করোনা ভাইরাস সংক্রমন আতংকে আটলান্টিক সিটির প্রবাসী বাংলাদেশীরা আতংকগ্রস্ত

April 2, 2020, 2:41 PM, Hits: 450

করোনা ভাইরাস সংক্রমন আতংকে আটলান্টিক সিটির প্রবাসী বাংলাদেশীরা আতংকগ্রস্ত

সুব্রত চৌধুরী, হ-বাংলা নিউজ, আটলান্টিক সিটি থেকে : করোনা ভাইরাস সংক্রমন আতংকে আটলান্টিক সিটির প্রবাসী বাংলাদেশীরা আতংকগ্রস্ত । আটলান্টিক সিটিতে সাতজনের শরীরে    করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই আটলান্টিক সিটির প্রবাসী বাংলাদেশীদের মনে করোনা আতংক বেশ জাঁকিয়ে বসেছে।যদিও কোন প্রবাসী বাংলাদেশীর এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত  হওয়ার  সংবাদ পাওয়া যায়নি,তথাপি সবাই বেশ আতংকের মধ্যে দিনাতিপাত করছে।এপ্রিল মাস শুরু হওয়ার সাথে সাথে করোনা আতংক সবার মাঝে আরো বেশি করে জাঁকিয়ে বসেছে। আটলান্টিক সিটির মসজিদ-মন্দিরগুলো আগে থেকেই বন্ধ।  স্কুল- কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও বন্ধ। ষ্টকটন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা গেল একজন নিরাপওা কর্মী বসে বসে অলস সময় কাটাচ্ছেন।

করোনা ভাইরাস এর প্রভাবে বাংলাদেশী গ্রোসারিগুলোতেও আতংকের ছায়া।আটলান্টিক এভিনিউতে অবস্হিত  দেশী  গ্রোসারি ভেতর থেকে বন্ধ । এই গ্রোসারির অন্যতম  স্বত্বাধিকারী জনাব আহাদ আতংকিত কন্ঠে জানান আগামী দু’একদিনের মধ্যে তাঁরা গ্রোসারি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেবার চিন্তা ভাবনা করছেন।  এছাড়া গার্ডেন ষ্টেট সুপার মার্কেট গত চারদিন বন্ধ শেষে এখন আবার খোলা।এই গ্রোসারির স্বত্বাধিকারী মো: আবুল হোসেন জানান, তিনি সকাল এগারোটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এখন দোকান খোলা রাখছেন। 

আটলান্টিক সিটির প্রান ভোমরা ক্যাসিনোগুলো বন্ধ । কিন্তু এখানে নিরাপওা কর্মকর্তা    পদে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের অনেকেই আতংকের মধ্যে আছেন।   নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রবাসী বাংলাদেশী বলেন, জীবিকার প্রয়োজনে যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্হা গ্রহন করে চাকরি করে যাচ্ছি, কিন্তু সব সময় একটা আতংকের মধ্যে থাকি।

ওয়েলস ফারগো ব্যাংকের সামনে দেখা গেলো সামাজিক দূরত্ব   বজায় রেখে জনা কয়েকজন  গ্রাহক ফুটপাতে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন । ব্যাংকের নিরাপওা কর্মকর্তা   একজন একজন ডেকে  তাদেরকে   ভেতরে প্রবেশ করাচ্ছেন। আটলান্টিক সিটির পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা সুমন মজুমদার এই  দুর্যোগকালীন সময়ে প্রতিদিন বারো ঘন্টা হিসাবে সপ্তাহে চারদিন চাকরি করছেন।তিনি জানান, জীবনের মায়া তুচ্ছ করে জনগনের সেবক হিসাবে তিনি তাঁর  দায়িতব পালন  করে চলেছেন।

    আটলান্টিক সিটির প্রধান সড়কগুলো সন্ধ্যা গড়াতেই প্রায় ফাঁকা হয়ে যায় ,মাঝে মধ্যে দু’একটি পুলিশের গাড়ি, এ্যামবুলেনসকে সাইরেন বাজিয়ে ছুটতে দেখা যায়।দু’একটি ব্যক্তিগত গাড়িও মাঝে-মধ্যে চোখে পড়ে।তবে অফিস চলাকালীন সময়ে এই সংখ্যাটি বেড়ে যায়। 

 
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ