প্রবাসী লেখকদের কলাম

Displaying 101-120 of 440 results.
মনে পড়বে তোমায় কিংবদন্তী শিল্পী আব্দুল জব্বার

মনে পড়বে তোমায় কিংবদন্তী শিল্পী আব্দুল জব্বার

জাহাঙ্গীর বাবু : সময়টা সম্ভবত ১৯৮৬ সাল। তখন পড়তাম গাজীপুরের কালীগঞ্জ  আর আর এন  সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে।বাবা চাকরী করতেন রেলওয়েতে। থাকতাম  আড়িখোলা রেলওয়ে ষ্টেশনের কোয়ার্টারে।বাসার পেছনেই কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ।কালীগঞ্জ তখন মসলিন কটন মিলের জন্য  বিখ্যাত।মিলের শ্রমিকদের  সন্তানরা পড়বে এখানেই তাই শ্রমিক কলেজ।৯০ এর পর ধ্বংস হয়ে যায় সেই মিল.সে যাই হোক ,ভূমিকা টানলাম কালীগঞ্জের কারণ সেখানেই কাটে আমার দুরন্ত কৈশর। অনেক স্মৃতি সেখানে।

বলেছিলাম সময়টা সম্ভবত ১৯৮৬ সাল।আমি কিশোর লুঙ্গি আর সেন্টু গেঞ্জি পরে সময় কাটতো শ্রমিক কলেজের লম্বা  টিন শেড ক্লাস রুমের......

বহুদিন হাঁটিনি সবুজ ঘাসে

বহুদিন হাঁটিনি সবুজ ঘাসে

রিমি রুম্মান: নিউইয়র্ক :  নিউইয়র্ক সিটির স্কুলগুলোয় গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলছে। দুই মাসের এই দীর্ঘ ছুটিতে এখানকার মানুষগুলো সাধ ও সাধ্য অনুযায়ী সপরিবারে ছুটে যায় দূরদূরান্তে অবকাশ যাপনে। শহুরে যান্ত্রিকতা, ব্যস্ততা আর কোলাহলের বাইরে পাহাড়, সমুদ্র, হ্রদ কিংবা গাছ-গাছালির ছায়াঘেরা নির্জনতার কাছাকাছি কোথাও। প্রস্তুতি নিয়ে প্রতি সপ্তাহে সপরিবারে বন্ধুরা মিলে দলেবলে ছুটে যাই আমরাও। দুই সপ্তাহ আগে সমুদ্রতীরে দিনভর কাটিয়ে পরের সপ্তাহে আবার পাহাড়ের খুব কাছে সারা দিনমান। গর্জনরত উত্তাল সমুদ্র আমায় যতটা না টানে, তার চেয়েও বেশি টানে স্থির-নিশ্চল......

এত কান্না কোথা থেকে আসে?

এত কান্না কোথা থেকে আসে?

ইমদাদ বাবু: নিউইয়র্ক : ডা. হেনরি উর চেম্বারে বসে আছি। সঙ্গে আমার মেয়ে। ডা. হেনরি একজন পেডিয়াট্রিক সার্জন। ছোটখাট গড়নের মানুষ। খুবই ভালো ও অভিজ্ঞ একজন ডাক্তার। সম্ভবত চাইনিজ। বলা যায় না কোরিয়ান বা জাপানিও হতে পারেন। আসলে বোঁচা নাক ও ছোট চোখের সব মানুষকেই আমার চাইনিজ চাইনিজ মনে হয়। আমি এদের কখনই দেশ অনুযায়ী আলাদা করতে পারি না। জানি না এ সমস্যা শুধু আমার একার নাকি অন্যদেরও। একটু পরেই আমার মেয়ের পায়ে একটি ছোট্ট অপারেশন হবে। যে কারণে আজ এখানে আসা। আসার পর থেকেই আমি টেনশনে রীতিমতো ঘামছি। বারবার পানি পান করছি। কিন্তু তারপরেও গলা শুকিয়ে যাচ্ছে।

নিজে ভয় পেলেও একটু পরপর মেয়েকে......

সে দিন একুশে আগষ্ট ছিলো !

সে দিন একুশে আগষ্ট ছিলো !

জাহাঙ্গীর  বাবু,সিঙ্গাপুর : নড়ছে শরীরের অঙ্গ পতঙ্গ ,ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে 

হাড় গোড় মাংস পিন্ড ,দেখ দেখ ভাই প্রাণ টা যায়

সেকেন্ড আগেও সব ঠিক ছিলো।

হঠাত প্রকন্ড শব্দ,হৈ চৈ, মুহুর্তের জন্য পিন পতন নিরবতা

যেন যুদ্ধ বিদ্ধস্ত এক সুনসান নগরী,

কিছুক্ষন আগেও ছিলো জন সমুদ্র,চারদিক কেমন নিথর হয়ে গেলো ,

ভুমিকম্পে নয় গ্রেনেডের আঘাতে কতো গুলি প্রাণ কেড়ে নিলো ,

সে দিন একুশে আগষ্ট ছিলো।

চলছে জনসভা বঙ্গবন্ধু এভিনিউ বঙ্গ বন্ধু কন্যা মঞ্চে ভাষণে 

কেঁপে উঠল জনসভা প্রকম্পিত বঙ্গবন্ধু এভিনিউ 

গ্রেনেড হামলা, উচুতলার ভবন থেকে মুহু মুহু গুলি,

কারবালার......

অভিভাবকত্বের শাসনে মোড়া শিশু নির্যাতন

অভিভাবকত্বের শাসনে মোড়া শিশু নির্যাতন

ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল শিরোনামে মুখ পঞ্জির বুকে একটি ভিডিও দেখতে পেলাম। সিরিয়াসলি? ছোটবেলা এমন হয় কারও? এমন জঘন্য শাসনে মাখা আমাদের ছোটবেলা? নাহ, আমি জানি আমার মতো কিছু কিছু মানুষের ছোটবেলা এমন ছিল না।

কিন্তু জানতে ভুল হলো না (যদিও এই ভিডিওচিত্র আমাদের বাংলাদেশের নয়), যখন দেখতে পেলাম বাংলাদেশের কেউ কেউ এই অমানবিক শাসনের মাঝে নাকি নিজেকে দেখতে পাচ্ছে। কেউ বলছে খুব হাসি পাচ্ছে। কেউবা বলছে মাকে মেনশন করতে পারতাম যদি! এমন ছোটবেলা নাকি অনেকের ছিল।

শিশুরা যে এই সব ভুলেও ভোলে না, ভিডিওচিত্রটি দেখে নিজের অতীত মনে করা মন্তব্যকারীরাই তো তার প্রমাণ। এই শিশুটির আতঙ্কিত......

বিয়ের পাত্রী দেখা

বিয়ের পাত্রী দেখা

ইমদাদ বাবু: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: 

 —এটা কি আপনার প্রথম বিয়ে?

—মানে কি? বুঝলাম না।

—আমিতো হিব্রু ভাষায় বলিনি। বাংলা বলেছি। নাকি ১০ বছরেই বাংলা ভুলে গেছেন?

—না, তা না। আসলে এ ধরনের প্রশ্ন আশা করিনি।

—আপনি কি আশা করেছেন, সেটা আপনার ব্যাপার। আজ আমি আপনাকে দেখতে এসেছি। আমার সব প্রশ্নের উত্তর আপনাকে দিতে হবে কোনো প্রশ্ন না করে।

হে আল্লাহ এত দেখি ধাইন্না মরিচ। আমি তো ভেবেছিলাম পুকুরের পানির মতো শান্ত একটা মেয়ে।

আমি মেঘ। বাবা-মার একমাত্র সন্তান। দশ বছর আগে আমি বাবা-মার সঙ্গে ইমিগ্রান্ট হয়ে আমেরিকা যাই। ছোট খালা আমাদের নিয়ে যান। আমেরিকা......

একটা দেশ যেভাবে দাঁড়ায়

একটা দেশ যেভাবে দাঁড়ায়

রউফুল আলম: ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ায় আমার ল্যাবরেটরি সপ্তাহের সাত দিন চব্বিশ ঘণ্টাই খোলা থাকে। আমাদের সবার কাছে চাবি থাকে। যে যখন ইচ্ছে তখনই গিয়ে কাজ শুরু করে দেন। দুনিয়ায় একেকজন মানুষ একেক সময়ে প্রোডাকটিভ। কেউ ভোরবেলায় পড়েন। কেউ পড়েন ভর দুপুরে। কেউ আবার মাঝরাত ছাড়া পড়তে পারেন না। গবেষণার বিষয়টাও এমন। তাই দিন-রাত সব সময় সেখানে প্রবেশাধিকার থাকতে হয়। আমার ল্যাবে কয়েকজন কাজ-পাগল তরুণ আছেন। তারা কখন ঘুমান আমি জানি না। ক্লান্তি তাঁদের স্পর্শ করে না। একটা ছেলে রীতিমতো ল্যাবকে ঘর বানিয়েছেন। কাজ ছাড়া তার কোনো কাজ নেই। তিনি পোস্টডক করছেন। আমেরিকান ছেলে। বয়স আটাশ।......

সম্পর্ক বেঁচে থাকে ভালোবাসায়

সম্পর্ক বেঁচে থাকে ভালোবাসায়

রিমি রুম্মান: নিউইয়র্ক : শৈশবের খেলার সাথি দিনাকে হিংসা হতো খুব। ওদের কত বড় পরিবার! নানা-নানু, মা, মামা-খালা সবাই একসঙ্গে একই বাড়িতে থাকে। কী ভয়ানক আনন্দের জীবন ওদের। ভরদুপুরে যখন পুরো শহর নিথর হয়ে থাকত ক্ষণিকের জন্য, বাসার সবাই ঘুমিয়ে পড়লে, আমি পা টিপেটিপে ছুটে যেতাম। দিনার নানাভাইয়ের বড় বাড়ি। ফুলের সুবাসময় বিশাল উঠোন। সেখানে আমরা ছুটোছুটি খেলতাম। অনেকটা খাঁচার পাখি ছাড়া পাওয়ার মতো। যেন বিশাল আকাশে ডানা ঝাপটে ওড়াউড়ি। ওদের ছাদে উঠতাম। যদিও সেখানে ওঠার কোনো সিঁড়ি ছিল না। তবুও বিপজ্জনকভাবে দেয়াল বেয়ে ওঠা। ছাদে নুইয়ে থাকা আতাফল, গাছের পাকা আতাফল খেতাম।......

ভাইয়ের অপেক্ষায় পরি-ইমদাদ বাবু

ভাইয়ের অপেক্ষায় পরি-ইমদাদ বাবু

আসমানের ওপর সুন্দর করে সাজানো বিশাল এক বেহেশত। সেই বেহেশতের সদর দরজার সামনে এক লম্বা লাইন। পৃথিবী থেকে আসা সব বাবা-মারা সেই লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁরা এসেছেন তাঁদের নিজের সন্তানকে পৃথিবীতে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার জন্য। পৃথিবীতে বাবা-মায়ের কাছে যাওয়ার আগে সব শিশুরা এখানেই থাকে। মনের আনন্দে এখানে তারা খেলাধুলা করে, ঘুরে বেড়ায়, শান্তিতে ঘুমায়। আর অপেক্ষায় থাকে কবে তাদের বাবা-মায়েরা আসবেন ওদেরকে দুনিয়ায় নিয়ে যাওয়ার জন্য।

কিছু বাবা-মা এসেছেন ছেলে শিশুর জন্য। আর কিছু বাবা-মা এসেছেন মেয়ে শিশুর জন্য। ছেলে শিশুরা মনের আনন্দে তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে চলে যাচ্ছে। কিন্তু......

শান্তি কুটির - যুথিকা বড়ুয়া

শান্তি কুটির - যুথিকা বড়ুয়া

এক. দিব্যেন্দু আর মালবিকা, ওরা নিঃসন্তান। দুজনেই অর্থ উপার্জন করে। স্ত্রী ও বৃদ্ধা মাকে নিয়ে ছোট্ট ছিমছাম নির্ঝঞ্ঝাট পরিবার দিব্যেন্দুর। ও পেশায় একজন মেডিক্যাল ডাক্তার, চাইল্ড স্পেশালিস্ট। স্ত্রী মালবিকা নার্সারী স্কুলের শিক্ষয়িত্রী। শহরের নিরিবিলি রেসিডেন্সি এলাকায় শ্বেতপাথরের মোজাইক করা অট্টালিকার মতো বিশাল বাড়ি। বাড়ির সদর দরজার একটু উপরে নেইম প্লেটে বড় অক্ষরে খোদাই করে লেখা, “শান্তি কুটির।” কিন্তু তাদের মনের ঘরে বিগত এগারো বছর যাবৎ এতটুকু সুখ, শান্তি নেই বললেই চলে।

কর্মজীবনে মানব সেবাতেই দিব্যেন্দুর দিন যায় রাত পোহায়। দিনের শেষে ক্লান্ত......

শাঁতো দ্যু ভার্সাই ; যত দেখি ততই ভালো লাগে

শাঁতো দ্যু ভার্সাই ; যত দেখি ততই ভালো লাগে

দেলওয়ার হোসেন সেলিম,হ-বাংলা নিউজ ,প্যারিস (ফ্রান্স) ঃ ফ্রান্সের শাঁতো দ্যু ভার্সাই বিশ্ব বিখ্যাত একটি দুর্গ। একটি প্রাচীন রাজকীয় প্রাসাদ। এই প্যালেস অব ভার্সাইতে ফ্রান্সের রুপকার রাজাগণ বসবাস করেছিলেন। তাদের মধ্যে কিং লুই চতুর্দশ, চার্লস এক্স, লুই ফিলিপ, নেপোলিয়ানের নাম উল্লেখ যোগ্য। ১৬৮২ থেকে ১৭৮৯ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের রাজধানী ছিলো ভার্সাইয়ে। ফরাসী সম্রাট ত্রয়োদশ লুই সর্বপ্রথম ১৬২৩ খ্রিস্টাব্দে ইট ও পাথর দিয়ে ভার্সাইয়ে একটি হান্টিং লজ নির্মাণ করেন। সেটাই ছিলো শাঁতো দ্যু ভার্সাইর সুচনা। এরই ধারাবাহিকতায়......

বাঙ্গলি জাতি আজ কত টুকু কলঙ্ক মুক্ত!!!!

বাঙ্গলি জাতি আজ কত টুকু কলঙ্ক মুক্ত!!!!

আলম, লিভারপুল যুক্তরাজ্যে থেকে ঃ- আর মাত্র কয়দিন পরই চলে আসবে আগষ্ট মাস। বাঙালি জাতির শোকের মাস। বাঙ্গালি জাতি কি আজও কলঙ্ক মুক্ত হলো ? না কি কলঙ্ক মুক্ত করার নামে ¯েœাগানই শুনবো চিরকাল। আদৌ কি বাংলাদেশ  সেই কলঙ্ক মুক্ত হবে তা এখন জানতে চায় দেশ বিদেশের সচেতন মহল। ৪২ বছর আগে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ধানমন্ডির ৩২ নাম্বারে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে ঘটে এক বীভৎস ঘটনা। কিছু সেনা বাহিনীর কর্মকর্তাদের হাতে স্ব-পরিবারে প্রাণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমান। 

এই নৃশংস ঘটনায় ওই দিন যারা আরো প্রাণ হারিয়েছেন তারা হলেন-  বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমান এর সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা......

একবার বিদায় দে মা!

একবার বিদায় দে মা!

সাদিক আওয়াল, মেলবোর্ন (অস্ট্রেলিয়া) থেকে: রাঙামাটির সাজেকে রোদ-বৃষ্টির অভূতপূর্ব দৃশ্য। গত হেমন্তকালে তোলা ছবি। ছবি: মোহাম্মদ আবদুল বাতেন

সারাটা দিন বিজাতীয় ভাষায় লেকচার দিতে দিতে ক্লান্তি এসে ছেয়ে যায়—শরীরে ও মনে। ক্লাস শেষে মনে হয় কারও সঙ্গে খাঁটি বাংলায় কথা বলি। প্রাণের কথা। যখন মা ছিলেন, ক্লাস শেষে আমার অফিসে এসেই মাকে ফোন করতাম। মায়ের সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা হতো। কত যে কথা! এখন আর ফোন করা হয় না। বুকের জমানো কষ্ট-অভিমান বুকেই রয়ে যায়। এখন আর আমি মায়ের কথা, মায়ের গলা শুনতে পাই না। আমি নিজেই সারাক্ষণ মায়ের সঙ্গে কথা বলি। সুখের কথা, দুঃখের কথা, কষ্টের কথা, জমানো অভিমানের......

পার্থিব

পার্থিব

রোমেনা লেইস,  নিউইয়র্ক প্রবাসী: জন আর মেরি খুব সুখী দম্পতি। ওরা মিসিসিপিতে একটা কনডো কিনেছে বছর দুই হলো। চমৎকার করে সাজিয়েছে। ছুটির দিনগুলিতে শপিংয়ে গেলে ঘর সাজানোর কত কী কেনে। জন কাজ করে হসপিটালের ল্যাব সেকশনে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে গ্র্যাজুয়েশন করেই জবটা পেয়ে যায়। মাস্টার্স আর করা হয়নি।

মেরি পরে ওর মেজর পাল্টে হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট পড়েছে। সে ম্যানেজমেন্টে কাজ করে। দুজনের দুটো গাড়ি। টয়োটা ক্যামরি। মেরি মানে মারিয়ার। আর বিএমডব্লিউ জনাথন, মানে জনের।

দুজনই খুব বন্ধুপ্রিয়। বন্ধুদের সঙ্গে প্রায়ই ক্লাব–বারে যায়। কখনো লং ড্রাইভে যায়। কখনো বাবা–মাকে দেখতে......

প্রবাসে স্বজনহীন প্রবাসীর কষ্ট বেশি

প্রবাসে স্বজনহীন প্রবাসীর কষ্ট বেশি

রফিক আহমদ খান, কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া) থেকে : একটু আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য আনতে বা পরিবারের সদস্যদের মুখে হাসি ফোটাতে যুগ যুগ ধরে স্বদেশ ছেড়ে অচেনা-অজানা বিদেশে পাড়ি দিয়ে আসছেন বাংলাদেশের তরুণ ও যুবকেরা। প্রবাসজীবনের শুরুতেই সঙ্গী হয় জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা প্রিয় মাটি ও প্রিয় মানুষগুলো ছেড়ে দূরে যাওয়ার কষ্ট। শুধু কী মাটি ও মানুষ! স্বদেশের মায়াময় আলো, বাতাস প্রতিটি ধুলো কণাকেও পেছনে ফেলে যেতে হয় দূর দেশে।

বুকভরা রাশি রাশি স্বপ্ন আর তারুণ্যের শক্তি-সাহসই হয় তরুণ-যুবক প্রবাসীর সহযাত্রী। প্রথম দিকে বিদেশে শত প্রতিকূল অবস্থা মোকাবিলা করতে হয়। বিদেশে আগে থেকে নিজের আপনজন......

কার হাতে উঠছে ঢাকা ১৫ আসনের নৌকা প্রতীক?

কার হাতে উঠছে ঢাকা ১৫ আসনের নৌকা প্রতীক?

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেমন হবে তা নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। নির্বাচনের বাকী এখনও অনেক সময় থাকলেও, কে কোন আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পাবে তা নিয়ে সারা দেশ ব্যাপি চলছে গবেষনা। যদিও আওয়ামীলীগ ছাড়া অন্য দলগুলোতে এই নিয়ে এখনও তেমন উত্তাপ ছড়ায় নেই।

এই উত্তাপ মূলতঃ প্রধানমন্ত্রীর এক ঘোষনার পরপরই ছড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘এবার কাউকে পাস করানোর দায়িত্ব আমি নিতে পারবো না। এবার যার যার জয় সে-ই ছিনিয়ে আনতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী নির্বাচন নিয়ে নেত্রীর নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও হিসাবনিকাশ শুরু......

বেঙ্গল টাইগারের দেশের মেয়ে আমি

বেঙ্গল টাইগারের দেশের মেয়ে আমি

হ-বাংলা নিউজ: ইশতিয়াক রুপু: বাঙালি রসনাপ্রিয় জাতি। তারা যেখানেই থাকুক না কেন, অন্য অনেক ব্যাপারে ছাড় দিলেও খাবারের নিজস্ব স্বাদে ও মানে কোনো ছাড় দিতে নারাজ। সে জন্যই হয়তো সুস্বাদু ও তাজা খাবারের সন্ধানে থাকে তারা। প্রবাসে এই দৃশ্য চোখে পড়ে আরও বেশি। প্রায় সব অভিবাসীই দেশে থাকাকালে হয়তো বাড়িতে খুবই সাধারণ তৃপ্তিদায়ক খাবার খেতেন। হয়তো মায়ের মমতার অথবা স্ত্রীর ভালোবাসার ছোঁয়ায় রান্না করা খাবারে অভ্যস্ত ছিলেন তাঁরা।

প্রবাসে তো আর তা হয় না! প্রতিদিন তাঁদের চলতে হয়ে নিয়মের বেড়াজালের মধ্যে। দেদার ছোটাছুটি......

প্রবাসে ঈদে আনন্দের মাঝে লজ্জার দৃশ্য

প্রবাসে ঈদে আনন্দের মাঝে লজ্জার দৃশ্য

সাইদুল ইসলাম, মুহাররক (বাহরাইন) থেকে : প্রতিবার ঈদের খুশির দিনে মনের গভীরে জমে থাকে একটা চাপা কষ্ট। তা আজ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে চাই।

দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ হয়ে গেল প্রবাসে ঈদ কাটাচ্ছি। ঈদের নামাজটা চেষ্টা করি এখানকার জাতীয় মসজিদে গিয়ে আদায় করতে। যদিও এটা আমার জন্য বাতুলতা প্রায়। তারপরও বলতে গেলে এটুকুতেইতো আমাদের মতো প্রবাসীদের ঈদ আনন্দ সীমাবদ্ধ থাকে।

যা হোক, ফুরফুরে একটা ভাব নিয়ে মসজিদে ঢুকতে সদর দরজা পর্যন্ত গেলেই সেই ভাবটা মুহূর্তেই উবে যায় বিশেষ একটা কারণে। আর বের হওয়ার সময়ও সেই একই কারণে লজ্জায় মাথা নিচু করে বেরিয়ে আসি।

গত কয়েক বছর হলো আমার দুই ছেলেও আমার......

দ্বীপ শহর কি ওয়েস্ট

দ্বীপ শহর কি ওয়েস্ট

এম আবুল কাসেম ,আমেরিকার কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় :   হেমন্তের এক রোদমাখা মনোরম দিন। আমি নিউইয়র্ক সিটি থেকে বিমানে মিয়ামি যাই। সেখানে হাওয়ার্ড জনসন হোটেলে রাত কাটাই। পরদিন কাকডাকা ভোরে বাসে পর্যটন নগর কি ওয়েস্ট রওনা দিই। বাস মিয়ামি সিটি থেকে দ্রুত হোমস্টেড শহরে এসে পৌঁছায়। এরপর সেখান থেকে সোজা চলে আসে জন পেনিক্যাম্প স্টেট পার্ক। জন পেনিক্যাম্প স্টেট পার্ক থেকে কি ওয়েস্টের দূরত্ব ১০৫ মাইল। এই লম্বা স্থলভাগ একটি চিকন শলার মতো সাগরের ভেতর চলে গেছে। এই সরু লম্বা স্থলভাগের পূর্ব পাশে হলো আটলান্টিক মহাসাগর আর পশ্চিম পাশে মেক্সিকো......

ভালোবাসার আহ্বান

ভালোবাসার আহ্বান

নাইম আবদুল্লাহ,অস্ট্রেলিয়ার সিডনিপ্রবাসী : খুব ভোরে দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে বাহারের ঘুম ভাঙল। তাড়াহুড়া করে দরজা খুলতে গিয়ে সে দরজা খুঁজে পাচ্ছিল না। আজ ঈদের সকাল। এত সকালে কে কড়া নাড়বে? দরজা খুলতেই একটা অল্প বয়সী মেয়েকে দরজার সামনে দাঁড়ানো দেখতে পেল। তিন মাস আগে এই মেসে উঠেছে বাহার। এই বাসার অন্যান্য ফ্ল্যাটের কারও সঙ্গেই তার পরিচয় হয়নি।

মেয়েটা বলল, এটা আমাদের বাসা। আজ মধ্যরাত থেকে হঠাৎ করে বাবার বুকের ব্যথাটা আবার বেড়েছে। এখনই তাকে ক্লিনিকে নিতে না পারলে খারাপ কিছু ঘটে যেতে পারে। আপনি কি কষ্ট করে একটা সিএনজি ডেকে আনতে পারবেন?

বাহার বিস্ময়ের ধাক্কা সামলে উঠে বলল,......

সর্বাধিক পঠিত