হাফিজের অ্যাকশন নিয়ে টেলরের ইঙ্গিতে খেপেছে পাকিস্তান

November 8, 2018, 10:24 AM, Hits: 93

 হাফিজের অ্যাকশন নিয়ে টেলরের ইঙ্গিতে খেপেছে পাকিস্তান

 হ বাংলা নিউজ : আবুধাবিতে কাল পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড প্রথম ওয়ানডেতে মোহাম্মদ হাফিজের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে মাঠেই ইঙ্গিত পূর্ণভাবে প্রশ্ন তোলেন রস টেলর। এ নিয়ে খেপেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ

ক্রিকেটের ময়দানে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ব্যাপারটা দেখতে দেখতে ভক্তদের গায়ে সয়ে যাওয়ার কথা। না, শুধু বিরাট কোহলির সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া নয়। সঙ্গে মোহাম্মদ হাফিজের বোলিং অ্যাকশনও থাকবে। পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডার মাঠে হাত ঘোরালেই প্রশ্ন ওঠা যেন অবধারিত! কাল আবুধাবিতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে যেমন উঠেছে। না, এবার আর আম্পায়াররা হাফিজের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি। ইঙ্গিতটা করেছেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান রস টেলর।

ম্যাচের ১৮তম ওভারে হাফিজকে বোলিংয়ে এনেছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। ওভারটি শেষে হাফিজের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা নিয়ে ইঙ্গিত পূর্ণভাবে হাত নাড়ান টেলর। বল ছাড়ার সময় হাফিজের হাত যে বেঁধে তা বোঝান এই কিউই। তবে সেটি কার উদ্দেশ্যে, আম্পায়ার না নন স্ট্রাইকের সতীর্থ টম লাথাম—তা পরিষ্কার বোঝা যায়নি। পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের তা মোটেও ভালো লাগেনি। মাঠের আম্পায়ারের সঙ্গে কয়েক দফা কথা বলেছেন সরফরাজ। এ ছাড়া টেলরের সঙ্গেও তাঁর উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। মাঠের দুই আম্পায়ার শোয়েব রাজা ও জোয়েল উইলসনের মধ্যস্থতায় দুজন শান্ত হন। এ ম্যাচে পাকিস্তান ৪৭ রানে হেরেছে।

পরে ম্যাচ শেষে টেলরের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন সরফরাজ, ‘টেলরের আচরণ ঠিক ছিল না। অ্যাকশন নিয়ে ইঙ্গিত করা তাঁর কাজ না, টিভিতে তা দেখিয়েছে। এটা আমার জন্য মর্যাদাহানিকর। তাঁর কাজ ব্যাটিং করা এবং সেখানেই মনোযোগী হওয়া উচিত। আম্পায়ারদের বলেছি তাঁর আচরণ ক্রীড়াসুলভ ছিল না। সে দুই থেকে তিনবার এটা করেছে—যে কাজটা আম্পায়ারদের। হাফিজের অ্যাকশনে সমস্যা নেই কিন্তু সে (টেলর) কোনো কারণ ছাড়াই ব্যাপারটা ইস্যু বানানোর চেষ্টা করেছে। রস পেশাদার ক্রিকেটার, তার এটা করা ঠিক হয়নি।’

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মাঠের মধ্যে এই আচরণের জন্য টেলর শাস্তি পেতে পারেন। পাকিস্তান দল এ নিয়ে ম্যাচ রেফারি জাভাগাল শ্রীনাথের কাছে অভিযোগ করেছে বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম। ২০০৯ সালে সাঈদ আজমলের সঙ্গে ঠিক এমনটাই ঘটেছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই ম্যাচে আজমল ‘দুসরা’ ডেলিভারি ছাড়ার পর শেন ওয়াটসন হাত নেড়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন অ্যাকশন বৈধ হচ্ছে না। আর মাঠের আম্পায়ারও পরে আজমলের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

আইসিসি এর আগে চারবার হাফিজের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। নিষিদ্ধও হয়েছিলেন তিনি। প্রতিবারই অ্যাকশন শোধরানোর পরীক্ষা দিয়ে ফিরেছেন। ২০০৫ সালে প্রথম হাফিজের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। গত চার বছরে একই প্রশ্ন উঠেছে তিনবার। 

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ