প্রবাসী লেখকদের কলাম

Displaying 21-40 of 491 results.
আমৃত্যু স্বপ্নেই ছুঁয়ে দেখব কি ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আমৃত্যু স্বপ্নেই ছুঁয়ে দেখব কি ক্রিকেট বিশ্বকাপ

আমৃত্যু স্বপ্নেই ছুঁয়ে দেখব কি ক্রিকেট বিশ্বকাপ

জাহাঙ্গীর বাবু


পঞ্চ পান্ডবের দিন শেষ,আশাহত নই,

তবু ভাবনার আকাশে ভাবনা

আরকোন দিন জ্বলবে কি সম্ভাবনা !

আবার কবে খেলবে সেমিফাইনালে

কবে খেলবে ফাইনালে?

ততদিন হয়তো বাঁচবোনা

তাই এখনো অধরা বিশ্বকাপ,

স্বপ্নেই ছুঁয়ে দেখি ক্রিকেট বিশ্বকাপ।

সময় কি বার বার আসে,

দু'হাজার উনিশ তলানি থেকে উঠেছিলে পাঁচে।

ভারত বধ ধরে নিয়েছিলাম এটাই এবারের বিশ্বকাপ,

......

যাদুকরের মৃত্য খেলা দেখছে বুঝি মন্ত্রের আবেশে!

যাদুকরের মৃত্য খেলা দেখছে বুঝি মন্ত্রের আবেশে!

যাদুকরের মৃত্য খেলা দেখছে বুঝি মন্ত্রের আবেশে!

জাহাঙ্গীর বাবু

এগিয়ে আসেনা কেউ!  যাদুকরের 

মৃত্য খেলা দেখছে বুঝি মন্ত্রের আবেশে!

হিপ্টোনাইজ কি আমি,আমরা!

ওহ! কি নৃশংস,কি  বিভৎস খুন!

স্ত্রীর চোখের সামনে!প্রিয়জনের

অক্ষিগোচরে নিজেই দেখি নিজের মৃত্যু !

এই রক্তাক্ত অনিরাপদ  জনপদে হয়তো এর পরই আমার রক্তাক্ত লাশ দেখে হাসবে কেউ,হয়তো হবেনা ছবি,

হবেনা ভিডিও ভাইরাল।পাবেনা কিঞ্চিত বিচার।

যদিও মৃত্যুর পর বিচার হলেই কি না হলেই কি?

......

ক্রিকেট বিশ্বে লাল সবুজের হোক নতুন সূর্য্যদয়

ক্রিকেট বিশ্বে লাল সবুজের হোক নতুন সূর্য্যদয়

ক্রিকেট বিশ্বে লাল সবুজের হোক নতুন সূর্য্যদয়

জাহাঙ্গীর বাবু


ক্রিকেট বিশ্বকাপ 

প্রাপ্তির দ্বার প্রান্তে বাংলার বাঘ।

হারাবার নেই,প্রাপ্তিই প্রত্যাশা।

হার জিতে নাই ভয়,

হোক জয় আর পরাজয়।

সাথে আছি থাকবো,আনন্দে হাসবো,

এক সাথে কাঁদবো,

তোমরা আমাদের বীর সন্তান

বয়ে আনবে বিজয়ী সন্মান।

প্রত্যাশা,দুঃস্বপ্ন নয়,অসীম নয় 

যোজন দূর নয়,স্বাভাবিক এখন।

দাও হুংকার,বাংলার টাইগার

......

মেন্টেনেন্স ডিপার্টমেন্ট কাজ করে কি?

মেন্টেনেন্স ডিপার্টমেন্ট কাজ করে কি?

মেন্টেনেন্স ডিপার্টমেন্ট কাজ করে কি?

জাহাঙ্গীর বাবু

বৃষ্টির পানি কাদা জলে হয় রাস্তার কাজ!ঢালাই কত কম দেয়া যায়,রড কত কম দেয়া যায়,যত নিন্মমানের সামগ্রী ব্যাবহার করা যায় দেশীয়  ঠিকাদারের শকুনের চোখ সে দিকে। যত সস্তায় কর্মচারী, যত সস্তার মালামাল ব্যাবহার করা যায় তার নির্দেশনা থাকে উপর মহলের। কাজের পুর্বে পি সি মানি পাস করতে হবে নয়তো কাজ, কাজের মাঝেই ব্যাঘাত,উৎপাত, আশ্চর্য্য এক সিস্টেমে আছি।বিদেশে কিন্তু এই ছেছরামি নেই।কাজের কোয়ালিটিটা শত ভাগ। সেই সাথে রক্ষনাবেক্ষন তথা মেইন্টেনেন্স ও।এ দেশের বিদেশী কাজ গুলো ভালো হচ্ছে বলা যায়। যেমন......

শরনার্থী

শরনার্থী

শরনার্থী 

জাহাঙ্গীর বাবু


সীমাবদ্ধ সময়ের জীবনে

এই পৃথিবীর বুকে আমি এক শরনার্থী।

আমি এক পরিযায়ী প্রাণী,এক যাযাবর।

বেঁচে থাকার আভিলাষে

ঘর ছড়ে পথে,গ্রাম থেকে শহর

দেশ ছেড়ে সীমানার ওপারে

বিদেশ বিভূঁইয়ে।

ফিরে আসা শেকড়ে,ফিরে যাওয়া প্রবাসে।

দেশে ছেড়ে যাওয়াই পরবাস নয়

আপনজন ছেড়ে থাকাই পরবাস।

একটু স্বস্তির নিঃশ্বাসের লোভে

একটু ভালো থাকার লিপ্সায় 

দেশে......

স্যার,আপনার সেই অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের প্রতি শিষ্ঠাচার ছিলো কি?

স্যার,আপনার সেই অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের প্রতি শিষ্ঠাচার ছিলো কি?

জাহাঙ্গীর বাবু ,হ-বাংলা নিউজ : স্যার,আপনার সেই অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের প্রতি শিষ্ঠাচার ছিলো কি ? মজায় মজায় কোটি প্রবাসীর বুকে নীরব রক্ত ক্ষরণ,প্রকাশ্যে প্রতিবাদ।বোঝার ভূল,নাকি বুঝানোর ভূল। নাকি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিয়তি।পারিবারিক আর কর্ম জীবনের জটিলতায় ভিডিও দেখলাম দেরীতে।তাই কলমের প্রতিবাদও দেরীতে।

আবু সায়্যিদ স্যারের সেই অনুষ্ঠানে পাশে শিমুল মোস্তফা,হেলাল হাফিজ আর দর্শক শ্রোতার সারিতে নিঃসন্দেহে দেশের সেরা শিক্ষিত জনেরা। আচ্ছা......

অনাথ রোগ

অনাথ রোগ

অনাথ রোগ

জাহাঙ্গীর বাবু

এতিম হলাম এইতো সেদিন

আব্বা নেই জীবন অন্ধকার এখন।

ইচ্ছে ছিল আব্বার, দেখবে আমায় সুখী

এখন এতোই সুখী,বিদেশ ছেড়ে

স্বদেশেই শ্রমের ফেরি করি।

আব্বা চাইতেন থাকি দেশে, 

থাকি তার কাছাকাছি;

দেশে কাজটা হোক পাকাপোক্ত, 

শেষ বেলায় তাইতো আমায় ডাকেনি।

আব্বা নেই,দোয়া করবেনা,

সাহস দেবে আর ;হতভাগ্য সেই ছেলে,

আব্বা নেই যার! 

বুকের বাম পাশের ব্যাথার সাথে 

সকল শিশুর জন্য আগামীর পৃথিবী হোক নিরাপদ

সকল শিশুর জন্য আগামীর পৃথিবী হোক নিরাপদ

সকল শিশুর জন্য আগামীর পৃথিবী হোক নিরাপদ

জাহাঙ্গীর বাবু

ধনীর শিশু দোলনায়

গরীবের শিশু ধুলো,কাদায়!

তোমার শিশু যায় স্কুলে

গরীবের শিশু ইট ভাঙ্গে

চায়ের দোকানে,নয় কারখানায়,

তোমার শিশুর খেলনা কুড়ায়।

ওই দরিদ্র শিশু,

দুমুঠো খাবারের আশায়!

একটু ভুলে খুন্তির ছ্যাকায়,

গরম পানিতে,আগুনে ঝলসে যায়!

শিশু শ্রম নিষিদ্ধ করে সরকার।

অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের আশায়

শিশু শ্রমওযে দরকার!

বিক্রীত দাস

বিক্রীত দাস

বিক্রীত দাস

জাহাঙ্গীর বাবু


বিকি কিনির হাঁটে বিক্রি হই 

কম দামে,প্রতিভাই নাকি শত্রু, 

হেরে যাই যোগ্যতার মূল্যায়নে! 

বহু জানি বলে অজানা বহুত!

অধরা,অধুরা জীবন কাহিনী! 

শোষনের কারখানায় শোষিত 

চিরকাল! শাসকের চাবুক টাকায়

পাকানো! স্বেচ্ছায় পানকরি 

পানকৌড়ির কারাবাস, পায়ে পরি

বেড়ি;চিৎকার করি,সাধু সাজি,

নিয়ম খুঁজি অনিয়মের হাঁটে! 

নীতিবাক্যের কবিতার বলৎকার

ঈদ তুমি কার?

ঈদ তুমি কার?

ঈদ তুমি কার?

জাহাঙ্গীর বাবু 


ঈদ তুমি কার?

উত্তর, আছে যার ভুরি ভুরি;

ঈদ শুধুই তার।

ঈদ তুমি কার?

উত্তর, ঈদ তুমি খরচের খাতার;

যে খাতার মালিক ধনী, শুধুই তার।

ধনী

অর্থে,বিত্তে,ঐশ্বর্যে -

হোক দূর্ণীতিবাজ,চোরাকারবারী।

মনের ধনী

সকাশে প্রকাশ্যে সে দরিদ্র বটে।

ঈদ  নও কার?

উত্তর, লজ্জার,বিব্রত হওয়ার।

অথচ কথা ছিল;অথচ ধর্মেও আছে,

ঈদ, ধনী,গরীব......

পাপ-পূণ্য

পাপ-পূণ্য

পাপ-পূণ্য

জাহাঙ্গীর বাবু

আপাদমস্তক গুনাহ

পাপ শিরা-উপশিরায় 

আশারাফুল মাখলুকাতে

মানুষ নামে পরিচয়

ক্ষমা করো প্রভু আমায়!

চারিপাশ মোর পাপাচারে

পাপ টানে পাপের মুখে

যে টুকুন আছে,ছিলো,হবে পূণ্য

ঢাকা পড়ে পাপের ছায়াতলে,

পূণ্য আজ ছদ্মবেশে!

পাপ হয়না বর্জন,পূণ্য হয়না অর্জন !

সমাজ,দেশ,বিশ্ব ভূমন্ডলে

পাপীর গর্জন! লৌকিকতায় মনুষত্ব,মানবতা আস্তাকুঁড়ে,

স্বার্থের লোভে......

ঢাকাতেই ফিরে আসি

ঢাকাতেই ফিরে আসি

ঢাকাতেই ফিরে আসি

জাহাঙ্গীর বাবু

থমকে যাওয়া শহরের নাম ঢাকা

জ্যামে জমে যাওয়া, দুর্গন্ধের দুষিত বায়ুর

শহর ঢাকা,প্রাণের শহর, আমাদের রাজধানী ঢাকা।

ময়লা স্তুপে গড়ে উঠা,ময়লায় ভরাট, বিরাট শহর,

এর মাঝে মাটি ফুঁড়ে জেগে ঊঠেছে অট্টালিকার বহর

অপরিকল্পিত  নগর, কুটনীতির শহর!

প্রয়োজনের বিমানবন্দর।

লঞ্চঘাট,বাসটপ,রেল ষ্টেশন,

সকল আপ্যায়ন,বিনোদন,প্রয়োজন ঢাকা শহর।

যে শহরে সব অভিজাত,

সকল মধ্যপন্থী আর দারিদ্র্যের......

শহরের ও কি হয় নিরব রক্ত ক্ষরণ

শহরের ও কি হয় নিরব রক্ত ক্ষরণ

শহরের ও কি হয় নিরব রক্ত ক্ষরণ

জাহাঙ্গীর বাবু


যে শহর ঘন্টার পর ঘন্টা

জ্যামে থেমে থাকে!

সে শহর নাকি এগিয়ে যায়;

দুর্দান্ত গতিতে নিত্য নব উদ্যমে!

মিরাকল,মিরাকল হে প্রভু;

সত্য মিথ্যার সাথে

আমরাই আগুয়ান!

কষ্ট কি শুধু আমার!

নাকি এই শহরের ও হয় কি 

নিরব রক্ত ক্ষরণ!

এলো পাথাড়ি খোঁড়া খুড়ি;

আজ টেলিফোন কাল পানি!

ড্রেনেজ বন্ধ বিবেকের বর্জে

মেশিন চলে শহরের বুক,

......

অশুদ্ধ স্নান

অশুদ্ধ স্নান

অশুদ্ধ স্নান

জাহাঙ্গীর বাবু

হাজার কোটি লক্ষ কোটি 

লোপাট করে নেতা,মন্ত্রী,ধনী!

ধরা শায়ী কাভি কাবার 

ছিচকে ছেচ্চর চুনুপুটি!

লোক দেখানো ধর পাকড়ে

শুদ্ধ থাকার দিচ্ছেন প্রমাণ, 

অশুদ্ধ দূর্ণীতির সাগর জলে

দিবা রাত্রি চলছে স্নান!

বিশুদ্ধতার মূর্তপ্রতীক

ছদ্মবেশী লেবাসধারী হুকুম দাতা

রাজা,উজির,মন্ত্রী,সেপাই ; সাফাই 

গানে অশুদ্ধতার মদদদাতা!  

...

এখনই বন্ধ করনা আাঁখি

এখনই বন্ধ করনা আাঁখি

এখনই বন্ধ করনা আাঁখি

--------ফজলুল কাদির পান্না


(নুসরাত জাহান রাফির মৃত্যুশয্যার পার্শ্বে বসে

তাঁর পিতার জবানীতে লেখা এই কবিতা)


মারে এখনই বন্ধ করনা আঁখি,

তোমার যে অনেক কাজ রয়ে গেছে বাকী।

প্রতিবাদের তীব্র ঝড় তুলে রক্ত জমাট

বিদ্রোহী দুটি চোখ বন্ধ করার সময় নয় এখন।

যমদূত যদি আসে, তাকে দুঃসাহসে বলে দাও

ফিরে যাও তুমি ফিরে যাও

জাননা সত্যকে ভালবেসে নতুন প্রভাতে

জাগে যে প্রাণ, প্রতিবাদে......

মা....

মা....

মা.... 

জাহাঙ্গীর বাবু

মমতার কবিতার শিরোনাম মা।

ক্ষমার কবিতার শিরোনাম মা।

অনন্ত অসীম ভালোবাসার সমুদ্র মা,

মা ধৈর্য্যের অসীম কবিতা।

গর্ভযন্ত্রণা নয় মাস,ভুমিষ্ট যন্ত্রনা শেষে

কান্নার নোনা জলে,বুকের নহরে

তিল তিল করে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে

মাটির দলা সম শিশু থেকে গড়ে তোলে  মানুষ। 

মা,শিক্ষক,চিকিৎসক,সেবক অতন্ত্র প্রহরী। 

মা,লাঞ্চনা,অপমান সয়ে অভুক্ত থেকেও

সন্তানের শুভকামনায় মা।

মা পুরো এক ভালোবাসার কাব্য গ্রন্থ।

যে টুকু অপারগতা তার জন্য

ক্ষমা চাই মা, ক্ষমা চাই।

মা,তোমার তুলনা শুধু তুমি।

মা তোমায় ভালোবাসি।

মা,একটা......

অন্তঃসার শুন্য

অন্তঃসার শুন্য

অন্তঃসার শুন্য

জাহাঙ্গীর বাবু


দুঃসময় দূর হবে কবে

কে জানে বলো!

সুসময় আসবে বলে

দুঃসময়ের সাথে সহবাস এখনো।

বিধাতার নিয়মের আছে ধারাপাত,

জানা কি আছে কারো?

প্রকৃতির নিশানায় দুর্ভাগা 

ভাগ্যের চাবি কোথায়,কে বলতে পারো?

সময়ের সাথে সময়ের জুয়া

জীবনের সাথে জীবনের,

উলটো পথে জীবন গাড়ি

জীবনের সাথে জীবনের আড়ি!

গন্তব্যহীন ছুটে চলা,উদ্দেশ্যহীন পথ চলা

যৌবনের ভূলের মাশুল পৌড়তায়

পৌড়তার মাশুল বার্ধ্যক্যে

অপেক্ষা, মৃত্যুর অপেক্ষা।

শুন্য আগমন,শুন্য প্রত্যাবর্তন 

সময়ের সাথে সময়ের পাশা খেলা!

বেহিসাবি জীবন কাব্য;

অন্তঃসার......

রমজানের পবিত্রতা  রক্ষা করি

রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি

রমজানের পবিত্রতা  রক্ষা করি

জাহাঙ্গীর বাবু

রমজান ভোজন বিলাসের নয়

নাচ গানে মত্ততার নয়,রমজান ইবাদতের।

রমজান নামাজ আদায়ের,পবিত্র গ্রন্থ আল কোরআন তেলায়াতের, 

রমজান এশার নামাজের সাথে ওয়াজিব তারাবীর।

রমজান পবিত্রতার,রমজান ফেৎনার নয়

রমজান যাকাত ফেৎরা আদায়ের।

রমজান রহমত,মাগফেরাত,নাজাতের।

রমজান নিজেকে শুদ্ধ করার।

রমজান শুধু উপবাসের নয়,

প্রতিটি ইন্দ্রিয়ের গুনাহ থেকে মুক্তির।

রমজান আঘাতের নয়,প্রতিশোধের নয়

রমজান ক্ষমা করার,রমজান শান্তির।

রোজা,রমজান,সিয়াম সাধানার।

রমজান নেয়ামত মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের।

রমজান আখেরী......

শ্রমিকের কষ্টের রঙ এক

শ্রমিকের কষ্টের রঙ এক

শ্রমিকের কষ্টের রঙ এক 

জাহাঙ্গীর বাবু


মে দিবসে আজীবন দাবী, 

শুধু কাগজের প্রত্যায়ন পত্রে নয়

মেধা,প্রতিভা অনুযায়ী কাজ চাই,শ্রম চাই

শ্রমের বিনিময়ে মূল্য চাই,

মৌলিক অধিকার পূরণে ন্যায্য মুজুরী চাই।

বিদেশ,দেশে শ্রমিকের কষ্ট দেখেছি,দেখছি।

শ্রমিকের কষ্টের রঙ এক,অভিন্ন।

প্রবাস থেকে বলেছি,এবার স্বদেশ থেকে-

শ্রমিকের কথা বলছি,শ্রমের কথা বলছি।

শ্রমিকের দেশ নেই,বিদেশ নেই,

সীমান্ত নেই,গন্ডি নেই,শ্রমিক শোষিত সারা পৃথিবীতে।

কবিতা নয়,মে দিবসে অধিকারের দাবী নিয়ে এসেছি।

মে দিবসেও 

টুং টাং বাজে হাতুড়ির ঘন্টা

আজো আমার দেশের......

বাঁঁচাও স্বাধীনতাদেরকে!

বাঁঁচাও স্বাধীনতাদেরকে!

বাঁঁচাও স্বাধীনতাদেরকে!

জাহাঙ্গীর বাাবু  


আমি সতের কোটি স্বাধীনতার কথা বলছি-
প্রতিদিন, প্রতিরাত, প্রতিমুহুর্ত
হায়েনা,জানোয়ার, নরখাদকের হাতে,
স্বাধীনতারা মৃত্যু বরণ করে!
যেন প্রকৃতির নিয়ম ভেঙ্গে,অসময়ে প্রস্থান!
 
গাড়ির তলায় পিষ্ট হচ্ছে স্বাধীনতা
অনিরাপদ জনপদ,অনিরাপদ রাজপথ
স্বাধীনতাদের রক্তে লাল হয়;
থোকা থোকা রক্তে পিচ ঢালা পথ  বিবর্ণ
স্বাধীনতারা মিছিল করে মুক্তির!

মৌলিক অধিকারে, বেঁচে থাকার প্রয়াসে
স্বাধীনতারা করে মানব বন্ধন, করে অনশন!
স্বাধীনতারা  প্রতিবাদ করে নিরাপদে ঘরে ফেরার!
মুক্ত মানচিত্রের সীমানায়
স্বাধীনতারা হয়......

সর্বাধিক পঠিত