লসএঞ্জেলেস বাংলাদেশ কন্সুলেটে ২১'শের আলোচনায় অপ্রীতিকর ঘটনা

February 22, 2018, 2:45 PM, Hits: 3870

লসএঞ্জেলেস বাংলাদেশ কন্সুলেটে ২১'শের আলোচনায় অপ্রীতিকর ঘটনা

আলম , হ-বাংলা নিউজ, হলিউড থেকে:

গতকাল ২১'শে ফেব্রয়ারি ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্থানীয় কনসুলেট জেনারেল এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ৷ আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় ৷
আওয়ামিলীগের দলীয় কোন্দলের কারণে লসএঞ্জেলেসে কয়েকটি দল উপদল রয়েছে ৷ আওয়ামিলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রব মিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামিলীগের উপদেষ্টা দারা বিল্লাহর দেওয়া লিস্ট অনুযায়ী বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া হয় ৷ এর ফলে বক্তব্য থেকে বাদ পড়ে যায় আওয়ামিলীগের সাবেক সভাপতি সোহেল রহমান বাদল,সিটি আওয়ামিলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাকির খান এবং কমিউনিটির সর্বজন শ্রদ্ধাভাজন মোমিনুল হক বাচ্চু ৷

এই নিয়ে উপস্থিত সুধীজনদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় ৷ জাকির খান দাড়িয়ে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ৷ ক্ষুব্দ হয় সোহেল রহমান বাদল ৷
সোহেল রহমান বাদল উঠে দাড়িয়ে যখন তার ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তখন যুবলীগের নেতা কর্মীদের সাথে তার ভুলবুঝাবুঝি হয় ৷ যুবলীগের নেতা-কর্মীদের চাপের মুখে সোহেল রহমান বাদল কনসুলেট ত্যাগ করতে বাধ্য হয় ৷ যুবলীগ সভাপতি তার দলীয় নেতা-কর্মীদের শান্ত করেন !

আওয়ামিলীগ এবং সহযোগী সংগঠনের দলীয় কোন্দলেরমাঝে কমার্শিয়াল কনসাল আল মামুনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠে ৷ আল-মামুন লিস্টের বাইরে যুবলীগের বিতর্কিত একটি গ্রূপের নেতা খন্দকার আহমেদকে বক্তব্যের সুযোগ দিলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হয় ৷ সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি শাহ আলম এর তীব্র প্রতিবাদ করেন ৷ আওয়ামিলীগের পুষ্প অর্পনের অনেক পরে সাধারণ সম্পাদক রবি আলমউপস্থিত হলে তার দল ও দলীয় পদ ঘোষণা করে অনুষ্ঠানের মাঝে ফুল দেওয়ার ঘোষণা দিলে আওয়ামিলীগের অন্য গ্রূপের নেতারা ক্ষিপ্ত হয়,শাহ আলম চৌধুরী প্রকাশ্যে আল মামুনের এই পক্ষপাতিত্বের প্রতিবাদ করে ৷ এদিকে শাহ আলম চৌধুরীর ২১ বহিঃভুত বক্তব্য এবং বক্তব্যে দলীয় বিরোধের প্রকাশ উপস্থিত সুধী সহ কনসুলার জেনারেল বিব্রত বোধ করেন ৷ অনেকে অভিযোগ করেন শাহ আলম মাইক পেলেই মেঠো হকার টাইপের বক্তব্য শুরু করে ৷

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আওয়ামিলীগের একটি গ্রূপের নেতারা আল মামুনকে ভবিষতের জন্য হুশিয়ার করে দেন ৷
কনসুলার জেনারেল প্রিয়তোষ সাহা ভবিষতে কাউকে বক্তব্যের সুযোগ না দেওয়ার ঘোষণা দেন ৷
তবে সাংস্কৃতিক পর্বে উপস্থিত শিল্পীদের কবিতা ও গান সকলকে মুগ্ধ করে ৷ শিশু শিল্পীদের কবিতা ও গানে সবাই অনুপ্রাণিত হয় ৷
ফিরোজ আলমের কবিতা উপস্থিত রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের একটি ধাক্কা দিতে সক্ষম হয় ৷ মিতালি কাজল ওউপমা মজুমদার ওস্তাদ নাজির আহমেদ ও আরজিন কামালের গান ছিল অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ৷ 


 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ