সেই বীরমন্ত্র “জয় বাংলা” আর বুকের গভীরের ভালোবাসা দিয়ে “জয় বঙ্গবন্ধু” বলে চিৎকার করার অধিকার অর্জন করা, যা ১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্টের পর লুট হয়ে গিয়েছিলো। আমরা সেটা বাস্তবায়নও করতে পেরেছিলাম আমাদের আন্দোলনবান্ধব বঙ্গবন্ধু কন্যার সরকারের সময় ২০১৩ এর গণজাগরণের মাধ্যমে। আসলে আমরা যে কাজটা করেছিলাম তা ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যার ২০০৮এর নির্বাচনী ইশতেহারের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অঙ্গীকারের পথকে সুগম করা বা বিকৃত ইতিহাসে ঠাসা মস্তিষ্কের নতুন প্রজন্মকে জাগিয়ে তুলে শাহবাগের রাজপথ থেকে দেশে বিদেশে সব বাঙালিদের ভিতরের সুপ্ত কাঙ্খিত দাবিকে উন্মুক্ত বিশ্ববাসীর কাছে উন্মুক্ত করে দেয়া। যার সফলতা জনগণই জানেন। এই কাজটি করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে, আহত হয়েছে, পঙ্গুত্ব বরণ করেছে শাহবাগের অনেক মূল্যবান প্রাণ। আর আমরা অনেকেই এখনো জীবন কাটাই মাথার উপর যুদ্ধাপরাধীদের চাপাতির ছায়া আর তাদের কিলিং মিশনের হিট লিস্টে সদস্য হয়ে।

আমি ক্রান্তির কর্ণধার মুক্তিযোদ্ধা ভাইকে সরাসরি অনুরোধ করেছিলাম যে, এই অনুষ্ঠানে ডঃ আলী রিয়াজের মত একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে এনে আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে তাকে বরেণ্য করা ঠিক হবে না। কারণ এদের অতীতের কর্মকাণ্ডগুলো প্রায় সবই যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষেই গিয়েছে। ভবিষ্যতে এরা যে আমাদের সেন্টার ফর বাংলাদেশ ডায়লগকে বুমেরাং করে দেবেনা তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তিনি উত্তরে বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর মেয়ের শ্বশুর রাজাকার, আওয়ামী লীগে অনেক রাজাকার থাকলে দোষ হয়না, কিন্তু আমাদের এখানেই দোষ?’ তার এই যুক্তি আমাকে খুবই হতাশ করেছিল। আমি তাকে সরাসরি বলেছিলাম, আপনার মতো একজন মুক্তিযোদ্ধার কাছে এই যুক্তি আমরা আশা করিনা। আপনার আর আলী রিয়াজের বন্ধুত্বটা আপনাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখুন, তাকে আমাদের উপর কেন চাপাচ্ছেন? যিনি মীর কাশেমের বিচারের রায়ের বিরুদ্ধে ডেভিড বার্গম্যান এর পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, পরে ট্রাইব্যুনাল এদের তলব করলে তিনি ক্ষমা চেয়ে ওই যাত্রা রেহাই পেয়েছিলেন। ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলায় যার ভূমিকা ছিল, যিনি আমাদের দেশের জামাত শিবিরের সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে বহির্বিশ্বে আইএস-এর সন্ত্রাসী কার্যক্রম বলে চালিয়ে দিতে বা বাংলাদেশে আইএস দখল করে ফেলেছে বলে বিদেশী সৈন্যদের এ দেশে দাওয়াত দেবার চেষ্টা করেছিলেন। যিনি মানসিকভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে একজন যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে দাঁড়াতে পারেন, তার কাছ থেকে আমরা আর যাই হোক তাকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ হিসাবে মেনে নিতে পারি না, সে তিনি বুদ্ধিজীবী হন আর যেই হন।

আমার মতো অনেকেই তার এই হঠকারী সিদ্ধান্তকে মেনে নেননি এবং ওই ক্রান্তি থেকেই সরে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু এতেও তিনি কারও মতামতের ধার না ধরে অনেকটা স্বৈরাচারী পদ্ধতিতে তার ইচ্ছারই বাস্তবায়ন ঘটাতে সচেষ্ট হন। এখন অনেকেরই মনে সন্দেহের দানা বাঁধছে যে, “আসলেই কি ক্রান্তি কোন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ডায়লগ-এর সংগঠন, নাকি কারো কোন গোপন মিশন শেখের বেটিকে ঠেকাও বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া? এতে আমি নিজেকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমি জার্মানির রোকেয়া রথের মাধ্যমে তার অনুষ্ঠানের সূচিটি মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘরের মফিদুল হক ভাইকে পাঠাই, এতে তিনিও বিস্ময় প্রকাশ করেন। আদতে তিনি এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। খটকাটা তখন আরও গভীর হয়ে ওঠে। গত ২৫শে মার্চ যে মানুষটি এই সংগঠনের অনুষ্ঠানটি ডকুমেন্ট হিসাবে প্রিজার্ভ করতে চেয়েছিলেন সেই মানুষটিকেও পাশ কাটিয়ে কেন এই প্রচেষ্টা? এর আগে আমাকে অনেকেই বলেছে যে, “সেন্টার ফর বাংলাদেশ ডায়লগ, ইউ এস এ” ডঃ আলী রিয়াজেরই সংগঠন যা আমি কখনোই বিশ্বাস করিনি। কারণ আমাদের বিশ্বাস একজন মুক্তিযোদ্ধার উপর। কিন্তু আজ সব বিশ্বাস যেন ফিকে হয়ে যাচ্ছে। হতাশা ভর করছে আমাদের বিশ্বাসে।

একজন মুক্তিবাহিনীর সদস্যের চরিত্রের স্খলন হয়ে তিনি যুদ্ধাপরাধীদের কোলে তুলে দোল খাওয়াতেই পারেন। তাই বলে যুদ্ধাপরাধীদের মানসিকতার কোন কথিত বুদ্ধিজীবী কখনোই মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যাবেনা। এই দেশের একজন ধান-গবেষক আক্ষেপ করে বলেছিলেন যে, আমি যদি আমার গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের ধানের বীজ আবিষ্কার না করে কবিতা লিখতে পারতাম, তবে একজন বুদ্ধিজীবী হতে পারতাম, যা একজন বিজ্ঞানী হয়েও পারিনি। এই দেশে ফরহাদ মজহার গংরা খুব সহজেই শুধুই বুদ্ধিজীবী হয়ে ওঠেন না, তারা কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্থান-কাল-পাত্রের সুবিধার্থে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষদের কোলে চড়েও দোল খেতে পারেন। এখানেই আমাদের হেরে যাওয়া। তবুও আমরা আবার বুক বাঁধি ওই শেখের বেটির দিকে তাকিয়ে। আমরা জেগেই আছি।

আজ তাই সশ্রদ্ধ আহ্বান করছি আমাদের গুণীজন ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কাছে। একবার ভাবুন, তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে এই দেশটিকে কোথায় পৌঁছে দিয়েছে এই স্বাধীনতার পক্ষের সরকার। ভাবুন নিজের অজান্তেই ওই সব বুদ্ধিজীবীদের “শেখের বেটিকে ঠেকাও” নামক কোন ষড়যন্ত্রে পা দিচ্ছেন কিনা? ওদের গায়ে যে কালিমা মেখেছে সেই কালিমা আপনাদের গায়ে দেখতে আমাদের মোটেও ভালো লাগবে না। কারণ আমরা আপনাদের ভালোবাসি।

“জয় বাংলা” “জয় বঙ্গবন্ধু”

আল আমিন বাবু

লস এঞ্জেলেস (উত্তর আমেরিকা)

 

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ