বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নির্বাচন ৩ আগস্ট শনিবার : দু’প্যানেল মুখোমুখি, এগিয়ে ফারুক-মন্টু প্যানেল

July 31, 2019, 10:32 AM, Hits: 123

বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নির্বাচন ৩ আগস্ট শনিবার : দু’প্যানেল মুখোমুখি, এগিয়ে ফারুক-মন্টু প্যানেল

সাখাওয়াত হোসেন সেলিম,হ-বাংলা নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে : বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের নির্বাচন ৩ আগস্ট শনিবার। বহুল কাঙ্খিত অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের এ নির্বাচনে দু’টি প্যানেল অবতীর্ণ হয়েছে। এক দিকে রয়েছে ফারুক-মন্টু প্যানেল, অন্য দিকে আছে চেঙ্গিস-শাহআলম প্যানেল। এর মধ্যে জেলা ও বিভাগীয় সংগঠন ফোরাম ফারুক-মন্টু পরিষদকে সমর্থন দেয়ায় অনেকখানি এগিয়ে রয়েছে এ প্যানেলটি।

ফারুক-মন্টু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এবং বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক এড. আব্দুর রকিব মন্টু জানিয়েছেন, তারা উন্নয়নের জন্য লড়বেন। অ্যাথলেটিকসের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে কাজ করতে চান। অ্যাডহক কমিটিতে থাকাকালীন ফেডারেশনকে যেভাবে এগিয়ে নিয়েছেন আবারো সুযোগ পেলে সে ধারাবাহিকতায় আগামী দিনগুলোতে কাজ করবেন তারা। নির্বাচিত হলে দীর্ঘমেয়াদে যেসব পরিকল্পনা রয়েছে তা বাস্তবায়ন করবেন। তার বিশ্বাস, কাউন্সিলরদের বিচার-বিবেচনার সঠিক প্রয়োগ হলে তিনি আবারও অ্যাথলেটিকসে সেবার সে সুযোগটি পাবেন।

আব্দুর রকিব মন্টু জানান, যেসময় বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকস যথাসময়ে জাতীয়পর্যায়ের খেলাগুলো করতে পারছিল না, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের অ্যাথলেটিকস প্রায় বিলীন হয়ে যাচ্ছিল, নিয়মনীতি ভঙ্গ করায় আইডবিøউএফ এশিয়া থেকে ফেডারেশনকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিল, আর্থিক তহবিল তসরুপসহ বিভিন্ন অনিয়ম বাসা বেধেঁছিল ফেডারেশনে, সেসময় তাকে সেক্রেটারি করে অ্যাডহক কমিটি করা হয়েছিল। তার নের্তৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটি সব কিছু ঠিকঠাক করে দুই বছরে ফেডারেশনকে অনেক দূর এগিয়ে এনেছে। 

তিনি আরো বলেন, অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব নেয়ার আগে জেলাগুলো ছিল বিমুখ। ফেডারেশন অফিসে এসে সম্মান পেত না। খেলোয়াড়রা সার্টিফিকেটের জন্য এসে লাঞ্ছিত হতেন। আমরা সকল অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা দূর করেছি। দুর্নীতি থেকে দূরে থেকেছি। শেখ কামাল অ্যাথলেটিকস অ্যাকাডেমি গড়ার কাজে মন দিয়েছি। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দায়িত্ব পেয়েছি। এশিয়ান লেভেলে গালা অ্যাওয়ার্ডে ভূঁষিত হন সভাপতি আলী কবির। আমি হয়েছি এশিয়ান টেকনিক্যাল কমিটি, লিগ্যাল কমিশনের মেম্বার। হয়েছি সাফের জয়েন্ট সেক্রেটারি। বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে।

আব্দুর রকিব মন্টু জানান, অ্যাডহক কমিটির সময়ে গত দুই বছরে ১৭টি জাতীয় পর্যায়ের খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭টি দেশে অ্যাথলেট পাঠানো হয়েছে। ১২টি ট্রেনিং প্রোগ্রাম করা হয়েছে। তিনি বলেন, দায়িত্ব নেয়ার সময় অনেক কিছুই বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। তারপরও ১৪ লাখ টাকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ২৫ লাখ টাকার এফডিআর খুঁজে বের করা হয়েছে। এখন ৫২ লাখ টাকা স্থিতি ও ৩০ লাখ টাকার এফডিআর আছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ডেভেলপমেন্টের জন্য আরো ৪৭ লাখ টাকা অনুদান পাওয়ার কথা রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আব্দুর রকিব মন্টু জানান, ফারুক-মন্টু পরিষদ জয়ী হলে তৃণমূলে কাজ করবেন। ট্রেনিং প্রোগ্রাম, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রেনিং প্রোগ্রাম, চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি করা, দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, কোচ প্রশিক্ষণ, সর্বোপরি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্বতন্ত্র অ্যাথলেটিকস ভিলেজ গড়ে তুলবেন। বিদেশে খেলোয়াড় পাঠানোর নামে বন্ধ করবেন আদম ব্যবসা।

এদিকে, দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক পর্র্যায়ে দেশের সুনাম ও সফলতা অব্যাহত রাখতে ফারুক-মন্টু পরিষদের বিজয়ে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী হয়েছেন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টুর বড় ভাই বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন অব নর্থ আমেরিকার সভাপতি ও স্পোর্টস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, সাবেক জাতীয় খেলোয়ার মোশাররফ হোসেন খান, সাইদুর রহমান ডন, মোস্তফা হোসেন মুকুল, সাঈদ উর রব, আরিফুল হক, শাহজালাল মবিন, বিমল চন্দ্র তরফদার, ওমর ফারুক, কারার মিজান, ইলিয়াস হোসেন, মহিউদ্দিন দেওয়ান, রানা ফেরদৌস চৌধুরী, বক্সার সেলিম, জাহাঙ্গীর হোসেন, সফিকুল ইসলাম জন, আকতার হোসেন ফজলু, আয়াজ খান, ছোট ইউসুফ, গোলাম মোস্তফা, আবদুল্লা সাইফ, এস এম ফেরদৌস, আবদুর রউফ পাশা, নাজমুল ইসলাম, সৈয়দ এনায়েত আলী, শাহান উদ্দিন চৌধুরী, তৈয়বুর রহমান টনি, পিনাকি সেন, জাবেদ খসরু, লাকী চৌধুরী আখীসহ প্রবাসী ক্রীড়ামোদি অনেকেই।

 

 
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ