নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রা

August 16, 2018, 6:31 PM, Hits: 501

নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রা

বাংলা অক্ষর, টনি নিউ ইর্য়ক থেকে:যথাযোগ্য মর্যাদায় ও অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়। সকাল ৯টায় স্থায়ী মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালনের কর্মসূচি শুরু করা হয়। এরপর ১৫ আগস্টের শহীদদের উদ্দেশ্যে মিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারি একমিনিট নিরবতা পালন করেন। শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করার মাধ্যমে সকালের সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানসূচি শেষ হয়।

বিকেলে ৬টা ৩০ মিনিটে মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান “আলোচনা পর্ব”। মূল অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির পিতার জীবন ও কর্মের ওপর প্রণীত একটি প্রামাণ্য ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

আলোচনা পর্ব শুরুর আগে অডিটোরিয়ামে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করা হয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন মিশনের পক্ষে জাতির পিতার প্রকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় মিশনের সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিগণ উপস্থিত ছিলেন। এরপর বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন জাতির পিতার প্রকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। স্থায়ী প্রতিনিধি ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতির পিতা জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো বাংলায় যে ভাষণ দিয়েছিলেন তার বিশেষ বিশেষ অংশ উদ্বৃত করেন। জাতির পিতার ১৯৭৪ সালের সেই কালজয়ী ভাষণের মধ্যেই যে ২০১৫ সালে জাতিসংঘ গৃহীত এসডিজি’র ১৭টি গোলের অধিকাংশই প্রতিফলিত হয়েছে, তা তিনি উপস্থিত সুধীমন্ডলীর সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “জাতির পিতা জাতিসংঘে সেদিন যে আহ্বান জানিয়েছিলেন তার মধ্যে স্পষ্টভাবে এসডিজি’র দারিদ্র নির্মুল (গোল-১), ক্ষুধা নির্মূল (গোল-২), সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ (গোল-৩), মানসম্মত কাজ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি (গোল-৮), শিল্প উদ্ভাবন ও 

অবকাঠামো (গোল-৯), অসমতা হ্রাস (গোল-১০), জলবায়ু পরিবর্তনে পদক্ষেপ (গোল-১৩), শান্তি, ন্যায় ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান (গোল-১৬) এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব (গোল-১৭) এর উল্লেখ রয়েছে”। জাতির পিতা কীভাবে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের ভগ্নস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে এর পুনর্গঠন কাজ শুরু করেছিলেন, কীভাবে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত করেছিলেন তা তুলে ধরেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থানরত জাতির পিতার খুনিদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারের রায় কার্যকর করার ক্ষেত্রে তিনি প্রবাসীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে বিশ্বের বুকে সগৌরবে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ”। দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় স্ব স্ব ক্ষেত্রে সকলকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন জাতিসংঘের হিউম্যান ডেভোলপমেন্ট রিপোর্ট কার্যালয়ের পরিচালক ড. সেলিম জাহান। তিনি জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াই, সামাজিক ন্যায্যতার জন্য লড়াই, জাতীয়তাবাদ এবং ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং বৈশ্বিক নেতৃত্বের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তা বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর দর্শণ থেকে আমরা শক্তি পেতে পারি। তাঁর হিমালয়ের মতো দৃঢ়তা অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছুতে আমাদের অবিচল  

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ