রেজেপ তায়িপ

May 13, 2020, 10:29 AM, Hits: 168

রেজেপ তায়িপ

আহমদ এরদোয়ান


তুরস্কের উত্তর-পূর্বে

ছোট্ট একটি প্রদেশ,

কৃষ্ণ সাগরের পাশে

মনোরম পরিবেশ।


এখানে জন্মে ছিলেন

আহমদ এরদোয়ান

রেজেপ তায়িপের পিতা

ছিলেন অতি মহান।


চাকুরীর আশায় যান

ইস্তাম্বুল শহরে,

১৩ বছর বয়সে

প্রথম বিয়ে করে।


এসেছিল দুই সন্তান

আলোকিত ঘর,

ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল

আপন হল পর।

রেজেপ তায়িপের জন্ম


পিতা আহমদ এরদোয়ান

আবার করেন বিয়ে,

এলেন তাদের ঘরে রেজেপ

আলো জ্বেলে দিয়ে।

ঊনিশ শত চুয়ান্ন সাল

ফ্রেব্রুয়ারি মাস,

তাঁকে নিয়ে পিতা মাতা

দেখলেন কত আঁশ।


২৬ তারিখ ছিল সেদিন

বার ছিল রবি,

বড় হয়ে পাল্টে ছিলেন

তুরস্কের ছবি।


পিতা ছিলেন জাহাজের ক্যাপ্টেন

কাছিম পাশায় থাকতেন

তানযিলে হানিম মায়ের নাম

স্বপ্ন তাঁরা আঁকতেন।

সেরা ছাত্র


পিয়ালে পাশা প্রাইমারির

তখন তিনি ছাত্র,

শিক্ষক বলেন নামায পার কে?

একজন দাঁড়ায় মাত্র।


সবার সামনে পড়েন নামায

অবাক হলো সবে,

বুঝে ফেলে সবাই সেদিন

অনেক বড় হবে।


এই ছাত্রটি রেজেপ তায়িপ

বিদ্যালয়ের সেরা,

সারা সময় থাকত হৃদয়

স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা।


লেখাপড়ায় মনোযোগী

শ্রেণির সভাপতি,

তিনি তো সকল শিক্ষকদের

ছিলেন প্রিয় অতি।


সব সময় প্রথম


ইমাম হাতিব স্কুল-কলেজ

ভর্তি রেজেপ হলেন,

সেরা ছাত্র আমি হবো

বিশ্বাস বুকে বলেন।


সকল প্রতিযোগিতায় তিনি

সবার চেয়ে সেরা,

স্বপ্ন দিয়ে সকল সময়ে

থাকত হৃদয় ঘেরা।


কোরআন তেলাওয়াত আবৃত্তিতে

তিনি প্রথম ছিলেন

তুরস্কের সব মানুষ কে তিনি

অবাক করে ছিলেন।


পরাজয় হয়নি কখনো

তিনি কোন খানে,

বিশ্ব সেরা হবেন তিনি

তখন সবে জানে।


হকার রেজেপ


অবস্থা খুব ভাল ছিলনা

বড় ছিল পরিবার,

ভাবেন তিনি কি করা যায়

হলেন তিনি তাই হকার।


সিমিট, পানি, লেবু বিক্রি

ছুটির দিনে করতেন,

সেরা হওয়ার জন্য তিনি

বেশী বেশী পড়তেন।


আয়ের টাকার কিছু অংশ

বাবার হাতে দিতেন,

বিদ্যালয়ের বেতন দিতে

কিছু অংশ নিতেন।


মহান ব্যক্তির প্রথম জীবন

কষ্টের ছিল কত,

সাহস বুকে পার হয়েছেন

বাঁধা শত শত।


পাঠাগার


ছেলে বেলায় বই কিনতেন

পাঠাগারের জন্য,

তায়্যিপ এরদোয়ান পাঠাগার

করে হলেন ধন্য।


সেরা লেখকের সেরা বই

ছিল পাঠাগারে,

পড়ার ইচ্ছে হলে কারো

বলত গিয়ে তাঁরে।


রাষ্ট্রপতি হয়ে তিনি

পাঠাগার করেছেন,

দক্ষ মানুষ হওয়ার জন্য

সেরা বই পড়েছেন।


দক্ষ মানুষ তৈরি করতে

করেছেন তিনি চেষ্টা

সারা সময় স্বপ্ন দেখেন

সেরা হবে দেশটা।


রাজনীতিতে তায়িপ


এম. টি. টি. বি ছাত্র দলে

অংশ গ্রহণ করেছেন,

লেখাপড়ার করেন নি ক্ষতি

মনোযোগে পড়েছেন।


লেখাপড়ার ফাঁকে ফাঁকে

দলের কাজে যেতেন,

দেশের জন্য ভাবতে পেরে

আনন্দ খুব পেতেন।


ড. নাজমুদ্দিন এববাকান

দলের প্রধান ছিলেন,

সুন্দর স্বদেশ গড়বেন তাঁরা

সবাই শপত নিলেন।


ইস্তাম্বুল প্রদেশের তিনি

হলেন সভাপতি,

সব মানুষকে ভালবাসেন

করেন নাকো ক্ষতি।

 
সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ