মহাকালে টিকে থাকুক বিপা

March 11, 2018, 1:58 AM, Hits: 486

মহাকালে টিকে থাকুক বিপা

হ-বাংলা নিউজ :  জীবনে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে বেশির ভাগ সময়ই অনেক ব্যবধান বা অসামঞ্জস্য থেকে যায়। অবশ্য জীবনের চাওয়া-পাওয়ার হিসাব মেলানো ব্যাপারটি একটি জটিল অঙ্ক। তাই আমি যে মানুষটি কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি, ভালোবাসার দেশকে পেছনে ফেলে বিদেশের মাটিতে পাড়ি জমাতে হবে—ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ তাই হলো।

১৯৭৭ সালে অশ্রু ভারাক্রান্ত চোখে দেশের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে নিউইয়র্কের মাটিতে যখন পা দিলাম তখন বুকের ভেতরে এক বিশাল শূন্যতা অনুভব করেছিলাম। যেদিকে তাকাচ্ছিলাম, পরিচিত কিছুই চোখে পড়ছিল না। দেশ থেকে সবকিছুই ভিন্ন। ইংরেজিতে একটা কথা আছে ‘হোম সিক’—সেটি এখানে এসে মনেপ্রাণে অনুভব করছিলাম। 

কিন্তু সময় বসে থাকে না। নিউইয়র্কে বাঙালির সংখ্যা তখন অনেক কম। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অনেক ফার্মাসিস্ট, চিকিৎসক, প্রকৌশলীসহ আরও নানা পেশার মানুষের সবে নিউইয়র্কে আসা শুরু হয়েছে। এ ছাড়া স্বাধীনতার আগে থেকেই ছিল রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীসহ আরও বিভিন্ন পেশার কিছু মানুষ। আমরা বাঙালিরা একটি গর্বিত জাতি। তা না হলে ভাষার জন্য জীবন দেব কেন? তাই বাঙালির সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত হলো বিভিন্ন সংগঠনের। সামাজিক প্রাণী হিসেবে মানুষ যেখানেই যাক না কেন, সংঘবদ্ধ হবে এটাই স্বাভাবিক। অভিবাসী বাঙালিরাও এই অমোঘ নীতির ব্যতিক্রম ছিল না। 

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের সবচেয়ে পুরোনো সংগঠন তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান বাংলাদেশ লীগ অব আমেরিকা যার গোড়াপত্তন হয়েছিল ১৯৪৮ সালে। এর প্রথম সভাপতি ছিলেন মরহুম ইব্রাহিম চৌধুরী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভাষা সৈনিক ড. আলমগীরের নেতৃত্বে এই সংগঠনটি উত্তর আমেরিকায় স্বাধীনতার পক্ষে জনমত তৈরিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ১৯৭৫ সালে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ড. আবদুল হকসহ কিছু নিবেদিতপ্রাণ বাঙালির প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ সোসাইটির। ওদিকে ওপার বাংলার বাঙালিরাও বসে ছিল না। ১৯৭১ সালে বঙ্গ সংস্কৃতি সংঘ নামে ওপার বাংলার বাঙালিদের সংগঠন আজ বাঙালিদের মিলন যজ্ঞে পরিণত হয়েছে। ব্রুকলিনে আত্মপ্রকাশ ঘটল ‘প্রবাসী’ নামের আরও একটি সংগঠন।

আমি একটু আধটু গান জানি বলে জানাজানির পর বিভিন্ন সংগঠন থেকে শুরু হলো গান পরিবেশনের আমন্ত্রণ। প্রবাসে আমার গানের চর্চা এভাবেই শুরু। তবে তখনকার গান বা সাংস্কৃতিক চর্চাটা ছিল অনেকটা মৌসুমি হাওয়ার মতো। বিশেষ কোন দিনকে উপলক্ষে হই হই রই রই করে চলল অনুষ্ঠানের মহড়া। অনুষ্ঠান শেষ, দেখা-সাক্ষাতও বন্ধ।

নিউইয়র্ক তথা সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের বাঙালির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছিল। প্রথম প্রজন্মের বাঙালির সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু তাদের জন্য নিয়মিত কোনো বাংলা স্কুল নেই। সংস্কৃতি চর্চার কোনো ক্ষেত্র নেই। প্রচেষ্টা ছিল অনেক সংগঠনের। কিন্তু স্বল্প মেয়াদি এসব স্কুল প্রবাসী প্রজন্মের প্রয়োজন মেটাতে পারেনি। বাংলাদেশ সোসাইটি থেকে সৈয়দ টিপু সুলতানের নেতৃত্বে একটি দল বের হয়ে নিয়মিত বাংলা চর্চার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করল। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতেন কাজী আরিফ, দুলাল ভৌমিক, তপন কান্তি বৈদ্যের মতো বরেণ্য শিক্ষকেরা। কিন্তু এরপরও স্থায়ীত্ব পেল না এই সংগঠনটি। 

আশির দশক থেকেই নিউইয়র্কসহ পুরো উত্তর আমেরিকায় বাঙালির ব্যাপক আগমন শুরু হয়। সেই সঙ্গে প্রসার ঘটে বাঙালির ব্যবসা-বাণিজ্যের। একটু একটু করে আত্মপ্রকাশ হতে শুরু হয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের। এ সময় কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় পাস করে আশরাফুল ইসলাম ১৯৮০ সালে আমিনুর রশীদ পিন্টু ও মমতাজ হাসানকে নিয়ে শুরু করলেন উত্তর আমেরিকা তথা বাংলাদেশের প্রথম নিয়মিত বাংলা বেতার ‘পদ্মার ঢেউ’। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে এই বেতার দুই বাংলার বাঙালিদের কাছে দেশের সর্বশেষ সংবাদ পৌঁছে দিয়েছে। গানের পাশাপাশি আমি ‘পদ্মার ঢেউ’ বেতারে খবর পাঠ শুরু করলাম। এই খবর পাঠ তখন এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে আমার সংগীতশিল্পী পরিচয়টিই তখন ঢাকা পড়ার উপক্রম হলো। দেশের খবরাখবরের জন্য এই একটি মাত্র বেতারই তখন ছিল যোগসূত্র।

বিপার সংগীত পরিবেশনা

বিপার সংগীত পরিবেশনা

এরপর আনিসুজ্জামান খোকনের উদ্যোগে শুরু হলো প্রথম বাংলা টিভি ‘রূপসী বাংলা’। মুজিব বিন হক, কবি শামস্ আল মোমেনসহ কিছু উদ্যোমী তরুণের প্রচেষ্টায় ‘দিগন্ত’ নামে একটি সংবাদপত্রও প্রকাশিত হয়। পরে প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহর সম্পাদনায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রবাসী সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়। এভাবেই অভিবাসী বাঙালি সমাজের কর্মক্ষেত্র নানা দিকে প্রসারিত হচ্ছিল। কিন্তু বাংলা সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রটির অভাব রয়েই গেল। অথচ নব্য অভিবাসীদের ঘরে ঘরে নতুন প্রজন্মের সংখ্যা বাড়ছিল। তারা ভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বড় হচ্ছিল। নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করানোর তাগিদ অনুভব করছিলাম। তা ছাড়া আমরা যারা বিভিন্ন সংগঠনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম তাদের সবার নিয়মিত চর্চার জন্য একটি ক্ষেত্রের প্রয়োজন তীব্রভাবে অনুভব করছিলাম। সেই প্রয়োজনবোধ থেকেই তখন প্রাথমিকভাবে ১৯৯৩ সালে কিছু শিল্পীর মিলিত প্রচেষ্টায় বিপার যাত্রা শুরু হয়। আমিসহ এসব উদ্যোক্তার মধ্যে ছিলেন তপন কান্তি বৈদ্য, আবদুস সামাদ বিশ্বাস, শহীদ হাসান, স্বপ্না কাউসার, সাব্বির আলী, অ্যানি ফেরদৌস প্রমুখ। আজ সময়ের কষ্টি পাথরে যাচাই হয়ে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে আমরা তিনজন ছাড়া আর কেউই নেই। 

আমার প্রতিবেদনটি শুরু করেছিলাম, ‘প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির’ বিস্তর তফাৎ নিয়ে। বিপাতে আমি একজন শিল্পী হিসেবেই থাকতে চেয়েছিলাম। কখনোই নিজেকে একজন সংগঠকের স্থানে দেখার চেষ্টা করিনি। সেই শর্তেই আমি বিপার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছিলাম। আমার কাছে আমার সন্তান, কাজ, সংসার ও আমার নিজস্ব পরিমণ্ডলই ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য সবার মতোই ছোট্ট একটি আশা ছিল, একটু গান করব। কিন্তু শুরুতেই যখন কিছু অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে গেল তখন আমাকে দুভাগে বিভক্ত যেকোনো একটি পক্ষকে সমর্থন করতে হলো। আমি স্বভাবতই যারা এর ন্যায্য দাবিদার তাদের সমর্থন দিলাম। এরপর থেকেই বিপাতে আমার ভূমিকা পরিবর্তিত হয়ে গেল। 

আমি আমার পরিচিত বলয় থেকে ছিটকে পড়লাম বিপাতে। আমাকে বিপার সংগীত বিভাগের দায়িত্ব কাঁধে নিতে হলো। একজন সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব নিতে হলো বিপার প্রসার ও প্রচারে। একজন প্রশিক্ষক হিসেবে বিপায় আমি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে গান শেখাচ্ছি। পরিচালনা করেছি অসংখ্য নৃত্যনাট্যের, সংগীত পর্বের, প্রয়োজনে লিখতে হয়েছে স্ক্রিপ্ট। বিপার প্রথম দিকের বর্ষবরণের নৃত্যনাট্যগুলো সরাসরি গানের সঙ্গে পরিবেশিত হতো। এখন আমার ভাবতে অবাক লাগে কীভাবে প্রবাসে বসে আমি বা আমরা এসব করেছি। নৃত্যনাট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে চিত্রাঙ্গদা, সোনাইমাধব, চণ্ডালিকা, খেলা শেষের গান ইত্যাদি। শুধু তো বড়দেরই না। পাশাপাশি ছোটদেরও সরাসরি গানের সঙ্গে নৃত্যনাট্য পরিবেশিত হতো। ছোটদের জন্য বিপার সর্বপ্রথম গীতিনৃত্যনাট্য ছিল ‘শেয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা’। এই গীতিনাট্যের রূপান্তর আমারই করা। এ ছাড়া ‘তাসের দেশ’-এর প্রথম প্রযোজনায় ছিল সরাসরি গানের সঙ্গে বাংলা সংলাপ। প্রবাসে জন্ম নেওয়া এসব শিশু-কিশোরের নাট্যাংশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলাম আমি। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন নিলুফার জাহান ও নৃত্য পরিচালনায় অ্যানি ফেরদৌস। তবে বাহবা পাওয়ার মতো কাজ করেছে এই প্রজন্মের শিশু-কিশোরেরা। কঠিন বাংলায় সে সব সংলাপ এসব খুদে শিল্পীরা সঠিকভাবেই প্রক্ষেপণ করতে পেরেছে। সরাসরি গানের সঙ্গে আরও পরিবেশিত হয়েছে ‘লালকমল নীলকমল’ ‘সামান্য ক্ষতি’ ইত্যাদি। 

এ ছাড়া বিপার ছাত্রছাত্রীদের ধারণকৃত সংগীতের সঙ্গে পরিবেশিত হয়েছে নৃত্যনাট্য ‘বুদ্ধুভূতুম’, ‘হিংসুটে দৈত্য’। ২০০৩ সালে বিপার দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশনায় তিন ঘণ্টার শাস্ত্রীয় সংগীত ও নৃত্যের অনুষ্ঠান ‘রাগ ও রং’। সেখানে সাত থেকে ষোলো বছরের ছাত্রছাত্রীরা একক ও সম্মিলিতভাবে শাস্ত্রীয় সংগীত পরিবেশন করেছে। ২০০৩ সালে আমারই পরিকল্পনায় ‘উত্তরাধিকার’ নামে শুরু হলো উচ্চতর ছাত্রছাত্রীদের একক সংগীতানুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে আমার প্রশিক্ষণে যে দুটি ছাত্রী গান করেছিল তাদের একজনের বয়স ছিল ১২ ও অন্যজনের ছিল ১৪। এরা প্রত্যেকে শাস্ত্রীয়সঙ্গীত, নজরুলসংগীত, রবীন্দ্রসংগীতসহ বাংলা সংগীতের বিভিন্ন ধারার ১০ থেকে ১২টি গান সাবলীলভাবেই পরিবেশন করেছিল। সেই থেকে শুরু হলো ’উত্তরাধিকার’। এ পর্যন্ত এই উত্তরাধিকারে ১৫ জন গানে, দুজন নাচে ও একজন তবলায় অংশ নিয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ভীতি দূর করতে অনিয়মিত অনুষ্ঠান ‘সঞ্চারী’ শুরু হলো। ২০১৬ সালে ‘তাসের দেশ’ নৃত্যনাট্যের জন্য বিপার ছাত্রছাত্রীদের প্রথম গান ধারণ করার অভিজ্ঞতা হলো পেশাদার রেকর্ডিং স্টুডিওতে। দেশ ও প্রবাসের শিল্পীদের নিয়ে একক সংগীতানুষ্ঠান ‘জলসা’র প্রথম অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল প্রখ্যাত শিল্পী প্রয়াত নিলুফার ইয়াসমিনের সংগীত দিয়ে। এ পর্যন্ত ৫০ জনের কাছাকাছি স্থানীয় শিল্পী ছাড়াও বাংলাদেশ, ভারত ও প্রবাসের শিল্পীরা এই আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেছে। ‘গানে গানে আড্ডা’ ও ‘নতুন সুর’ নামের আরও দুটি গানের অনুষ্ঠান শুরু হয় ২০১৬ সাল থেকে। ‘বাংলাদেশ নাইট’ নামে মুক্তমঞ্চে বিপা পরিবেশন করেছে কখনো বসন্ত উৎসবের গান, কখনো কীর্তন, কখনোবা জারি গান। বিপার অনুষ্ঠান শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিভিন্ন লাইব্রেরি ও স্কুলে বাংলা সংস্কৃতির ওপর পরিচালনা করা হয়েছে কর্মশালা। বিভিন্ন আমন্ত্রণে দল নিয়ে আমরা পরিবেশন করতে গেছি বহুবার। এ তালিকা বাড়তে থাকবে। সুতরাং এখানেই এই তালিকা শেষ করা ভালো ।

২৫ বছর একেবারে কম সময় নয়। বিপার অন্যান্য কার্যক্রমের পাশাপাশি সংগীত বিভাগের প্রধান হিসেবে এই বিভাগটি আমাকে চালিয়ে নিতে হয়েছে। ২৫ বছরে কয়েক শ শিক্ষার্থী বিপায় সংগীতের শিক্ষা নিতে এসেছে। ২৫ বছরে মায়ের মৃত্যুর পর একটি পুরো সপ্তাহ পাইনি শোক করার। ২৫ বছরে অনেকবারই আমার ঊর্ধ্বতনকে বলতে হয়েছে, I will be the last person for on call. ২৫ বছরে আমন্ত্রণে যেতে পারিনি বলে বন্ধু বা স্বজনদের কাছে উন্নাসিক বলে আখ্যায়িত হয়েছি। ২৫ বছরে বিপার সঙ্গে আমারও বয়স বেড়েছে। ২৫ বছরে বিপায় আমার সন্তানের স্থানে এসেছে আমার দৌহিত্র। ২৫ বছরে বিপার কাজে নিমগ্ন আমি বিস্মৃত হয়ে গেছি অনেকের কাছে। ২৫ বছরে শিশুছাত্রটি আজ হাল ধরেছে বিপার। ২৫ বছরের শিশু বিপা আজ সাফল্যে ও তারুণ্যে ঝলমল করছে। মহাকালের কাছে ২৫ বছর একটি বিন্দু পরিমাণও নয়। কিন্তু আমাদের জীবনে ২৫ বছর অনেকটা দীর্ঘ সময়। বিপা এ রকম আরও অনেক ২৫ বছর পার করবে—এমন আশা রইল। 

 
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ