কনসুলেট অফিস এবং লসএঞ্জেলেসের আওয়ামী পরিবারসহ কমিউনিটির মধ্যে বিভক্তি : নেপথ্যে মোশতাক/সিনহা খ্যাত কনসাল প্রিয়তোষ সাহা

May 19, 2018, 5:03 AM, Hits: 2163

কনসুলেট অফিস এবং লসএঞ্জেলেসের আওয়ামী পরিবারসহ  কমিউনিটির মধ্যে বিভক্তি : নেপথ্যে মোশতাক/সিনহা খ্যাত কনসাল প্রিয়তোষ সাহা

হ-বাংলা নিউজ, হলিউড থেকে : লস এঞ্জেলের বাংলাদেশ কনসুলেটসহ আওয়ামী পরিবার, হিন্দু সগংঠন, সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনের বিভক্তির মুল ষড়যন্ত্রকারী কনসাল জেনারেল প্রিয়তোষ সাহা। তিনি একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন, এক সংগঠনের বিরুদ্ধে আরেক সংগঠন, নিজের অফিসেরকর্মকর্তার বিরুদ্ধে শ্লিতাহানির মিথ্যা অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী, পাল্টা অভিযোগ নিয়ে অস্থির করে তুলেছেন লস এঞ্জেলেসের প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটিকে। অতীতে এমনটা কখনও দেখা যায়নি। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, গতবছর কনসালের কারনেইআওয়ামীলীগের ব্যানারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে সংবর্ধনা দেয়া সম্ভব হয়নি, এবং তার কারনেই সিলেটি কমিউনিটির পক্ষ থেকে ‘জালালাবাদ এসোসিয়েশনের’ ব্যানারে সংবর্ধনা দেয়া হলে মন্ত্রী মহোদয়ের সামনেই প্রিয়তোষ সাহার সৃষ্ট অনুপ্রবেশকারীরা নিজদেরকর্তৃত্ব নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষের ফলে অনুষ্ঠান সংক্ষেপ করে সিকিউরিটি পাহারায় মন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

কনস্যুলেট অফিস কর্তৃক আয়োজিত গত ২১ ফেব্রুয়ারীর অনুষ্ঠানের গণ্ডগোলের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরালহ লে তাতে ও দেখাযায় ঐ একই ব্যক্তিরা হাতাহাতির ঘটনা ঘটায় ।কনসাল প্রিয়তোষ সাহার অব্যবস্থাপনা ও অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে দল বাজীর কারনে সাধারণ জনগন কনসুলেট অফিসের অনুষ্ঠান বর্জন করছেন ।ফেসবুক স্ট্যাটাসে কনস্যুলেট জেনারেল প্রিয়তোষ সাহাকে ‘অথর্ব কলসাল জেনারেল’ উল্লেখ করে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অনেকে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, কনুলেট অফিসে তার একক আধিপত্য বিস্তারের হীন চেষ্টার কারনে আমেরিকার মত একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশের কনসুলেট অফিসে ফরেন ক্যাডারের কোনো কর্মকর্তা নেই ।সাধারণ জনগনের ধারনা কনসুলেটের ক্যাডার ভুক্ত অনেক গুলো কর্মকর্তার পদ খালি থাকা সত্বেও ফরেন মিনিস্ট্রির কোনো কর্মকর্তা নেইবা এ সে থাকতে পারছেনা তার নোংরামীর কারনে।সুশিক্ষিত, বিনয়ী, দক্ষ, ধর্মপ্রানও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বর্তমান কমার্শিয়াল কনসাল আল মামুন কে সরানোর জন্য তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন বর্তমান কনসাল প্রিয়তোষ সাহা। প্রিয়তোষ সাহার এই হীন প্রচেষ্টার জন্যসাধারণ জনগণ ধিক্কার জানিয়েছেন। সবসময় নারী দের সাথে ছবি তোলার অপচেষ্টায় লিপ্ত, স্ত্রী ছাড়া প্রবাসে বসবাসকারী কনসাল তার অধিনস্থ যে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন তা ভিত্তিহীন। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে কমার্শিয়াল কনসাল স্ব-স্ত্রীক বসবাস করছেন।এদিকে বর্তমান কনসাল আসার পর থেকেই কিছু পাকিস্থানী ব্যাক্তি যারা তাদের নিজ কমিউনিটিতে ঘৃনিত, অবহেলিত তাদের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে।তাদের নিজকমিউনিটির অনুষ্ঠানে দেখা না মিললেও বাংলাদেশ কনসুলেটের অনেক অনুষ্ঠানে তারা সরব।অল্প অল্প বাংলায় পারদর্শী এই পাকিস্থানীরা বাংলাদেশক মিউনিটি তে এক রহস্যময় পুরুষ।অনেকেই তাদেরকে একটি দেশের বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার লোক বলে মনেকরেন।


তাকে নিয়ে লস এঞ্জেলেসে অসন্তোষের যেন শেষ নাই। কনসুলেটের সুন্দর পরিবেশ এখন পুরো পুরি নির্বাসিত।বর্তমান কনসাল আসার আগে ও রাষ্ট্রীয় সকল প্রোগ্রামই বিগত কনসাল জেনারেলরা দক্ষতার সাথেই সুন্দর ভাবে সাধারণ জনগণকে নিয়েই সম্পন্ন করেছেন।অথচ একক ভাবে ক্রেডিট নেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টায় অভ্যস্ত মিথ্যাবাদী কনসাল যেন গায়ে মানে না আপনিই মোড়ল হওয়ার চেষ্টা করছেন। অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মি্থ্যা অভিযোগ এনে নিজেই সভাপতি,  নিজেই উপস্থাপক, নিজেই অনুষ্ঠানের পরিচালক হওয়ায় ব্যস্ত ।সব প্রোগ্রামই যদি বর্তমান কনসাল আসার পরে শুরু হয়ে থাকেতবে অন্য কনসাল জেনারেলরা কি কোন অনুষ্ঠানই করতেন না। তিনি তার অফিসের অনুষ্ঠানে কিছু ঔষধ বিক্রেতা, কিছু আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারী, ভুয়া সাংবাদিক মিথ্যাবাদীদের দিয়ে সোসাইটির প্রতিষ্ঠিত ও সুশিক্ষিত, দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ত্ব, প্রতিষ্ঠিত প্রত্রিকাও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এমন কি নিজের অফিসের দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চার ও শিখানো বক্তব্য পাঠ করান যা লস এঞ্জেলেসবাসীর নিকট ঘৃনা ও হাসির কারন হয়ে দাড়িয়েছে।শুধু তাই নয় কিছুদিন আগে তার অপকর্ম ধামাচাপা দেয়ার জন্য লবিংকরতে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন।হীনউদ্দেশ্যে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান বন্ধ রাখলেও তখন তার অনুপস্থিতিতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান মুজিব নগর দিবসের অনুষ্ঠানে তার অনুসারীকে উপস্থিত হননি।সত্যিই লজ্জার বিষয়।আর সাধারণ জনগণ সহ আওয়ামীলীগের বেশীর ভাগ ত্যাগী নেতারা প্রিয়তোষ সাহার অব্যবস্থাপনার কারনে কনসুলেট অফিস বর্জন করেছেন অনেক আগে থেকেই। লস এঞ্জেলেসবাসী এর পরিত্রাণ চায়। হাস্য রসকরে অনেককেই বলতে শোনা যায় নাইরে নাই প্রিয়তোষ নাই,কনসুলেটে অনুপ্রবেশকারীরাও নাই।     

 
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ