প্রবাসী লেখকদের কলাম

Displaying 1-20 of 359 results.
বেঁচে থাকা মানে শুধুই নিশ্বাস নেওয়া নয়

বেঁচে থাকা মানে শুধুই নিশ্বাস নেওয়া নয়

সারা বুশরা: যুক্তরাজ্যপ্রবাসী :  বিদেশিদের সম্পর্কে আমাদের অনেকগুলো ভ্রান্ত ধারণার একটি হলো, এদের বিয়ের স্থায়িত্বকাল খুবই অল্প। শতকরা ৮০ শতাংশ বিয়েই ডিভোর্সে গড়ায়। বার্ধক্যে এসে বেশির ভাগ মানুষ একা একা ওল্ডহোমে কাটান আর মৃত্যুর প্রহর গোনেন। কথাটি শুধু যে ভুল তাই নয়, আমার কাছে বরং এর উল্টোটা সঠিক বলে মনে হয়। আমৃত্যু সততা ও আনন্দের সঙ্গে নিজের জীবনসঙ্গীর হাত ধরে রাখার দৃশ্য আমি আমার প্রবাস জীবনেই বেশি দেখেছি। যে হাত নির্ভরশীলতার হাত, সহমর্মিতার হাত এবং সর্বোপরি বন্ধুত্বের হাত।

গল্প উপন্যাসে পড়েছি, লোকমুখেও শুনেছি ভালোবাসার মানুষের......

 সুহাসিনীর খোঁপার বেলি

সুহাসিনীর খোঁপার বেলি

সুহাসিনীর হাসিটি ঠিক আগের মতোই আছে!

তার হাসির গমক আর সেই চমক আজও

বেঁধে রেখেছে।

ঝুলন দোলানো সুখে,

স্বপ্নিল কার্নিশে।

তুমি এলেই, লুটিয়ে পড়বে সে

হাসির গমকে।

আকাশ হতে তারারা পড়বে খসে,

ঝুর...ঝুর...ঝুর বেলি ফুলের সাদা,

যতনে বাঁধা তার—

বিড়া খোঁপা থেকে।

নিবেদিতা পুণ্যি সঞ্চারিণী: দাম্মাম, সৌদি আরব। 

...

প্রসঙ্গ রোহিঙ্গা : অভিশাপ না আর্শিবাদ

প্রসঙ্গ রোহিঙ্গা : অভিশাপ না আর্শিবাদ

সামসুল ইসলাম মজনু,ব্রায়ারউড, নিউইয়র্ক : রোহিঙ্গারা আজ পৃথিবীর সবচাইতে দুর্ভাগা জাতি। যারা বার বার নির্যাতিত হচ্ছে এক সমরে আরকার রাজ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী অঞ্চল ছিল। আমরা অনেকেই আরকান রাজসভার সাথে পরিচিত। আকিয়াব বন্দর অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বন্দর। এটাকে উদ্দেশ্য করে চলছে রাজনৈতিক খেলা। ইতিমধ্যে ভারতের ‘অ্যাক্ট ইষ্ট’ নীতি এবং চীনের ‘বেল্ট এন্ড রোড’ প্রকল্পের জন্য মিয়ানমারের আরাকান যা নাকি রাখাইন হিসাবে পরিচিত এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানেই হয়েছে সব সমস্যা আর তাই চীন বা ভারত রোহিঙ্গা সমস্যাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না যাদের বেশী গুরুত্ব দেয়ার কথা ছিল তারাই নির্বিতার আর এজন্য......

 মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতির নয়া অধ্যায়।আবু জাফর মাহমুদ

মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতির নয়া অধ্যায়।আবু জাফর মাহমুদ

লেবাননের প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করিয়ে খুশীর চোটে যে হাসি হাসতে ইসরাইলি নেতা বেঞ্জামিন এবং সৌদি রাজপরিবার যতো বড় হা করে মুখ খুলেছেন,ততোটুকু হাসি দিতে পারলেন কি না জানা যায়নি।তবে লেবানন,হিজবুল্লাহ্‌ এবং মিশর,ইরান ও রাশিয়া যে পরিস্থিতির উপর নিয়ন্ত্রণ লাভে প্রস্তুত হয়ে আছে,তা অনুমান করা সহজ।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আউন বলেছেন, তার দেশের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরিকে সৌদি আরব অপহরণ করেছে।এখন তাকে অবশ্যই সেখান থেকে মুক্তি দিতে হবে।লেবাননের রাজধানী বৈরুতে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট আউন এ কথা বলেছেন......

লেক টাহোতে বরফের রাজ্যে

লেক টাহোতে বরফের রাজ্যে

সুবোধ কান্তি বড়ুয়া : আমরা গ্রীষ্মপ্রধান দেশের লোক। আমাদের কাছে আমেরিকা, কানাডা ও ইউরোপের দেশগুলো শীতপ্রধান দেশ হিসেবেই পরিচিত। এখানকার অধিকাংশ এলাকা শীতকালে তুষারে ঢাকা থাকে। বিভিন্ন সময় আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ঘোরাফেরা করেছি বটে। কিন্তু কখনো বরফ দেখার সুযোগ হয়নি। তাই অনেক দিন ধরেই বরফ দেখার একধরনের তীব্র আকুতি অনুভব করছিলাম। ক্যালিফোর্নিয়া আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য। আমি থাকি এই অঙ্গরাজ্যের পৃথিবীর বিখ্যাত আইটি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সান হোসে শহরের পাশে নিরিবিলি এক আবাসিক এলাকায়, যেখানে আশপাশে কোথাও কখনো বরফ দেখা যায় না। শীতকালে এই রাজ্যের অধিকাংশ......

 এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা;: জালালাবাদের সম্বর্ধনা অনুস্টান

এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা;: জালালাবাদের সম্বর্ধনা অনুস্টান

লস এঞ্জেলেসে আছি বেশ কিছুদিন হয়, আমাদের এখানে সচরাচর প্রধানমন্ত্রী বা নামীদামী মন্ত্রীরা আসেন না।হঠাৎ বন্ধু-বান্ধব এবং সামাজিক মাধ্যমে জানতে পারলাম বাংলাদেশের বেশ প্রভাবশালী মন্ত্রী মহোদয় আমাদের এখানে আসছেন।বেশ ভালই লাগলো যদিও উনার চিন্তা-ভাবনা বা পলিসির সাথে কোন অবস্থাতেই একমত হয়নি এবং আমার মনে হয় যে কোন বাংলাদেশী যাদের দেশের প্রতি ভালবাসা আছে তারা সাড়ে চার হাজার কোটি টাকাকে সামান্য ভাবে, অথবা ঘুষের টাকাকে স্পীডমানি হিসাবে মনে করে (আরও অনেক উদাহরণই দেয়া যাবে)।তারপরও উনি আমার দেশের প্রভাবশালী একজন মন্ত্রী এবং অত্যন্ত উচ্চ শিক্ষিত, তাই একজন বাংলাদেশী আমেরিকান......

নিউইয়র্ক সিটির বাইরে এক দিন

নিউইয়র্ক সিটির বাইরে এক দিন

লাবলু কাজী : জীবন চলতে চলতে থেমে যেতে চায়, ঠিক আমার নিউইয়র্ক-লস অ্যাঞ্জেলেসের ডেনবারের বিরতির মতো! আমার ঘড়ির কাঁটা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় এসে থেমে যায় অ্যালার্ম দেওয়ার জন্য। ও আবার চলতে থাকবে যতক্ষণের জন্য চাবি দেওয়া আছে! আমিও উঠব চলব ঘড়ির মতো যতক্ষণ দম আছে! নিশ্বাসের বিশ্বাস নেই, তবু চলি আমার আটলান্টায় যাওয়ার মতো। আননের রাঙামাটি অথবা মামুনের চায়না ফ্লাই করার মতো। ক্যানডেল বার্ন আউটের মতো আমরা আমাদের শেষ খেলা জানি। তবু আমরা চলি, চলতে হয় ঠিক আমার ‘বিগ বেন’ ঘড়ির মতো! মাঝে মাঝে খেলাঘরের এই চড়ুইভাতি খেলতে খেলতে যখন বাস্তবতায় ফিরে আসি, তখন মনে হয় জীবন আমার প্রতি সুবিচার করেনি,......

আগুনের পরশমণি

আগুনের পরশমণি

যুথিকা বড়ুয়া,টরন্টো, কানাডা : মনের ভাব প্রকাশ করার জন্যই বিধাতা আমাদের দিয়েছেন কথা বলার শক্তি। দিয়েছেন পঞ্চ ইন্দ্রিয়শক্তি। চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, জিহবা এবং তক। আর সেই সঙ্গে গড়িয়ে দিয়েছেন, একটি সুন্দর মুখমন্ডল। বিশেষ করে মেয়েদের রূপরাশি এবংপরিপূর্ণতায় সৃষ্টিকর্তা এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন, যার সৌন্দর্য্যের অপার মহিমায় বাচ্চা, বুড়ো, জোয়ান প্রতিটি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চুম্বকের মতো। কখনোবা মুগ্ধ বিস্ময়ে এতটাই অভিভূত হয়ে পড়ে যে,পলকমাত্র দৃষ্টিপাতেই আবেগের বশীভূত হয়ে প্রেমের পত্তন ঘটে হাবুডুবু খায়।শুধুমাত্র তরুণ যুবকই নয়, নবীণপ্রবীণপ্রতিটি......

প্রবাসে রবীন্দ্রনাথের বাংলাদেশ

প্রবাসে রবীন্দ্রনাথের বাংলাদেশ

তাহসিন হোসেন : ছায়ানটের সঙ্গে আমার আন্তরিক সৌহার্দ্যতা ছিল প্রায় সাড়ে চার বছর। নিজে রবীন্দ্রনাথের গান করার পাশাপাশি আমার শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং জ্যেষ্ঠ-অনুজদের কণ্ঠে নজরুল, দ্বিজেন্দ্রলাল, অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত, লালন, শাস্ত্রীয় সংগীত, যন্ত্রসংগীত এবং কবিতার মূর্ছনায় নিজেকে এমনভাবে অভ্যস্ত করে নিয়েছিলাম যে ছায়ানটে গেলে মনে হতো এটিই বুঝি আমার প্রাণশক্তির আঁধার। শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে তাঁতের শাড়ি পরে কপালে ছোট্ট টিপ আর বাম কানের পেছনে কাঠের নকশায় খচিত কাটায় বাঁধা খোঁপা—এ যেন কিছু টুকরো ভালো লাগা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ঢাকার শহুরে যান্ত্রিক জীবনে। শুক্রবার সকালে ক্লাস......

মনে পড়ে অতীতের দিনগুলো

মনে পড়ে অতীতের দিনগুলো

মোহাম্মদ আবদুল মালেক : অভিবাসী জীবনে অনেক কিছুই মনে পড়ে, যা দেশে থাকাকালে মনের আড়ালেই ছিল। কোথায় পড়েছি জানি না, ‘বিয়ে করলে প্রেম মরে যায়’। এখানে লেখক হয়তো মানব মিলন বুঝিয়েছেন। কিন্তু বস্তু জগতেও তার মিল পাওয়া যায়।

যেমন লন্ডনে আসার পর আমাদের মাইজ্যা পুকুরের কথা শুধু মনে পড়ে। এ পুকুরকে যে এত ভালোবাসতাম তা অন্তরে মৃতের মতোই ছিল। ওখানে জাল ও বড়শি দিয়ে মাছ ধরা, এখন স্মৃতির মধুময় ভাবনা।

অনেক ছোট বয়সে শরতের কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে চিংড়ির দল ঘাটের কিনারে এসে কিলবিল করত আর আমরা ভাইর (ঝাজনি) দিয়ে চিংড়িগুলোকে ধরতাম।

বর্ষার দিনে পুকুর পানিতে টইটম্বুর করত। বন্ধুরা মিলে এই পানিতে......

ভারতের পরিবর্তে বাংলাদেশ

ভারতের পরিবর্তে বাংলাদেশ

রাখাইন রাজ্য খালি করে রোহিঙ্গাদেরকে ভারতে পুশ ইন করার সিদ্ধান্ত ছিলো চীন-মিয়ানমার সরকারে। বেগতিক দেখে চীনে মিয়ানমারের কাছে বাংলাদেশের প্রস্তাব দেয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।শেখ হাসিনা সরকার ভারতের অনুগত থাকায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকরে মোদী সরকারের সমস্যা হয়নি।দূর্বল বাংলাদেশকে স্থায়ী চাপের মধ্যে ফেলায় বাংলাদেশ সরকার রাজী হয়ে যাওয়ায় দিরিদ্র বাংলাদেশ আরো গরীব হবার দায় কাঁধে নিলো।ভারতের পরিবর্তে বাংলাদেশ হলো ভুক্তভোগী।

এই চাপ বাংলাদেশের উপর এনে সরকারের উপরের পর্যায়ে লোভ লাভ থাকলেও বাংলাদেশের অবস্থা দুর্বিসহ হয়ে উঠছে দিনের পর দিন।রোহিঙ্গাদেরকে সরিয়ে......

আইন-শৃঙ্খলার টেকসই উন্নয়নে প্রবাসীরা উপেক্ষিত

আইন-শৃঙ্খলার টেকসই উন্নয়নে প্রবাসীরা উপেক্ষিত

দেলোয়ার জাহিদ: দৈনিক ইত্তেফাকে (২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং ) আইন-শৃঙ্খলার টেকসই উন্নয়ন শীর্ষক ড. এম এ সোবহান, যিনি  বাংলাদেশ পুলিশ এর স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন (ব্যাটালিয়ন-১) এর একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার- তার সুচিন্তিত একটি লেখা পড়লাম. বিদগ্ধজনচিত এ লেখাটি পড়ে এ বিষয়ে প্রবাস থেকে মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে তা তুলে ধরতেই এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। আইন-শৃঙ্খলার টেকসই উন্নয়ন এর অর্থ আমাদের অবশ্যই বোধগম্য আইন শৃঙ্খলার অবনতি প্রবাস থেকে আমাদের প্রায় সবাই বেশ ব্যথাতুর করে।সত্যিকথা, আমরা টিভিসংবাদগুলোকে কখনো কখনো এড়িয়ে যেতে চাই। কারন দেশে সংঘটিত অপরাধের ধরন এবং এগুলোকে সামাল দেয়ার......

রোহিঙ্গা সমস্যা  ও সমাধান

রোহিঙ্গা সমস্যা ও সমাধান

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম : আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার, আমরা অনেকে যাকে বার্মা বলেই বেশি চিনি, সেখানে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী আরাকান রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চরম দমন-পীড়ন চলছে। গণহত্যা চলছে বললেও বাড়িয়ে বলা হয় না।

বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে নিরীহ রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, লুট করা হচ্ছে সহায়সম্পদ। প্রাণ বাঁচাতে হাজার হাজার অসহায় রোহিঙ্গা সীমান্তের সব পয়েন্ট দিয়ে স্রোতের মতো বাংলাদেশে ঢুকছে।

ঘুম থেকে ওঠার পর আর ঘুমোতে যাওয়ার আগে এখন সবচেয়ে বেশি যে শব্দটা শুনি তা হল ‘রোহিঙ্গা’। অনেকেই তাদের......

বিশ টাকার ঋণ

বিশ টাকার ঋণ

জাহাঙ্গীর বাবু : কমলার মা, ভিখারিনী। আমার মায়ের বিয়ের পর তার গুপ্তচর। কমলার মা আমার নানা বাড়ি গেলে,  মা, বেশি করে চাল আর টাকা দিতেন।

মা যখন আমাদের বাড়ীতে থাকতেন তখন কমলার মা কে দিয়ে সংবাদ পাঠাতেন নানুমামার কাছে, যেন নাইয়ুর নিয়ে যায়।

তার পর কতো বছর, আজো আমাদের বাড়ি আসে।আমার খবর নেয়।আমাকে বড় বাবা বলে।১৯৯৭ সালে আমি প্রথম প্রবাসে যাই,বাড়ির সামনের রাস্তায় তখন মা কাঁদছে, আত্মীয় স্বজনের চোখে মমতার অশ্রু।কমলার মা এলেন, তিনি কাঁদলেন।ঘোমটা টেনে হাত বাড়িয়ে আমার হাতে গুঁজে দিলেন বিশ টাকা।

বাসে বসে ঢাকায় আসার পথে আপন জনের ছবি গুলি......

"ছবি দেখে ছড়া নির্মাণ"

"ছবি দেখে ছড়া নির্মাণ"

"ছবি দেখে ছড়া নির্মাণ"

সুচিঃ

আসেন দাদা হাতটা ধরেন

আমি আপনার সুচি,

দুজন মিলে রোহিঙ্গাদের 

করবো কুচি কুচি।

আপনে শুধু পাশে থাকেন

নেইতো ওদের মাফ,

দাদা চাইলে হতে পারেন

আমার পোলার বাপ!

দুজন মিলে মানবতার

পাঁছায় দিব বাঁশ,

বাঁশের উপর কাটবে জীবন

ওদের বারোমাস।

কেমন সাঁজা সাঁজলাম আমি

দেখেন দাদা চেয়ে,

বয়স বেশি কিন্তু দাদা

আমি কোমল মেয়ে!

দাদাঃ

তোমার রুপে নেইতো যাদু

আছে হিংস্র মুখ,

তোমায় দেখে মাঝে মাঝে

কাঁপে আমার বুক!

আশার কথা, খুনি তুমি

শুধুই মুসলমানের,

এ দিক থেকে বন্ধু তুমি

আমার প্রিয় প্রাণের।

রক্ত ঝরে যখন দেখি

......

মগের জাতি আগে থেকেই দস্যু ছিল

মগের জাতি আগে থেকেই দস্যু ছিল

মগের জাতি আগে থেকেই দস্যু ছিল

নাজমুল ইসলাম মকবুল

নোবেল পেয়ে শান্তিতে ওই

মায়ানমারের সুচি

জবাই করে মানুষ মেরে

করছে কুচি কুচি।

বসত ভিটায় আগুন দিছে

গ্রামের পরে গ্রাম

মানুষ পুড়ে উল্লাস করে

মগ যে ওদের নাম।

মগের জাতি আগে থেকেই

দস্যু ছিল জানি

লুটপাট করে মানুষ মেরে

চলত জিন্দেগানী।

মগের মুল্লুক কথা কিন্তু

ওখান থেকেই আসা

হিংসার লেলিহানে দেখি

ভেতর ওদের ঠাসা।

ওদের দাঁতে লেগে আছে

মানুষেরই রক্ত

বিষদাঁত ওদের ভেঙ্গে দিতে

ঐক্য গড়ো শক্ত।

নির্মমভাবে শিশু মারে

দেখে বিশ্ববাসী।

মানুষ মেরে কোন বিবেকে

করে হাসাহাসি।

আন্তর্জাতিক......

৯/১১’র স্মৃতি

৯/১১’র স্মৃতি

সালাহউদ্দিন আহমেদ: ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ববাসীর কাছে দিনটি ৯/১১ বলে পরিচিত। ৯/১১ বিশ্ববাসীর মতো আমার কাছেও এক ভয়াবহ স্মৃতি, ভয়ানক আর মর্মান্তিক ট্রাজেডী। দিনটি ছিলো শনিবার। মনোরম ভোরের আকাশ কেটে সূর্য্যরে রোদ্রোজ্জল আলোয় পৃথিবী জেগে উঠলো। চমৎকার আকাশ। এই আকাশ আর বাতাস দেখে কোন কিছু বোঝার বিন্দুমাত্র উপায় ছিলো না যে, আজকের দিনটিই হবে পৃথিবীর অন্যতম ট্রাজেডীর দিন, ভয়াবহ অন্ধকারের দিন।  

প্রতিদিনের মতো ঐদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যথারীতি সকালের নাস্তা খেয়ে সকাল ৯টার দিকে বাসা থেকে সাপ্তাহিক বাংলাদেশ পত্রিকা অফিসে যাচ্ছি। আমি তখন সাপ্তাহিক......

    সাইফুর রহমান ছিলেন আপোসহীন রাজনীতিবিদ: পারভেজ সাজ্জাদ

সাইফুর রহমান ছিলেন আপোসহীন রাজনীতিবিদ: পারভেজ সাজ্জাদ

হ-বাংলা নিউজ: নিউইয়র্ক: সাইফুর রহমান শুধু নামই নয়, একটি ইতিহাস। সততা, দেশপ্রেম এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে আপস করেননি প্রয়াত এ নেতা। কোনো কোনো সময় তিনি এমন সব অকাট্য সত্য কথা বলতেন, যা তার দলের নীতির বিরুদ্ধে যেত। সত্য বলতে কখনো কুন্ঠাবোধ করতেন না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বিবৃতিতে এ সব কথা বলেন, নিউইয়র্ক বিএনপির সভাপতি ও তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংগ্রাম পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি পারভেজ সাজ্জাদ। তিনি বলেন, প্রয়াত অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী......

ক্ষমা করো নির্যাতিত মুসলিম দুনিয়া

ক্ষমা করো নির্যাতিত মুসলিম দুনিয়া

জাহাঙ্গীর বাবু

আরাকান,ফিলিস্তিন,সিরিয়ার

মুসলিম, ক্ষমা করো ভাই বোন,

তোমরা আছো কষ্টে, ভুখা,নাঙ্গা

আছি মোরা পশু কুরবানি, 

ঈদের খুশীতে।

ক্ষমা করো,ক্ষমা করো,

লাঞ্চিত,নীপীড়ীত,অত্যাচারিত

মুসলিম ভাই বোন।

সৌদি আরব,আরব মুল্লুক

কাণ্ডারি ইসলামের ঝান্ডার

পরোয়া করেনা 

মুসলিম নির্যাতনের!

ওরা পেয়ে গেছে জান্নাতের টিকেট

ওরা পেয়েছে আইয়াসীর খনি

তেল,সোনা,মখমলী হেরেম খানা।

ইসলাম, ইসলাম বলে 

যারা মুখে তোলে ফেনা

ব্যাঙ্গ করছে, 

কেন সাহায্যের হাত বাড়ায়না,

তারা বলেই খালাস,

উস্কানী ছাড়া কিছুই জানেনা।

তোমারা আছো কষ্টে, 

আমি......

মনে পড়বে তোমায় কিংবদন্তী শিল্পী আব্দুল জব্বার

মনে পড়বে তোমায় কিংবদন্তী শিল্পী আব্দুল জব্বার

জাহাঙ্গীর বাবু : সময়টা সম্ভবত ১৯৮৬ সাল। তখন পড়তাম গাজীপুরের কালীগঞ্জ  আর আর এন  সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে।বাবা চাকরী করতেন রেলওয়েতে। থাকতাম  আড়িখোলা রেলওয়ে ষ্টেশনের কোয়ার্টারে।বাসার পেছনেই কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ।কালীগঞ্জ তখন মসলিন কটন মিলের জন্য  বিখ্যাত।মিলের শ্রমিকদের  সন্তানরা পড়বে এখানেই তাই শ্রমিক কলেজ।৯০ এর পর ধ্বংস হয়ে যায় সেই মিল.সে যাই হোক ,ভূমিকা টানলাম কালীগঞ্জের কারণ সেখানেই কাটে আমার দুরন্ত কৈশর। অনেক স্মৃতি সেখানে।

বলেছিলাম সময়টা সম্ভবত ১৯৮৬ সাল।আমি কিশোর লুঙ্গি আর সেন্টু গেঞ্জি পরে সময় কাটতো শ্রমিক কলেজের লম্বা  টিন শেড ক্লাস রুমের......

সর্বাধিক পঠিত