প্রবাসী লেখকদের কলাম

Displaying 121-140 of 440 results.
ইস্ট রিভারের ব্রুকলিন ব্রিজ

ইস্ট রিভারের ব্রুকলিন ব্রিজ

রোমেনা লেইস, নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : যেকোনো শহরে ব্রিজগুলো আমাকে অনেক আকর্ষণ করে। ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে যায়। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমের বিকেলবেলায় আমাদের বাড়িতে দুটো রিকশা আসত। তারপর আমরা শহরের মল্লিকপুর পার হয়ে সিলেটের দিকে চলে যাওয়া রাস্তার ব্রিজের কাছে গিয়ে সন্ধ্যার সূর্য ডুবে যাওয়া দেখে ফিরে আসতাম। আবার আমার ফুপাতো ভাইবোনরা ছুটিতে বাড়ি এলেও আমরা দল বেঁধে সেই ব্রিজের কাছে গিয়ে বসে আড্ডা দিতাম। গান করতাম।

সিলেট গেলে আব্বা কিন ব্রিজ দেখাতে নিয়ে যেতেন। ইতিহাসও বলতেন। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ দেখেছি প্রমত্তা পদ্মার ওপরে। ১৯৭২ সালে আব্বা আমাদের ডাউকী ব্রিজ দেখাতে......

ফিনল্যান্ডে মানবেতর অবস্থায় বাংলাদেশি শরণার্থীরা

ফিনল্যান্ডে মানবেতর অবস্থায় বাংলাদেশি শরণার্থীরা

ভূঁইয়া এন জামান, হেলসিংকি (ফিনল্যান্ড) থেকে : বিপুল টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন দেশের সীমান্ত পেরিয়ে ফিনল্যান্ডে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগের নিয়তিই খুব একটা সুখকর নয়। হাতেগোনা কয়েকজন রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেও বাকিদের ক্ষেত্রে জোটে ক্যাম্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ জীবন। আবার অনেকে কাজ করার সুযোগ পেলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য।

বাংলাদেশ থেকে আগত শরণার্থীরা যে কাজ করেন তা মূলত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা আর পত্রিকা বিলির কাজ। কিছু বাংলাদেশি রেস্তোরাঁয় কাজ করেন। যেখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই কাজটা ফুড ফর ওয়ার্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে অথবা যৎসামান্য বেতনের বিনিময়ে মাসের পর মাস......

ইকমার্স ও আমাদের ডাকসেবা

ইকমার্স ও আমাদের ডাকসেবা

আ হ ম করিম, নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকেইলেকট্রনিকস বাণিজ্য বা ইকমার্সের সঙ্গে ডাক ব্যবস্থাপনার সম্পর্ক একেবারে সুনিবিড়। আপনি বলতে পারেন একটি আধুনিক বা যুগোপযোগী ডাকসেবা ছাড়া সফল ইকমার্সের সফলতা দুরূহ। একটা সময় ছিল যখন চিঠি পাঠানো, বার্তা আদান প্রদান, প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আদান-প্রদানে ডাকসেবার বিকল্প ছিল না। কিন্তু আধুনিক যুগে ইন্টারনেটের কল্যাণে মুহূর্তের মধ্যে ইমেইলের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান করা যায়। অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ঘরে বসেই পরিপূর্ণ ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যায়।

এমন অবস্থায় ডাকসেবার ভবিষ্যৎ পরিণতি যখন অনিশ্চিত ছিল, তখন বলা যায় ইকমার্স......

প্রবাসে আমাদের ঈদ

প্রবাসে আমাদের ঈদ

মুক্তা মাহমুদা, নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : চাঁদের আলো হঠাৎ করেই ঘরের আঙিনায়। আমাদের ভাসাল খুশির আমেজে। শিশুরা হাসছে। হাসছে ভাবি আর চাঁনরাতের খবর তো আমি আগেই জেনে গেছি। তাই নেটে খুঁজছি মেহেদির ডিজাইন। সাজগোজের প্র্যাকটিসও শুরু করে দিয়েছি। চারপাশের সবুজ লতাগুল্ম, ম্যাপল আর ফুলের দলও যেন হেসেই লুটোপুটি। চাঁদের হাসিতে হাসছে সবাই। আমি, পিংকি, ফারিয়া, মৌ, অতসী। প্রতিবেশী চাচা–চাচিরাও খুশিতে মশগুল। বাড়ির উঠোন জুড়ে শুরু হয়েছে উৎসব আসর। শিশুরা হইচই আর কোলাহলে মেতেছে। কাল ঈদ।

এক মাস সিয়াম সাধনার পর ভালোবাসা, সৌহার্দ্য আর ত্যাগের মহিমায় বেশ আড়ম্বর আর আনুষ্ঠানিকতায়......

আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস: ৪ নাকি ২ জুলাই?

আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস: ৪ নাকি ২ জুলাই?

খায়রুল আনাম, শিকাগো থেকে : আর সব আমেরিকানের মতো আমরা, মানে এই নতুন আমেরিকানরাও প্রতি বছর ৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস পালন করি। বাড়িতে বা হোটেলে বড় পার্টি দিই। বার-বি-কিউ করি। রাতে দলবল নিয়ে ফায়ারওয়ার্ক দেখি। শীতকালের চার মাস হাইবারনেশানের পর হাঁপ ছাড়তে সদ্য আরম্ভ হওয়া এই গ্রীষ্মের সিজনটা উপভোগ করার জন্য উদ্‌গ্রীব হয়ে থাকি। এই লং উইকএন্ডের সঙ্গে আরও এক সপ্তাহ থেকে এক মাস ছুটির ব্যবস্থা করে পুরো ফ্যামিলি নিয়ে ট্রেন, প্লেন বা অটোমোবাইল নিয়ে দূর দুরান্তের অন্যান্য স্টেটের দর্শনীয় বস্তুগুলো, যেমন নায়াগ্রা জলপ্রপাত, ডিজনি, ইয়োলস্টোন ন্যাশনাল পার্ক, স্যান্ডিয়েগো......

নিউইয়র্কে ঈদ অনুষ্ঠানে হরে কৃষ্ণ হরে রাম  এবং ভারতে শূয়রের মাথা !!!

নিউইয়র্কে ঈদ অনুষ্ঠানে হরে কৃষ্ণ হরে রাম এবং ভারতে শূয়রের মাথা !!!

আবু জাফর মাহমুদ  : মানুষ সমাজের ঘৃণিত হিংস্যুটে স্বভাবগুলোকে মাঝে মাঝে পরিকল্পিতভাবে প্রকাশ্যে শান্তিকামীদের চিন্তা ও আদর্শ লন্ডভন্ড করার জন্যে প্রয়োগ করা হয়  এবং তা সমাজজীবনে শান্তি ভঙ্গের কারণ ঘটায়।নিজেদের হীন উদ্দেশ্যে ইদানিং সরকার এবং রাষ্ট্রের পৃষ্টপোষ্কতায় এই অপরাধ করা হয়।এবারে ঈদের দিনে নিউইয়র্ক এবং উত্তরপ্রদেশে দুই দেশে দুইস্থানে একই লক্ষ্যে ঈদের গায়ে ময়লা ছুঁড়ে উসকানির চেষ্টা করেছে মুখোশধারী হায়েনারা। হায়েনাদের গতিবিধি সম্পর্কে জানা থাকায় হতবাক হতে হয়নি।তবে ভাবছি,মানুষ পেটের পীড়া থেকে  নিরাপদ থাকার জন্যে ভালো খাবার সন্ধান করে......

আমি রাজাকার, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা নই

আমি রাজাকার, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা নই

জাহাঙ্গীর বাবু,সিঙ্গাপুর : আমি রাজাকার,সত্যবাদী, বুকফুলিয়ে বলি আমি রাজাকার।ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার মতো বলিনা, আমি মুক্তিযোদ্ধা।

এই মুহুর্তে আমি ছুটিতে দেশে আছি। চা পানের জন্য এলাম চায়ের স্টলে।চায়ের স্টলে, দু একজনকে চিনি, বাকীদের চিনিনা।সবাই সিনিয়র সিটিজেন।৩০ জুন ২০১৭ মাগরিবের নামাজের পুর্ব মুহুর্ত। চায়ের আড্ডায় সেনবাগ প্রেসক্লাব সভাপতি খোরশেদ আলম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর ভাই সাথে, চায়ের স্টল থানার গেটের সামনে। 

সিনিয়র সিটিজেন গন নামাজের উদ্দেশ্যেই  এ পথে এসেছেন,এক জনকে দেখে অন্যজন চায়ের দোকানে আসেন।খোশ গল্প আর টিপ্পনী কাটেন, অতীতের কথাও বলেন।সেখানেই......

ফাঁকা নগরে প্রবাসীর ঈদ

ফাঁকা নগরে প্রবাসীর ঈদ

রফিক আহমদ খান, কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া) থেকে: ঈদের কথা, ঈদের আনন্দের কথা মনে হলে ভীষণ খারাপ লাগে। ৩০ রোজার শেষে ঈদ। এই ঈদ কতই না আনন্দের ছিল। সারা বছরই অপেক্ষায় থাকতাম যে ঈদের জন্য। সেই ঈদই এখন কেমন জানি নিরানন্দে চলে যায়। প্রবাসে ঈদে আনন্দ যে নেই, তা নয়। দেশে পালন করে আসা ঈদের তুলনায় প্রবাসে ঈদের আনন্দ সামান্যই। আসলে পরিবার-পরিজন, পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন, পুরোনো বন্ধুবান্ধব ছাড়া ঈদ আনন্দ জমে না। ঈদ আনন্দময় হয়ে ওঠে না।

বলতে গেলে গ্রামের তুলনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম শহরেও তো ঈদ আনন্দ একটু কম। তাই তো যানবাহনের অপ্রতুলতা সত্ত্বেও মানুষ এত কষ্টে শহর থেকে গ্রামে শেকড়ের......

চাঁদরাত

চাঁদরাত

সানজিদা রহমান, ফারগো (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে: তাড়াহুড়ো করে ইফতার শেষ করল অরণী। ছোট ভাই অন্তুকে ইশারা করল তারাবাতিগুলো গুছিয়ে নিতে। অন্তু অবশ্য আগে থেকেই প্রস্তুত। বাজারে লাদেন রকেট নামে একটা খেলনা এসেছে। যাতে টিনের খেলনা পিস্তলের বারুদ দিয়ে ওপরে ছুড়ে মারলে সেটা নিচে এসে বিকট শব্দে ফাটে। অরণীর এই জিনিস একদমই পছন্দ না। অরণীকে লুকিয়ে অন্তু নিজের জন্য একটা লাদেন রকেট কিনেছে। তাই কায়দা করে সেটাও সঙ্গে নিয়ে নিল।

দুই ভাইবোনের গন্তব্য মৌদের চারতলা ছাদ। মৌ অরণীর সঙ্গে একসঙ্গে স্কুলে পড়ে। ওদের বাসা খুব বেশি দূরে নয়। অরণীদের বাসা থেকে মাত্র দশ মিনিটের হাঁটার রাস্তা। অরণীদের......

যে ভাবনা আমায় সব সময় কষ্ট দেয়

যে ভাবনা আমায় সব সময় কষ্ট দেয়

লাবলু কাজী, নিউইয়র্ক থেকে : ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। ঋতুর বিবর্তনে প্রকৃতির বদলে যাওয়ার সঙ্গে আমাদের জীবনের নানাবিধ পরিবর্তন লক্ষণীয়। যেমন রোজা প্রতি বছর এগারো দিন এগিয়ে আসে। এবারও তার ব্যত্যয় নেই। শ্রাবণের ঝর ঝরো বাদল দিনে প্রবল বরিষনে খাল-বিল-নদী-নালা জলে উপচে পড়ে। সে বছর রোজা ছিল আগস্ট মাসে। এই কাহিনি সেই রোজার বাইশ দিনের ভর দুপুরের এক সত্য কাহিনি।

রোজা শেষে ঈদ আমাদের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু স্মৃতির পাথার থেকে নিঃসৃত এই হৃদয়বিদারক কাহিনির জন্য আমার হৃদয় ব্যথায় ভারাক্রান্ত। চোখ অশ্রু ভেজা। আমার ব্যথার লাঘবে উপশমের ভান্ডার তো আপনারা। আপনাদের......

থেমে থেকো না

থেমে থেকো না

রউফুল আলম, পেনসিলভানিয়া থেকে : জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিযোগিতায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে টিকে থাকা মুখ্য হয়ে পড়েছে। এখন শুধু নিজের সমাজ বা দেশে ভালো করাই যথেষ্ট নয়। বিশ্বায়নের এই যুগে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা (Global Competition) বেড়েছে। আর এই প্রতিযোগিতায় আমাদেরও দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। নিজেকে যোগ্য করার সকল সুযোগ নেওয়ার প্রস্তুতি থাকতে হবে। উন্নত বিশ্ব থেকে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে নিজেদের ও সমাজের ভিত শক্ত করার লক্ষ্য অটুট রাখতে হবে। আর তাই শুধু নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে জ্ঞানার্জনের কথা না ভেবে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার সময় এসেছে।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে আবেদন......

রোজা মানে শুধু উপোস আর ইফতার নয়!

রোজা মানে শুধু উপোস আর ইফতার নয়!

জেবুননেসা চপলা, সাস্কাতুন (কানাডা) থেকে : মনে পড়ে রমজান মাসে আব্বা অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইফতারের জন্য শুকনা খেজুর, শসা, তরমুজ, আম, বাঙ্গি, জামরুল, পেয়ারা, তোকমা, লেবু আর ইসবগুলের ভুসি দিয়ে শরবত বানিয়ে খাওয়ার প্ল্যান করে বাড়িতে ফিরতেন। কী ধরনের খাবার খেলে পেট ঠান্ডা থাকবে, শরীর ডিহাইড্রেড হবে না সারা দিনের উপাসের পর এবং ইফতারের মেনু বাছাইয়ের মধ্যেও কীভাবে প্রকৃত সংযম প্রকাশ পাবে, সেটাতেই তিনি বেশি গুরুত্ব প্রদান করতেন।

আমার আম্মার ডালের বড়া আর ছোলা-মুড়ি প্রিয় ছিল বলে ইফতার আইটেম থেকে এটা কখনো বাদ পড়ত না। তবে সেটা অবশ্যই কম তেল-মসলা দিয়ে তৈরি করা হতো। ইফতার বলতে বাড়িতে......

হ্যালো মা ঈদ মোবারক

হ্যালো মা ঈদ মোবারক

তানজিনা হোসেন : স্কাইপে ঈদের দিনে বিদেশে থাকা মায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে দেশে থাকা ছেলেমেয়েরা।

তাহমিনার এবার ঈদে মন খারাপ। কেননা, তাঁর বাবা-মা ঢাকায় নেই। ঈদ করতে তাঁরা রমজান মাসের আগেই কানাডায় তাহমিনার বড় বোন সানজানার বাসায় গেছেন। ওখানেই ঈদ করবেন তাঁরা। প্রতিবছরের মতো তাহমিনার ঈদের দিন বাবার বাড়ি যাওয়া হবে না, রাতের খাবারটা বাবার বাড়ি খেতেন, সেটাও হবে না। তাঁর মেয়েও পাবে না নানা-নানির কাছ থেকে ঈদের সেলামি। এ কারণে এবার ঈদকে তাঁর তেমন ঈদ ঈদ মনে হচ্ছে না। তাহমিনা বলেন, ‘ঈদে হয়তো অফিস থেকে লম্বা ছুটি পাব। কিন্তু ছুটিটা অর্থহীন মনে হচ্ছে। শ্বশুর-শাশুড়ি বেঁচে......

শাস্তির অপর নাম জরিমানা

শাস্তির অপর নাম জরিমানা

শাফিনেওয়াজ শিপু, যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে : কথাগুলো শোনার পর খুব অবাক হয়েছিলাম! কারণ আমাদের দেশে তো এই ধরনের কোনো নিয়ম নেই। তাছাড়া এই ধরনের নিয়মের সাথে আমরা খুব একটা পরিচিতও নই। তবে এই দেশে আসার পর যখন আমার সামনে অনেকগুলো ঘটনা ঘটলো, তখন অবশেষে বিশ্বাস করতে বাধ্য হলাম। 

প্রশংসা না করে পারছি না। এইখানে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে বা জিনিসে নিয়ম-কানুন রয়েছে এবং সেই নিয়মগুলো যদি ভেঙ্গে ফেলা হয়, তাহলে তার শাস্তি হিসেবে জরিমানা নির্ধারণ করা হয়। সুতরাং জরিমানা যে ভয়ংকর একটা শব্দ, সেটা আর বুঝতে বাকি রইলো না।

এক কথায় জরিমানা হচ্ছে নিয়ম-কানুন মেনে না চলার শাস্তি। যার কারণে প্রতিনিয়ত......

বাবার মুখে এক ফোঁটা পানিও দিতে পারিনি

বাবার মুখে এক ফোঁটা পানিও দিতে পারিনি

মোহাম্মদ আব্দুস শহীদ, লন্ডন (যুক্তরাজ্য) থেকে: শুরুতেই বলে রাখা খুবই প্রয়োজন, আমার বাবা একজন কৃষক ছিলেন। তিনি ডাক্তার বা ব্যাংকার ছিলেন না। এ জন্য আমার কোনো আফসোসও নেই। সম্ভবত তিনি নিজেও আফসোস করতেন না। আরও সুন্দর করে বললে বলা যায়, আমি একজন কৃষকের সন্তান। এ জন্য আমি খুবই গর্বিত।

বিশ্ব বাবা দিবসে কিছু লিখতে চাইনি। বাবাকে নিয়ে আমার স্মৃতিগুলো খুবই বেদনাদায়ক। আমার চোখ থেকে আমার বাবাকে সরাতে পারি না জীবনের কোনো মুহূর্তে। কারণ মৃত্যুকালে তার মুখে এক ফোঁটা পানি দিতে পারিনি। রমজান মাসে বিশ্ব বাবা দিবসে মনে পড়ে যায় বাবার সেই বেদনা পীড়িত চাহনি। তিনি খুবই ধার্মিক লোক ছিলেন।......

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডির স্কলারশিপ

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডির স্কলারশিপ

মুহম্মদ এম জে সিদ্দিকী, ব্রিসবেন (অস্ট্রেলিয়া) থেকে: কীভাবে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্কলারশিপ পাওয়া যায়? স্কলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে কী কী ক্রাইটেরিয়াকে (নির্ণায়ক) বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়? এই রকম প্রশ্নের উত্তর চেয়ে প্রতি মাসেই প্রায় ১০ থেকে ১২টি ইমেইল পাই | গত কয়েক বছর থেকেই এমনটি চলে আসছে | কাজের ফাঁকে যতটুকু পারি সবাইকে সহযোগিতা করতে চেষ্টা করি | আজ ভাবলাম এই বিষয়গুলো নিয়ে কিছু লিখব | যারা অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে আসতে চান তাদের জন্য কিছুটা হলেও কাজে আসবে |

গত পাঁচ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ার দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কলারশিপ......

আমার বন্ধু মিন্ডি কাফম্যান

আমার বন্ধু মিন্ডি কাফম্যান

ক্লাসের প্রথম দিনটা বেশ ভালোই কেটেছে। মেয়েটার নাম জানা গেল। মিন্ডি কাফম্যান। কাফম্যান মানেই ইহুদি রমণী। তাতে কি? খুব চুপচাপ, অসাধারণ সুন্দরী, লাল গালটা ঠান্ডায় যেন আরও লাল হয়ে গেল। ক্লাসের প্রথম দিনের পরিচয়ে বেশি কথা বলা ঠিক না। তাই চুপচাপ থাকাটাই শ্রেয় মনে হলো। কিন্তু অবাক করার মতো ঘটনা।

দেখি মিন্ডি তার কলেজের বেক পেকে কি যেন হন্তদন্ত হয়ে খুঁজছে। ‘কিছু কি হারিয়েছেন?’ জিজ্ঞেস করতেই মাথা নাড়িয়ে এর উত্তর এল। তার মানে হলো কিছু হারায়নি। তারপর ছোট পুঁটলির মতো কি যেন একটা আবিষ্কার করল বেক পেক থেকে। পুঁটলিটা খুব ধীরে ধীরে খুলে সেখানে থেকে পামকিন কেকের একটা স্লাইস বের......

বাবার হাত ধরে এক পা দু পা

বাবার হাত ধরে এক পা দু পা

জাহাঙ্গীর বাবু

যার হাত ধাতের আংগুল ধরে

এক পা দু পা করে হাঁটতে শিখেছি

তিনি আমার বাবা।

বাবা এখন লাঠি ছাড়া এক পা ও

চলতে পারেন না।

বাবা এখন চেয়ারে বসে নামাজ পড়েন

বাবা আমায় লাল রঙ এর সাইকেল দিয়েছিলেন

সাইকেলে বসিয়ে পেছনে হাত রেখে দৌড়েছেন

পড়ে গেলে ঘাম মুছে দিয়ে, সাবাস বলে আবার

সাইকেলের সিটে বসিয়েয়েছেন।

বাবা এখন বিছানায় থাকেন বেশী

বাবার হাত ধরে গ্রামের হাঁটে যেতাম

বাবার সাথে গুলিস্থান হকার মার্কেট

বাংলাবাজার, কমলাপুর রেল ষ্টেশন

ময়মনসিং,গৌরিপুর,আখাউড়া,

পাকশী,শান্তাহার,আড়িখোলা,সিলেট

এক পা দু পা করে স্কুল,কলেজ,পলিটেকনিক

এয়ারপোর্ট......

বাবাকে উপহার দেওয়া হলো না

বাবাকে উপহার দেওয়া হলো না

লাবলু কাজী, নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : উপহার একজনের অন্তরের অনুভূতি অন্যের কাছে প্রকাশের একটি উত্তম বাহক। কখনো কখনো অন্যের কাছে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার একটি শক্তিশালী ও মূল্যবান উপায়। যা কিনা এটি কেনার জন্য কত খরচ হয়েছে এবং কতটা মূল্যবান তা নিয়ে বিচার করা যাবে না। এটি প্রিয়জনের কাছ থেকে তাদের হৃদয় থেকে পাওয়া একটি উপহার এবং কোনো অর্থই যা কিনতে পারবে না। এটি একটি ধারক ও পরিদর্শনকারী বন্ধুদের বা আত্মীয়স্বজনদের প্রশংসা করার জন্য সৌজন্যের প্রতীক। আধুনিক সমাজের জন্য উপহার দিতে পারা এবং এর চাকচিক্য ও দাম সফলতা আনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রেমিকদের......

যখন গ্রহণ লাগে

যখন গ্রহণ লাগে

আমার বয়স তখন সাত বছর। দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। ১৯৯৫ সাল। হঠাৎ একদিন শুনি সবাই বলাবলি করছে যে আজ সূর্যগ্রহণ। আমার এখনো মনে আছে, এই সূর্যগ্রহণের খবরে অনেককে দেখেছি উদ্দীপ্ত আবার অনেককেই দেখেছি বেশ উদ্বিগ্ন।

সকলের এ ব্যাপারে এত আগ্রহ দেখে আমারও আগ্রহের কমতি রইল না। সূর্যগ্রহণ দেখতে হবে। কিন্তু সকাল থেকে মায়ের কড়া নির্দেশ আজ কিছুতেই সূর্যের দিকে তাকানো যাবে না। তাকালেই নাকি চোখ নষ্ট হয়ে যাবে।

মাকে এর কারণ জিজ্ঞেস করতে, সংসারের শত কাজ সামলানোয় ব্যস্ত আমার মা অত ব্যাখ্যায় না গিয়ে, তিনি তার ছোটবেলায় শোনা সূর্যগ্রহণের গল্পটাই আমাকে শুনিয়ে দিলেন। গল্পটা এ রকম—এক রাক্ষস......

সর্বাধিক পঠিত