মঠবারিড়ার ওয়াহিদুজ্জামান না ফেরার দেশে চলে গেলেন

June 1, 2018, 1:42 AM, Hits: 267

মঠবারিড়ার ওয়াহিদুজ্জামান না ফেরার দেশে চলে গেলেন

বাংলা অক্ষর টনি নিউ ইর্য়ক থেকেঃ কথা ছিল নতুন জীবনে পা রাখার, কিন্তু অন্তিম গন্তব্যেই চলে যেতে হলো  ওয়াহিদুজ্জামানকে। নিউ ইর্য়কে পিরোজপুর মঠবারিড়ার  মোহাম্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান  না ফেরার দেশে চলে গেলেন গত রোববার দুপুর ১.৫৮ মিনিটে  (ইন্না লিলস্নাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ম্যানাহাটনের মাউন্টসিনাই হাসপাতালে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। পিতা মরহুম আব্দুল লতীফ ছিলেন ফুড ইনেসপেকটার তার ৩ ছেলে,  চার  মেয়ে বাংলাদেশ থাকেন। সেঝো ছেলে মোহাম্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান  গত ৬ মে  এস্টোরিয়া মাউন্টসিনাই হাসপাতালে।ভর্তি হয়ে ছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অব্সহতাই  তার ব্রেইন স্ট্রোক করে। এরপর থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন , তাকে লাইফ সার্পোট দিয়ে রাখা হয়েছিল এতোদিন।মোহাম্মাদ ওয়াহিদুজ্জামানের গত কয়েক বছর ধরে কিডনি সমস্যায় ভোগ ছিলেন। গত ২ বছর আগে একবার হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ছিল।

গত সোমবার জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বাদ এশার সেখানে তার গ্রামের এবং বন্ধুসহ কমিউনিটির অনেকেই উপস্হিত হয়ে ছিলেন মোঃ ওয়াদুদ, ফারুক আহমেদ, ফুটবলার ইউসুপ, তৈয়ব, হীমু,ও প্রমূখ।সর্বখনিক পাসে থেক সহযোগিতা করেছেন মোঃ ওয়াদুদ ও ইউসুপ। পরের দিন মঙ্গলবার রাতে আমিরাতের ফ্লাইটে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। সেখানে বড় ভাই আসলুমজ্জামান ঢাকা থেকে লাশ নিয়  মঠবারিয়ার উদ্যেশে রওয়ানা দেন আগামি কাল ১লা জুন শুক্রবার বাদ জুম্মায় দ্বীতয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে নিজ গ্রাম থানা পারাতে।

উলেখ্য মোহাম্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান ১৯৮১ সালে আমেরিকার এসেছিল।  ফ্লোরিডা ওয়েষ্ট পামবীচে থাকতেন এবং সে খানে একটি রেষ্টুরেন্টে  এবং সেভেন ইলেভেন কাজ করতেন। এসব তথ্য তার বন্ধু সাবেক ফুটবলার ইউসুপ আমাকে বলছিলেন। রুমমেন্ট হিসাবে ফ্লোরিডাতে এক সাথে ছিলেন তিনি আরও বলেন ১৯৮৭ সালে বিদেশী একটি মেয়েকে (বারারাকে) বিয়ে করে নিউ ইর্য়কে চলে আসেন থাকতেন এস্টোরিয়াতে।

নিউ ইর্য়কে এসে ইয়লো ট্যাক্সি চালাতো। ১৯৯৭ সালে একবার বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তারপর আর বাংলাদেশে যাওয়া হয়নি। সেই সময় বাংলাদেশে থেকে এসে আর বিদেশী বউ (বারবারার) সাথে সংসার করা হয় নাই।

১৯৮১ সাল দেশ ছেড়ে ছিলাম জীবিকার উদ্দেশ্যে। কাজের সন্ধান চলছে। দুটি পার্ট টাইম চাকুরী হলো ওখানে পরিচয় হয় ফুটবলার ইউসুপের সাথে। একে সাথে কাজ করার সুবাদে থাকতেন ও আর এক সাথে চলে আসেন নিউ ইর্য়কে।

চির বিদায় মোহাম্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান । আপনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। এদিকে মোহাম্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান মৃত্যুর খবর নিউ ইর্য়কে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাংলাদেশিদের মাঝে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। 

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ