আওয়ামী লীগের বড় বিজয়ের কারনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জীবন নাশের হুমকিটাও বড় হয়ে দাড়িয়েছে !

February 5, 2019, 11:50 AM, Hits: 642

আওয়ামী লীগের বড় বিজয়ের কারনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জীবন নাশের হুমকিটাও বড় হয়ে দাড়িয়েছে !

সুবর্ণ নন্দী তাপস, হ-বাংলা নিউজ : বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে যিনি সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছেন আমাদের প্রিয় নেত্রী জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র হচ্ছে, এ আর নতুন কি? পরাজিতরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার জন্য দেশে বিদেশে, ঘরে-বাইরে একইভাবে ষড়যন্ত্র করেছিল এবং ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুর খুব কাছের লোক হিসেবে খ্যাত মিরজাফর মোস্তাক ও তার অনুসারী বেঈমানদের ষড়যন্ত্রে ১৫ই আগষ্ট জাতির পিতাকে স্ব-পরিবারে হত্যার মাধ্যমে পরাজিতরা সফলও হয়েছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় তখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় নেতা হওয়া স্বত্ত্বেও তার এই হত্যার প্রতিবাদ করার মতোও দলের ভিতরে এবং বাইরে অল্প কয়েকজন আদর্শবান ব্যতিত কাউকেই পাওয়া যায়নি।

তারপর অনেক ইতিহাস হয়ে গেল আপনারা সবই জানেন। এরপর জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা ও আমাদের প্রিয় নেত্রী সবকিছু হারিয়ে নিজের জীবনকে বাজী রেখে সকল ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং অনেকটা সফলও হয়েছেন। কিন্তু তার এই দীর্ঘ সময় ধরে অতিক্রম করার পথ যে মসৃণ ছিলনা তা আমরা সকলেই জানি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও তা জানেন। তার রাজনৈতিক জীবন শুরুর পর থেকে তিনি দলের ভিতরে ও বাইরে বহুবার ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছেন, হচ্ছেন এবং হবেন। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় বহুবার তিনি মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে এসেছেন। এত সব বাধা অতিক্রম করেও তিনি চতুর্থবারের মত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এসময়ের মধ্যে তিনি দেশ ও জাতির উন্নয়নের পাশাপাশি স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী, বঙ্গবন্ধুর খুনীদের সহ বড় বড় অপরাধের বিচার ও তার রায় কার্যকর করেছেন। আর এসব করতে গিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই তার এবং তার পরিবারের জীবন নাশের হুমকীর সম্মুখীন। তাকে যেকোন সময় হত্যা করা হতে পারে তা নিয়ে আমরা যতটা শঙ্কিত কিন্তু তিনি তার চেয়েও কম শঙ্কিত। আর এটা ঠিক যে তাকে হত্যার যে চলমান ষড়যন্ত্র তা বাস্তবায়ন তখনই সম্ভব হবে যখন মোস্তাকদের মত বেঈমানরা এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত হবে।

ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের আগে এসব বেঈমানদের চেনাও ভীষণ দুরুহ ব্যাপার। কাজেই বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রকৃত সৈনিকদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার ব্যাপারে আরও শতর্ক হওয়া জরুরী। পরাজিত শত্রুদের সাথে আওয়ামী পরিবারের যাদের ঘনিষ্ঠতা ও আত্মীয়তা আছে তাদের উপর কঠোর নজরদারী এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা-স্বাক্ষাতের সময় সজাগ দৃষ্টি রাখা। উল্লেখ্য এবারের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে সবাই ফুল নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছেন, এমনও দেখা গেছে কিছুদিন আগেও যারা প্রকাশ্যে বিএনপি ও বঙ্গবন্ধুর পরিবার নিয়ে কুরুচীপূর্ন বক্তব্য দিয়েছেন তারাও এখন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ করেন। কাজেই আওয়ামী লীগের বড় বিজয়ের কারনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জীবন নাশের হুমকিটাও বড় হয়ে দাড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপর যেকোন সময় হামলা হতে পারে এব্যাপারে আমরা অনেকেই শঙ্কিত এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও ভাল করে জানেন যে দেশের পিছিয়ে পরা মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে গিয়ে যে তার স্বাভাবিক মৃত্যু নাও হতে পারে। কিন্তু পরাজিত শত্রু ও ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশ্যে বলছি, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্যায়ের পথ ছেড়ে দিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যানে কাজ করুন। কারণ আধুনিক বিশ্বে অন্যায় করে টিকে থাকা আপনাদের জন্য ততটা সহজ হবে না যতটা আপনারা ভাবছেন। সবশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। 

 
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ