ইতালিতে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন

August 16, 2018, 2:44 AM, Hits: 279

ইতালিতে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন

হ-বাংলা নিউজ : যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে ইতালির রোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় শোক দিবস ২০১৮ পালিত হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত-বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলেল পুষ্পার্ঘ অর্পণ, ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ তারিখে নিহত সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে এক মিনিটের নীরবতা পালন, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা ও বিশেষ দোয়া মাহফিল। 

ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব আবদুস সোবহান সিকদার দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন। এরপর বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের উপস্থিতিতে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা সভা শুরু হয়। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করে শোনান দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ।

এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বহু সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ। মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ জন্মে জাতির পিতার অবদানকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন এবং জাতির পিতার অভাবে বাংলাদেশের অপূরণীয় ক্ষতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ জন্ম হতো না। রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি অস্থিমজ্জায় একজন প্রকৃত বাঙালি হিসেবে সারাজীবন বাঙালি জাতির উন্নয়নে কাজ করেছেন, এমন কি বাঙালিদের স্বার্থ রক্ষার্থে পরিবারের সদস্যসহ নিজের জীবন আত্মোৎসর্গ করেছেন।

রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালিদের নিয়ে একটি স্বপ্ন দেখতেন এবং সে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য দেশ স্বাধীন হবার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশ উন্নয়নের সকল ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। কিন্তু পুরোপুরি বাস্তবায়নের আগেই নির্মমভাবে খুন হন যা বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা নিজেই সেই অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ বিনির্মাণে নিয়োজিত আছেন, এবং তাঁর এই অসাধ্য কাজে সকল স্বাধীনতাকামী মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য রাষ্ট্রদূত উপস্থিত সকলকে অনুরোধ করেন।

 

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ