সাংবাদিক মোজাম্মেলকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর সুনামগঞ্জে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

June 24, 2019, 1:38 PM, Hits: 147

সাংবাদিক মোজাম্মেলকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর সুনামগঞ্জে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

হ-বাংলা নিউজ : সুনামগঞ্জের সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূইঁয়া একটি মামলায় তাকে আটক করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী। এনিয়ে এই সাংবাদিকের বিরোধীরা,সীমান্তের চাঁদাবাজ ও সাইবার সস্ত্রাসীরা অতিরঞ্জিত ও আক্রোশ মূলক ভাবে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। এরপর থেকে সুনামগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলাসহ জেলার ১১টি উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিক সুধি সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার সর্বস্থরের জনসাধারনের মাঝে ক্ষোবের সার হয়েছে। এজন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সুনামগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলাবাসী ও সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া পরিবার।

জানাযায়,সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূইঁয়া সাবেক সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসাবে মাইটিভি ও মানবকন্ঠ পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। এরপূর্বে তিনি মোজাম্মেল দৈনিক মানবজমিন,নয়াদিগন্ত,জালালাবাদ পত্রিকায় তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত ছিলেন। এখন তিনি সাংবাদিকতার পাশা পাশি মডেলিং ও মিউজিক ভিডিওসহ নাটক নির্মানে করছেন এবং বাংলাদেশ চলচিত্র সমিতির সহকারী পরিচালক হিসাবে কাজ করছেন। 

আরো জানাযায়,সাংবাদিক মোজাম্মেল সাংবাদিকতার শুরু থেকে র্দীঘ ৩যুগেরও বেশী সময় ধরে নিজ এলাকা তাহিরপুর উপজেলা ও সুনামগঞ্জ সীমান্তের মদ,গাজা,চোরাচালান,চাদাঁবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজের বিরোদ্ধে সচ্চার হয়ে তার পত্রিকায় ও টিভিতে সংবাদ প্রকাশ করে আসছিল। এর কারনে তার উপর একাধিকবার হামলা করে আজাদ মিয়া ও তার সহযোগীরা। পরে সাংবাদিক মোজাম্মেল আইনের আশ্রয় নেয় ও মামলাও দায়ের করেন। এর জের ধরে তাহিরপুর উপজেলার চিহ্নিত আলোচিত প্রধানমন্ত্রীর পোষ্টার আগুনে পুরানো,হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকটি কালী মূতি ভাঙ্গা,সীমান্তের চাদাঁবাজীসহ প্রায় ১০-১২বিভিন্ন মামলার আসামী তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামের বিশিষ্ট সুধি ব্যবসায়ী মৃত বদ মিয়ার ছেলে হাবিব সারোয়ার আজাদ মিয়া ক্ষিপ্ত হলে উঠে। সত্য সংবাদ প্রকাশ করায় আরেক সাংবাদিক রাজু আহমেদ রমজানের বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করে পরে আদালত তা মিথ্যা প্রমানিত হয়। মোজাম্মেলকে কোন ভাবেই প্রতিহত করতে না পেরে আজাদ তার ছেলে শিহাব সারোয়ার শিপুকে পরিকল্পিত ভাবে আগুনে পুরিয়ে এসিড নিক্ষেপের নাটক সাজিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ১১কিলোমিটার দূর তাহিরপুর উপজেলা সদরে বসবাসকারী সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূইঁয়াকে তার পরিকল্পিত আর কুট কৌশল দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য মামলায় শুধু মোজাম্মেলকে একা আসামী করে মামলাবাজ আজাদ। তখন এলাকাবাসী মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন ও সাংবাদিক সম্মেলন করেছিল। 

আজাদ মিয়া একটি জাতীয় দেনিক পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য নিজের আইডি থেকে নামে বেনামে মনগড়া সংবাদ পাঠিয়ে সংবাদ প্রকাশ করার অপচেষ্টায় চালিয়ে যাচ্ছে সহযোগীদের নিয়ে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় সাংবাদিকগন জানান,কিছু দিন আগেও আজাদ মিয়া ইয়াবা ট্যালেটসহ স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে দেয়। এছাড়াও সীমান্তে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে লাকমা ছড়া,বড়ছড়া বাজারে মহিলা শ্রমিকদের হাতে গনধোলাইয়ের শিকার হয়। এছাড়াও পন র্তীত মেলাও চাঁদাবাজি করতে গিয়ে গনধৌলায় দেয় স্থানীয়রা। তার আপন ফুপাত দুই ভাই স্বরাষ্টমন্ত্রনালয়ের তালিকা ভুক্ত হুন্ডি ব্যবসায়ী। সে নিজেরও হুন্ডি ব্যবসার সাথে জরিত।

এবিষয়ে স্থানীয় বাসীন্দা সজিব,শফিকুল,রহিমসহ অনেকেই জানান,সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া সৎ সাংবাদিক হিসাবে র্দীঘদিন সুনামের সাথে সুনামগঞ্জ সীমান্তের মদ,গাজা,চোরাচালান,চাদাঁবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজের বিরোদ্ধে সচ্চার হয়ে সংবাদ তার পত্রিকায় ও টিভিতে সংবাদ প্রকাশ করায় কাল হয়ে ধারায়। মোজাম্মেল আজাদের বিরোদ্ধে একটি মামলা দায়ের করার পরেই আজাদ এসিড নিক্ষেপের নাটক তৈরী করে মামলা দায়ের করে। 

গত বুধবার ১৯জুন নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের ৩৬ঘন্টা পর বৃহস্পতিবার বিকালে জানতে পার আটক আছে আইনশৃংখলা বাহিনীর কাছে সাংবাদিক মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া। পরিবারের সদস্যগন আরো জানান,আমরা প্রতিহিংসার শিকার। আজাদ মিয়ার অবৈধ ক্ষমতা ও টাকার কাছে আমরা কিছুই না। মোজাম্মেলকে একাধিকবার হামলা করে। পরে মামলা দায়ের করা হয়। এর পর থেকেই আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। কোন ভাবেই মোজাম্মেলের ক্ষতি করতে না পেরে নিজের ছেলেকে আগুনে পুড়িয়ে আজাদ মিয়া নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য এসিডের মামলা দায়ের করে। এখন মন গড়া সংবাদ প্রকাশ করছে। আমরা ন্যায় বিচার চাই।

 

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ