প্রবাসী লেখকদের কলাম

Displaying 121-140 of 415 results.
পরির সঙ্গে সাক্ষাৎ

পরির সঙ্গে সাক্ষাৎ

ইমদাদ বাবু, নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : রাত দুটোর পর এক পরির সঙ্গে আমাদের সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পরি কোনো মানবী নয়। একদম ডানাসহ পরি। অনিন্দ্য সুন্দরী সেই পরি। যার সঙ্গে বন্ধু রবিনের প্রেম-ভালোবাসা। আমি, বিপু ও মানিক আমরা এখন রবিনদের ড্রয়িংরুমে রুমে বসে আছি। সেদিন মঙ্গলবার। রাত দুটো বাজবে। আমরা ঘর থেকে বের হবো পরি দেখার জন্য।

রবিনদের বাংলোর পেছন দিকে বেশ কিছুটা হেঁটে গেলে বিশাল এক কড়ই গাছ। সে গাছের ডালে পরি পা ঝুলিয়ে বসে থাকবে। আমরা ওপরের দিকে তাকিয়ে পরিকে দেখব ও সালাম দেব। এই হচ্ছে সেই রাতের আমাদের কর্মপরিকল্পনা। বন্ধু বিপু ও মানিক একটু ভিতু টাইপের।......

কান্না বা চোখের জল মানেই আপনি সিরিয়াস

কান্না বা চোখের জল মানেই আপনি সিরিয়াস

সুদীপ্তা চৌধুরী, লন্ডন, যুক্তরাজ্য থেকে: চন্দ্রা চক্রবর্তী ব্রিটেনের শীর্ষ শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী। তাঁর সংগীত জীবনের শুরু চার বছর বয়স থেকে মা বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী মঞ্জু চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে। পরে আদি কৈশোরেই সংগীতে প্রভূত প্রতিভার জন্য ভারতের প্রধান শাস্ত্রীয় সংগীতপ্রতিষ্ঠান সংগীত রিসার্চ একাডেমিতে কনিষ্ঠতম স্কলার হিসেবে শুরু করেন সংগীত জীবনের নতুন অধ্যায়। সংগীত রিসার্চ একাডেমির তখন স্বর্ণ যুগ। সর্বকালের সেরা সব শাস্ত্রীয় সংগীত ডয়েনদের তীর্থস্থান। চন্দ্রা চক্রবর্তীর সঙ্গে ছেলেদের মাঝে কনিষ্ঠ স্কলার তখন আজকের পদ্মভূষণ ওস্তাদ রশিদ খান। তাঁর......

বিজ্ঞান কল্পকাহিনি বুমেরাং

বিজ্ঞান কল্পকাহিনি বুমেরাং

ডা. পুলক : কানাডার টরন্টোপ্রবাসী : উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলছে আশার গোপনীয় সভা কক্ষে। তুমুল বিতর্ক! হওয়ারই কথা। একজনের মতামত অন্যজনের পছন্দই হচ্ছে না। কেউ একটা প্রস্তাব দিলে অন্যজন তাচ্ছিল্যের সঙ্গে তা উড়িয়ে দিচ্ছে। মাঝে মাঝে এত হইচই হচ্ছে যে, কেউ কারও কথা শুনতেই পাচ্ছে না।

আশা (ASA) হলো মঙ্গল গ্রহের অ্যারোনটিক্যাল ও স্পেস অথোরিটি'র সংক্ষিপ্ত রূপ। আশার প্রধান নিউস অসহায় দৃষ্টি নিয়ে এই সব দেখছেন এবং একুশ দশকের এক বিখ্যাত কবির একটা বিরহের কবিতা আবৃত্তি করতে ইচ্ছে হচ্ছিল তার। কিন্তু কিছু বললে এখন সবাই মাথায় চেয়ার ছুড়ে মারতে পারে। তাই চুপ......

প্রবাসে নারীর জীবন

প্রবাসে নারীর জীবন

বিদিতা রহমান : নারীদের জীবন বরাবরই সংগ্রামময়। নারী হিসেবে আমরা জীবনে বিশেষ করে অনেক বাধার সম্মুখীন হই। আমাদের চারপাশে সফল নারীদের অবিশ্বাস্য উদাহরণ দেখতে পাই, যাঁরা সব বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে গেছেন। থেমে নেই তাঁদের গতানুগতিক জীবনের ভাবাবেগ, থেমে নেই তাঁদের সব কাজের ফাঁকে সংসারকে টিকিয়ে রাখা, থেমে নেই তাঁদের কিছু ইচ্ছাগুলোকে বিসর্জন দেওয়া। সবই চলছে, চলমান নির্ধারিত সমাজের ভাবাবেগের সঙ্গে এবং তাঁরা চালিয়েও যাচ্ছেন সভ্যতার চিত্রকে মানিয়ে চলতে। মাঝেমধ্যে বিস্ময় জাগে, চলে যাওয়া কঠিন বাস্তবতাকে কঠিনের মাঝে সহজ করে নেওয়া দেখলে। পরিবারের একান্ত বিষয়গুলোকে কতটাই সহনশীলতার......

পাঁচ হাজার জানালা

পাঁচ হাজার জানালা

রউফুল আলম, পেনসিলভানিয়া (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : চীনা ভাষায় আমেরিকার নাম হলো ‘মেইগুয়ো’। শব্দটির অর্থ বিউটিফুল কান্ট্রি—সুন্দর দেশ। আমেরিকার কি দেখে তারা সুন্দর দেশ নামে ডাকতে শুরু করেছিল সে তথ্য আমার জানা নেই। তবে একজন চাইনিজ সত্যিকার অর্থে আমেরিকাকে কি দৃষ্টিতে দেখে, সেটা জানতে হলে তার সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব থাকতে হবে আপনার।

আমেরিকার সঙ্গে চীনের একটা রাজনৈতিক সমস্যা হলো তাইওয়ান নিয়ে। তাইওয়ান বস্তুত দাঁড়িয়ে আছে আমেরিকার প্রত্যক্ষ সমর্থনে। চীন অবশ্য সম্মুখ শত্রুতায় যায় না সহজে। তারা খুবই কৌশলী জাতি। আর পরিশ্রমী জাতি হিসেবে তাদের খ্যাতি সারা দুনিয়ায়। তারা ধারে......

দূরত্বে থেকেও ভালোবাসি

দূরত্বে থেকেও ভালোবাসি

জাহাঙ্গীর বাবু, সিঙ্গাপুর থেকে : ছোটবেলা থেকেই আমার লেখালেখির অভ্যাস। এটা প্রবাসজীবনে আরও বৃদ্ধি পায়। কারণ জীবন তখন নিঃসঙ্গতায়। কলম চলে দুর্বার গতিতে ডায়েরি আর চিঠির পাতায়। কত লিখেছি মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির বুকে চিরে দিগন্তহীন রাস্তার মাঝে বালির টিলায়। বাবা চিঠি লিখতেন তখন সপ্তায় দুই-তিনটা। পাশের বাড়ির কার কী হলো থেকে শুরু করে হরতাল, সরকার, এমনকি বৃদ্ধ বয়সে কেউ বিয়ে সাদি করল কিনা সে খবরও পেতাম চিঠির পাতায়। বাবার চিঠি ছিল আমার কাছে সংবাদপত্রের মতো।

বিয়ে যে করেছি তার আগের এক বছর ছিল চিঠির প্রেম। বাবা তার ছবি পাঠিয়েছিলেন চিঠির খামে। সঙ্গে ঠিকানা। সেই এক দেখাতেই......

স্মৃতিতে ওসমানী নগর-বশীর উদ্দীন আহমেদ!

স্মৃতিতে ওসমানী নগর-বশীর উদ্দীন আহমেদ!

বশীর উদ্দীন আহমেদ্: ওসমানী নগর ,একটি নাম একটি ইতিহাস। মূক্তিযূদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গ বীর জেনারাল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীর স্মৃতি বিজড়িত দয়ামীর তার পিতৃ-পুরূষের বসতবাড়ী।কমল গঞ্জের মতই ওসমানী নগর নামে কোন শহর বন্দর কিম্বা হাট বাজার নেই! উপজেলার নাম ওসমানী নগর।কমল গঞ্জেও তাই।কমল গঞ্জ নামে কোন হাট বাজার শহর বন্দর নেই। সিলেটে আসলে যে কেউ যেমন হযরত শাহজালালের মাজার জিয়ারত করেন,ওসমানী নগরেও কেউ আসলে প্রথমেই ওসমানী সাহেবের পিতৃ পুরুষের ভীটে মাটি জিয়ারত (ভিজিট) করেন।আমার বেলায়ও তার ব্যাতিক্রম ঘটেনি।বাড়ীটি মহামান্য সরকার বাহাদুর সংরক্ষণ করেন নি! এমনকি প্রধান ফটকে......

প্রত্যাশা ও নিয়তির বিধান

প্রত্যাশা ও নিয়তির বিধান

আমার প্রবাসজীবন প্রায় দেড় যুগের বেশি। প্রবাসে জীবন ধারণের পথ চলায় বাঙালি ও বাংলাদেশের সুনাম ও ভাবমূর্তি নষ্ট করার ক্ষেত্রে আমাদের কৃতকর্ম কোনো অংশেই কম নয়। প্রবাসে বাঙালিদের ওঠাবসা, আড্ডা অথবা বন্ধুত্বের মাঝে দুটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়। এক. নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব (ফ্রেন্ডলি রিলেশনশিপ)। দুই. স্বার্থযুক্ত বাণিজ্যিক সম্পর্ক (কমার্শিয়াল ফ্রেন্ডলি রিলেশনশিপ)। এই দুইয়ের আবর্তে প্রবাসী বাঙালি কমিউনিটি ঘূর্ণমান।

প্রথম সম্পর্ক সব সময় বাঙালি কমিউনিটিকে শক্ত কাঠামো দিয়ে নিজ দেশীয় সুনাম বর্ধিত করে বলেই বিশ্বাস করি।

দ্বিতীয় সম্পর্কে শুধুই স্বার্থ জড়িত। আর এই স্বার্থ......

মেরির দুঃস্বপ্নের দায় কার?

মেরির দুঃস্বপ্নের দায় কার?

একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছিল। কার্যত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে সব যুদ্ধের শেষ যুদ্ধ। এমনকি মানবজাতির ইতি ঘটানোর শেষ খাঁটি যুদ্ধ। বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, তিনি জানেন না, ঠিক কোনো অস্ত্র দিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে। কিন্তু চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ লাঠি আর পাথর দিয়ে হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন আইনস্টাইন।

গত সাত দশকের পাপের বোঝা এখন পরাশক্তির কাঁধে। যুদ্ধের দামামা বাজছে। এ যুদ্ধ কোথায় নিয়ে যাবে, এমন প্রশ্নের উত্তর কারও জানা নেই। যেমন জানেন না আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড......

প্রবাসীর মরদেহ সরকারি খরচে দেশে পাঠানো হোক

প্রবাসীর মরদেহ সরকারি খরচে দেশে পাঠানো হোক

মাহবুব সুয়েদ, পর্তুগাল থেকে:পৃথিবীতে মানুষ আসে একা, চলেও যায় একা। এটা নিয়তি, এটাই বাস্তবতা। সবাই চান মাঝখানের এই সফরে সুখ সমৃদ্ধি আর ভালোবাসার বৃত্তে থেকে জীবন কাটাতে। মা-বাবা, ভাই-বোন আর প্রিয়তমা স্ত্রী-সন্তানদের মুখের দিকে চেয়ে বা একটু আলাদা সুখ লাভের আশায় কিছু মানুষ পাড়ি দেন অন্য দেশে। জীবন আর জীবিকার টানে তিনি হয়ে যান পরবাসী। নিজ দেশ থেকে হাজার মাইল দুরে এসে থিতু এবং কষ্টার্জিত টাকাগুলো মাস শেষে দেশে থাকা প্রিয়জনের কাছে পাঠাতে বাধ্য হন। পশ্চিমা বিশ্বে যারা আসেন তারা হয়তো মানবাধিকার ভোগ করতে পারেন আজকাল, কিন্তু যারা মধ্যপ্রাচ্য বা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে যান জীবন......

উষা রঞ্জনের স্বপ্ন

উষা রঞ্জনের স্বপ্ন

পি আর প্ল্যাসিড, টোকিও (জাপান) থেকে : জাপানে কোনো কোনো বাংলাদেশির ইচ্ছা ও অক্লান্ত পরিশ্রম এনে দেয় তাদের সফলতা। পরবর্তীতে যার ফল ভোগ করেন তারা নিজেরা। কখনো কখনো ভোগ করি আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। এমনকি তাদের একক প্রচেষ্টার ফলে অর্জিত সফলতার সঙ্গে গৌরবের সঙ্গে জড়িয়ে যায় দেশের নামও। শুধু তাই নয়, তাদের একক প্রচেষ্টায় অর্জিত সাফল্যের জন্য উজ্জ্বল হয় বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশের নাম। জাপানে এমনই একজন সফল মানুষের নাম উষা রঞ্জন দাস (৪৭)। 

তিনি জাপানে এসেছেন ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর মাসে। ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ একাডেমি (চট্টগ্রাম) থেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে......

‘উপজেলা’ ও ‘গ্রাম সরকার’ সম্পর্কিত মিথগুলো বুঝতে হবে; স্থানীয় সরকারের প্রকার, স্তরসংখ্যা ও গন্তব্য ঠিক করতে হবে; গণস্বপ্ন ২০২০, গণস্বপ্ন ২০৫০ এবং নকলবাজী বাহাস বুঝতে হবে

বাপসনিউজ (হাকিকুল ইসলাম খোকন): স্থানীয় সরকারের প্রকার, স্তরসংখ্যা ও গন্তব্য আগে কেন ঠিক করতে হবে তা জানতে হলে, বুঝতে হলে বিদ্যমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও এর অতীত সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতে হবে; পাশাপাশি অতীতে স্থানীয় সরকারকে নিয়ে অবৈধ শাসকদের অসৎ উদ্দেশ্যমূলক কর্মকান্ড, তার ধারাবাহিকতা, কুফলগুলো ও মিথগুলো কিভাবে জনগণ, সরকার, রাজনৈতিক দল, সুশীলসমাজ ও এনজিওগুলিকে প্রভাবিত করে চলেছে তাও ভালভাবে জানতে হবে, বুঝতে হবে। এই লেখাটি অবয়বে ছোট্ট রাখতে কেবল বাংলাদেশ আমলের দুইজন অবৈধ শাসক এর অপকর্মের স্মারক হিসেবে “উপজেলা” ও “গ্রাম সরকার” সংক্রান্ত মিথগুলো ও এগুলোর......

‘ম’-তে মা

‘ম’-তে মা

আবদুল্লাহ জাহিদ,ম্যানেজার, কুইন্স লাইব্রেরি, নিউইয়র্ক :কলেজের ফ্রেশম্যান যে ছেলেটা লাইব্রেরি কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সাহায্য করে, আমার রুমে এসে বলল, সে লাইব্রেরির পাবলিক কম্পিউটারের পাশে একটা সেলফোন পেয়েছে। কী করব? জানতে চাইল। আমি বললাম, ‘ওর মাকে ফোন করো।’ ছেলেটা বলল, ‘কেমন করে? আমি তো ওর মায়ের ফোন নম্বর জানি না।’ আমি বললাম, ‘খুব সোজা, অ্যাড্রেস বুকে যাও, এম বোতাম চাপো, দেখবে সেভ করা আছে মা অথবা মম।’ ছেলেটা তা-ই করল এবং মায়ের নম্বর পেয়েও গেল। ওই ফোন থেকেই ফোনের মালিকের মাকে ফোন করে সব বৃত্তান্ত বলল ও। কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃদ্ধা মা চলে এলেন......

 চির ত্যাগী এবং সদা সুখী আমার মা

চির ত্যাগী এবং সদা সুখী আমার মা

শুধু মা দিবসেই নয়, প্রতি মুহূর্তে প্রতিটি সন্তানের মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অফুরন্ত। এ ভালোবাসা কোনো দিবস দিয়ে, কোনো মাপকাঠি দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব নয়। মা কে নিয়ে কিছু লিখতে হাত কাঁপে। বুক কাঁপে। আমার জন্মলগ্নে মা আমার এক দুরারোগ্য চক্ষু ব্যাধিতে আক্রান্ত হলেন। বহু চিকিৎসা হলো। অসুখ তাঁর সারেনি। মা দুরারোগ্য চোখের অসুখ নিয়ে আমাকে লালন করলেন। নিজের ব্যথা আর কষ্ট সহ্য করে প্রতি নিয়ত আমাকে দেখভাল করে স্বাভাবিক জীবন ধারার যে নিশ্চয়তা দিয়েছেন তা উপলব্ধি করা আমার পক্ষে অসাধ্য।

প্রবাস জীবনে আমি মাকে প্রতিনিয়ত মিস করি। তার স্বভাবসুলভ ডাক। মাথায় হাতের স্পর্শ, কিংবা......

প্রত্যাবর্তন

প্রত্যাবর্তন

বঙ্গবন্ধু ন্বদেশ প্রত্রাবর্তন করলেন আকাশপথে

লন্ডন থেকে দিল্লী হয়ে নিজ বাসভূমিতে এলেন ‘রয়েল ব্রিটিশ’রথে।

তার সম্মানে একুশবার করা হলো তোপধ্বনি

চারিদিকে দেখি লাখো মানুষের আনন্দোল্লাসের খঞ্জনী।

সেদিন রেসকোর্স ময়দানে ছিলো লাখো মানুষের ঢেউ

আবেগে আপ্লুত হয়ে কথা বলছিলো না কেউ।

যখনই বিমান বন্দর থেকে নেতৃবৃন্দের সাথে মুজিব পৌছলেন ময়দানে

বাঙালি জাতি যেন মেতে উঠলো ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ জয় গানে।

রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধুর আঁখি ছিলো অশ্রুজল

অন্তর-আবেগে বড় ভারী ছিলো তার পদতল।

সাত কোটি সন্তানেরে রেখেছো বাঙালি করে মানুষ করোনি বলেছিলেন বিশ্বকবি

......

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে মূসক

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে মূসক

রানা টাইগেরিনা, টরন্টো (কানাডা) থেকে : মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে এই মূল্য সংযোজন কর ভ্যাট নামেই পরিচিত। ভ্যাট (ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স) একটি হিসাবনির্ভর আধুনিক কর। সাধারণত কোনো পণ্য বা সেবার ভোক্তার ওপর এই কর আরোপিত হয়।

কোনো কোনো দেশে এটাকে গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স (জিএসটি) বলা হয়ে থাকে। যখন একটি পণ্য আমদানি করা হয় বা কারখানায় উৎপাদিত হয় সেখান থেকে খুচরা বিক্রি পর্যন্ত প্রতি ধাপে পণ্যটির ওপর যে মূল্য সংযোজিত হয়, সেই মূল্যের ওপর মূসক বসে। তবে এই কর আমদানি বা উৎপাদন থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে আরোপ বা আদায় করা হলেও......

বিভ্রান্ত পথিক

বিভ্রান্ত পথিক

কোজি বিচের উত্তর দিকে পাথরের ঢালে অনিল অনেকক্ষণ ধরে বসে আছে। আনমনা। কী যেন ভাবতে ভাবতে হঠাৎ একটি বড় পাথর নিয়ে-নিজের ডান হাতটাকে ছেঁচে ফেলতে উদ্যত হলো।

এরপর ভগ্ন কণ্ঠে পাগলের মতো বারবার বলতে লাগল, আমার কি হয়েছিল তখন? এ আমি কি করলাম। কেন করলাম?

বেশ কিছুক্ষণ আগলে রেখে একসময় পাথরটা ছুড়ে ফেলে আবার সাগরের পানে চেয়ে থাকে অনিল। স্নিগ্ধ কোমল একটা মুখ যেন ভেসে ওঠে সাগরের নীল জলে। যা হবার তা হয়ে গেছে। ওই দিন আর ফিরে আসবে না। তবে কেন আর ওসব নিয়ে ভাবা। ক্ষুদ্র এ জীবনের সুন্দর সুন্দর বছরগুলো তো চলেই যাচ্ছে। বাকি জীবনটা কী করে সুন্দর হবে ওই চেষ্টা করাই কী ভালো নয়। এত পরিশ্রমে গড়া......

মা জননী গর্ভধারিণী

মা জননী গর্ভধারিণী

রানা টাইগেরিনা, টরন্টো (কানাডা) থেকে : আমার জীবনের শৈশব কৈশোর ও আবাল্যবেলার সবটুকুই কেটেছিল আমার নানু বাড়িতে। নানাজানের অতি আদর আর ছোট খালামণির ভালোবাসা এই দুটি ছিল আমার মাতৃস্নেহ। তাই মায়ের স্নেহ কি জিনিস না জানলেও কাল্পনিক অনুভূতিতে সেটা হাতড়ে বেড়াই আর খুঁজে খুঁজে ফিরি।

প্রায় আট মাসের গর্ভাবস্থায় এক দ্বিপ্রহরে আমার মা ছোট মামার সঙ্গে নানু বাড়ি এসেছিলেন আমাকে দুনিয়ার মুখ দেখাতে।

নানু বাড়িতে আতুর ঘর নামে একটা ছোট্ট কক্ষ ছিল।

সেই ঘরে অন্যান্য খালাতো-মামাতো ভাইবোনদের মতো আমারও আগমন ঘটে এই পৃথিবীর বুকে।

অক্টোবরের বিশ তারিখে। সে হিসেবে আমি একজন তুলারাশির......

‘জনমের শোধ ডাকি গো মা তোরে’: ফারুক ওয়াহিদ

‘জনমের শোধ ডাকি গো মা তোরে’: ফারুক ওয়াহিদ

মা দিবস স্মরণে: ‘মা’ এক বর্ণের এক বিশাল সর্বজনীন নাম এবং পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মধুরতম শব্দ! ছোট্ট একটি শব্দ এই ‘মা’ নিয়ে কত ছড়া, কত কবিতা, কত গল্প, কত উপন্যাস-উপাখ্যান, কত গান রচিত হয়েছে- তার হিসেব কি কেউ রেখেছেন? এই মায়ের ভালোবাসাকে কি কখনও খন্ডন করা যায়? মায়ের ভালোবাসা বিজ্ঞানের মাপকাঠিতে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। এই মা-এর তুলনা যে একমাত্র এই মমতাময়ী মা-ই যার কাছে খুঁজে পাওয়া যায় মমতার সুশীতল স্নিগ্ধ ছায়া। মাকে পৃথিবীর যে ভাষাতেই ‘মা’ ডাকা হোক না কেন- সেখানে সমার্থক শব্দটিতে বাংলা বর্ণ ‘ম’ বা ইংরেজি ‘এম’ অক্ষরটা থাকবেই।

বিশ্ব মা দিবসে পৃথিবীর সব মা বিশেষ করে সকল বাঙালি......

মা যে আমার সাত রাজার ধন

মা যে আমার সাত রাজার ধন

কিশোরী মায়ের আদরের দুলাল, হয়ে গেছি বুড়ো

মায়ের কাছে আজও আমি রয়ে গেলাম ছোট।

মা বলে ডাকি যখন, বাবা বলে বলে, খোকন

একটুখানি অসুখ হলে, আজও মায়ের অশ্রু ঝরে।

খেলার মাঠে যেতাম যখন, মা আড়ালে দেখত তখন

একটুখানি হোঁচট খেলে, মা বলত উফ।

পড়ার টেবিলে রাত জাগলে, মা বসে থাকত পাশে

ভোর সকালে আজান হলে, তুলত আদরের ডাকে।

প্রবাসে আসি আমি যখন, মা যে আমার কাঁদে তখন

ফিরে গেলে মায়ের কোলে, কপাল চোখে চুমু আঁকে।

হামাগুড়ি, শৈশব, কৈশোর কিংবা যৌবনকাল

মায়ের কাছে কচি খোকা, হোক সে বৃদ্ধকাল।

মায়ের এক ফোঁটা দুধের ঋণ, কেউ শোধিতে না পারে

মা থাকিতে মা ডাকতে পারে না, সে যে অভাগারে।

প্রথম......

সর্বাধিক পঠিত