প্রবাসী লেখকদের কলাম

Displaying 141-160 of 443 results.
বাবার হাত ধরে এক পা দু পা

বাবার হাত ধরে এক পা দু পা

জাহাঙ্গীর বাবু

যার হাত ধাতের আংগুল ধরে

এক পা দু পা করে হাঁটতে শিখেছি

তিনি আমার বাবা।

বাবা এখন লাঠি ছাড়া এক পা ও

চলতে পারেন না।

বাবা এখন চেয়ারে বসে নামাজ পড়েন

বাবা আমায় লাল রঙ এর সাইকেল দিয়েছিলেন

সাইকেলে বসিয়ে পেছনে হাত রেখে দৌড়েছেন

পড়ে গেলে ঘাম মুছে দিয়ে, সাবাস বলে আবার

সাইকেলের সিটে বসিয়েয়েছেন।

বাবা এখন বিছানায় থাকেন বেশী

বাবার হাত ধরে গ্রামের হাঁটে যেতাম

বাবার সাথে গুলিস্থান হকার মার্কেট

বাংলাবাজার, কমলাপুর রেল ষ্টেশন

ময়মনসিং,গৌরিপুর,আখাউড়া,

পাকশী,শান্তাহার,আড়িখোলা,সিলেট

এক পা দু পা করে স্কুল,কলেজ,পলিটেকনিক

এয়ারপোর্ট......

বাবাকে উপহার দেওয়া হলো না

বাবাকে উপহার দেওয়া হলো না

লাবলু কাজী, নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : উপহার একজনের অন্তরের অনুভূতি অন্যের কাছে প্রকাশের একটি উত্তম বাহক। কখনো কখনো অন্যের কাছে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার একটি শক্তিশালী ও মূল্যবান উপায়। যা কিনা এটি কেনার জন্য কত খরচ হয়েছে এবং কতটা মূল্যবান তা নিয়ে বিচার করা যাবে না। এটি প্রিয়জনের কাছ থেকে তাদের হৃদয় থেকে পাওয়া একটি উপহার এবং কোনো অর্থই যা কিনতে পারবে না। এটি একটি ধারক ও পরিদর্শনকারী বন্ধুদের বা আত্মীয়স্বজনদের প্রশংসা করার জন্য সৌজন্যের প্রতীক। আধুনিক সমাজের জন্য উপহার দিতে পারা এবং এর চাকচিক্য ও দাম সফলতা আনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রেমিকদের......

যখন গ্রহণ লাগে

যখন গ্রহণ লাগে

আমার বয়স তখন সাত বছর। দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। ১৯৯৫ সাল। হঠাৎ একদিন শুনি সবাই বলাবলি করছে যে আজ সূর্যগ্রহণ। আমার এখনো মনে আছে, এই সূর্যগ্রহণের খবরে অনেককে দেখেছি উদ্দীপ্ত আবার অনেককেই দেখেছি বেশ উদ্বিগ্ন।

সকলের এ ব্যাপারে এত আগ্রহ দেখে আমারও আগ্রহের কমতি রইল না। সূর্যগ্রহণ দেখতে হবে। কিন্তু সকাল থেকে মায়ের কড়া নির্দেশ আজ কিছুতেই সূর্যের দিকে তাকানো যাবে না। তাকালেই নাকি চোখ নষ্ট হয়ে যাবে।

মাকে এর কারণ জিজ্ঞেস করতে, সংসারের শত কাজ সামলানোয় ব্যস্ত আমার মা অত ব্যাখ্যায় না গিয়ে, তিনি তার ছোটবেলায় শোনা সূর্যগ্রহণের গল্পটাই আমাকে শুনিয়ে দিলেন। গল্পটা এ রকম—এক রাক্ষস......

মার্কিন মুলুকে বাংলা সংস্কৃতির জয়ধ্বনি

মার্কিন মুলুকে বাংলা সংস্কৃতির জয়ধ্বনি

ফকির ইলিয়াস :  বিদেশে বাঙালিরা অনেক কিছুই পারেননি। কিন্তু যা পেরেছেন, তার সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে কি? এমন একটি প্রশ্নে আমি প্রায়ই ঘুরপাক খাই। অতি সম্প্রতি একটি প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তেমনি উষ্মা প্রকাশ করেছেন নিউইয়র্কের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টসের (বিপা) পরিচালক এ্যানি ফেরদৌস। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের এখানের স্থানীয় শিশুশিল্পীরা এখন বড়দের সাথে পাল্লা দিয়ে অনুষ্ঠান করছে। তারা বড়দের লেখা কবিতা আবৃত্তি করছে। গান গাইছে। কিন্তু তাদের গড়ে তুলতে মাসের পর মাস স্থানীয় সংগঠনগুলো যে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে, এর মূল্যায়ন হচ্ছে কি?’ তিনি বলেন, ‘বিপা বড় বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।......

প্রবাসে দেশীয় রাজনীতি ও দুর্বৃত্তায়ন

প্রবাসে দেশীয় রাজনীতি ও দুর্বৃত্তায়ন

মাহবুব সুয়েদ, লিসবন (পর্তুগাল) থেকে : আমি তখন ইংল্যান্ডে থাকি। ২০১০ সালের প্রথম দিকের ঘটনা। একদিন বাংলাদেশ হাইকমিশনে গেলাম জরুরি কিছু কাগজ সত্যায়িত করার জন্য। অনেক লম্বা লাইন ছিল। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। আর মাত্র একজন পরেই আমার সিরিয়াল। এমন সময় হাইকমিশনের ভেতরে ঢুকলেন বিএনপির যুক্তরাজ্য শাখার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা ওই বিএনপি নেতাকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে (তখন আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায়) আমার সামনে থাকা ভদ্রলোককে বললেন, ‘ওনাকে একটু সাইড দেন।’ বলে ওই নেতাকে সামনে আসার জন্য বিনীত স্বরে আহ্বান করলেন।

বিএনপির ওই নেতা সামনে......

উৎসব সর্বজনীন

উৎসব সর্বজনীন

পলাশ কামালী, হেলসিংকি (ফিনল্যান্ড) থেকে : আমাদের ভাষা-সংস্কৃতি গৌরবের। বাঙালির সাংস্কৃতিক বিনোদন ও ধর্মীয় উৎসবগুলো বহুলাংশেই সর্বজনীন। প্রবাসজীবনে আমরা বাঙালিরা নিজস্ব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগের ক্ষেত্রে যথারীতি সর্বদাই উদ্‌গ্রীব। তবে আমাদের নিজেদের গতানুগতিক দলাদলি, ব্যক্তিকেন্দ্রিক পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদি কারণে (যেটা আসলেই অপ্রত্যাশিত) সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো সর্বজনীন উৎসবের রূপ পেতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়।

লেখক

এই কিছুদিন আগে বাংলা নতুন বছরের বৈশাখী উৎসব ফিনল্যান্ডের হেলসিংকিতে আমরা......

বৃষ্টির বেড়ানো

বৃষ্টির বেড়ানো

ত্রিশতম মেঘের জ্বলন দেখে, চৌষট্টি থাকে হাসছে বিজলি হাসি,

মরুর বালি ধুলোর রঙে ওড়ে, মেঘের চোখকে দিচ্ছে দারুণ ফাঁকি।

তুমি যখন মেঘ বাড়িটার খোঁজে, আকাশ পথে দিচ্ছিলে পথ পাড়ি,

প্রিয় সাজে চোখে কাজল এঁকে, কুঁচির ভাঁজে জড়ায় জলো শাড়ি।

বৃষ্টি তখন নামছে উদল পায়,

বর্ষাতিহীন মুষল বরষায়।

দুই. মেঘের মেয়ের ছুটি

সারাটি দিন সারা রাত ঘুরে; মেঘের বিবশ ডানায়,

উড়েছি ভীষণ; খুশির উড়াল, সজল বরষায়।

মেঘ গুড় গুড়, গুড়ুম গুড়ুম; বিদ্যুৎ চমকায়,

আমার খুশি; বুঝবে সে কী, কাটায় যে ব্যস্ততায়?

মাটিতে ঘাসেরা হল্লা করেছে, কিশোরী দোপাটি ফুলে,

হাত ধরাধরি করে; নাচছে দেখ না, মেঘের ছোট্ট......

“আবার জমবে মেলা...”

“আবার জমবে মেলা...”

নন্দিনী রহমান,রয়্যালরোডসইউনিভার্সিটি, ভিক্টোরিয়া, ব্রিটিশ কলম্বিয়া : শিরোনামের গানটি যারা প্রবাসে এসে শুনেছেন তাদের বেশিরভাগই নতুন এক ধরণের আবেগের মুখোমুখি হয়েছেন বলে আমার ধারণা। আজথেকেদুবছরআগেঢাকাথেকেসিঙ্গাপুরহয়েদীর্ঘযাত্রাশেষেযখনভিক্টোরিয়াএয়ারপোর্টেপৌঁছেছিলামতখনবুঝেছিলামদেশেরসাথেসংযোগটাশিথিলহয়েগেলঃহয়তোদীর্ঘসময়েরজন্য।ছোট্ট, ছিমছিমএবংপ্রায়জনশূন্যএয়ারপোর্টথেকেবেরহবারপরট্যাক্সিতেকরেশহরেআসারপথেদুপাশেরবিরানপ্রান্তর,বনানীঘেরালেক, 

অচেনাগাছেরসারিদেখেমনেহচ্ছিলজনমানবহীনএইতল্লাটেনিজেকেমানিয়েনেওয়াসহজহবেনা।......

পরির সঙ্গে সাক্ষাৎ

পরির সঙ্গে সাক্ষাৎ

ইমদাদ বাবু, নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : রাত দুটোর পর এক পরির সঙ্গে আমাদের সাক্ষাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পরি কোনো মানবী নয়। একদম ডানাসহ পরি। অনিন্দ্য সুন্দরী সেই পরি। যার সঙ্গে বন্ধু রবিনের প্রেম-ভালোবাসা। আমি, বিপু ও মানিক আমরা এখন রবিনদের ড্রয়িংরুমে রুমে বসে আছি। সেদিন মঙ্গলবার। রাত দুটো বাজবে। আমরা ঘর থেকে বের হবো পরি দেখার জন্য।

রবিনদের বাংলোর পেছন দিকে বেশ কিছুটা হেঁটে গেলে বিশাল এক কড়ই গাছ। সে গাছের ডালে পরি পা ঝুলিয়ে বসে থাকবে। আমরা ওপরের দিকে তাকিয়ে পরিকে দেখব ও সালাম দেব। এই হচ্ছে সেই রাতের আমাদের কর্মপরিকল্পনা। বন্ধু বিপু ও মানিক একটু ভিতু টাইপের।......

কান্না বা চোখের জল মানেই আপনি সিরিয়াস

কান্না বা চোখের জল মানেই আপনি সিরিয়াস

সুদীপ্তা চৌধুরী, লন্ডন, যুক্তরাজ্য থেকে: চন্দ্রা চক্রবর্তী ব্রিটেনের শীর্ষ শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী। তাঁর সংগীত জীবনের শুরু চার বছর বয়স থেকে মা বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী মঞ্জু চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে। পরে আদি কৈশোরেই সংগীতে প্রভূত প্রতিভার জন্য ভারতের প্রধান শাস্ত্রীয় সংগীতপ্রতিষ্ঠান সংগীত রিসার্চ একাডেমিতে কনিষ্ঠতম স্কলার হিসেবে শুরু করেন সংগীত জীবনের নতুন অধ্যায়। সংগীত রিসার্চ একাডেমির তখন স্বর্ণ যুগ। সর্বকালের সেরা সব শাস্ত্রীয় সংগীত ডয়েনদের তীর্থস্থান। চন্দ্রা চক্রবর্তীর সঙ্গে ছেলেদের মাঝে কনিষ্ঠ স্কলার তখন আজকের পদ্মভূষণ ওস্তাদ রশিদ খান। তাঁর......

বিজ্ঞান কল্পকাহিনি বুমেরাং

বিজ্ঞান কল্পকাহিনি বুমেরাং

ডা. পুলক : কানাডার টরন্টোপ্রবাসী : উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলছে আশার গোপনীয় সভা কক্ষে। তুমুল বিতর্ক! হওয়ারই কথা। একজনের মতামত অন্যজনের পছন্দই হচ্ছে না। কেউ একটা প্রস্তাব দিলে অন্যজন তাচ্ছিল্যের সঙ্গে তা উড়িয়ে দিচ্ছে। মাঝে মাঝে এত হইচই হচ্ছে যে, কেউ কারও কথা শুনতেই পাচ্ছে না।

আশা (ASA) হলো মঙ্গল গ্রহের অ্যারোনটিক্যাল ও স্পেস অথোরিটি'র সংক্ষিপ্ত রূপ। আশার প্রধান নিউস অসহায় দৃষ্টি নিয়ে এই সব দেখছেন এবং একুশ দশকের এক বিখ্যাত কবির একটা বিরহের কবিতা আবৃত্তি করতে ইচ্ছে হচ্ছিল তার। কিন্তু কিছু বললে এখন সবাই মাথায় চেয়ার ছুড়ে মারতে পারে। তাই চুপ......

প্রবাসে নারীর জীবন

প্রবাসে নারীর জীবন

বিদিতা রহমান : নারীদের জীবন বরাবরই সংগ্রামময়। নারী হিসেবে আমরা জীবনে বিশেষ করে অনেক বাধার সম্মুখীন হই। আমাদের চারপাশে সফল নারীদের অবিশ্বাস্য উদাহরণ দেখতে পাই, যাঁরা সব বাধা উপেক্ষা করে এগিয়ে গেছেন। থেমে নেই তাঁদের গতানুগতিক জীবনের ভাবাবেগ, থেমে নেই তাঁদের সব কাজের ফাঁকে সংসারকে টিকিয়ে রাখা, থেমে নেই তাঁদের কিছু ইচ্ছাগুলোকে বিসর্জন দেওয়া। সবই চলছে, চলমান নির্ধারিত সমাজের ভাবাবেগের সঙ্গে এবং তাঁরা চালিয়েও যাচ্ছেন সভ্যতার চিত্রকে মানিয়ে চলতে। মাঝেমধ্যে বিস্ময় জাগে, চলে যাওয়া কঠিন বাস্তবতাকে কঠিনের মাঝে সহজ করে নেওয়া দেখলে। পরিবারের একান্ত বিষয়গুলোকে কতটাই সহনশীলতার......

পাঁচ হাজার জানালা

পাঁচ হাজার জানালা

রউফুল আলম, পেনসিলভানিয়া (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : চীনা ভাষায় আমেরিকার নাম হলো ‘মেইগুয়ো’। শব্দটির অর্থ বিউটিফুল কান্ট্রি—সুন্দর দেশ। আমেরিকার কি দেখে তারা সুন্দর দেশ নামে ডাকতে শুরু করেছিল সে তথ্য আমার জানা নেই। তবে একজন চাইনিজ সত্যিকার অর্থে আমেরিকাকে কি দৃষ্টিতে দেখে, সেটা জানতে হলে তার সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব থাকতে হবে আপনার।

আমেরিকার সঙ্গে চীনের একটা রাজনৈতিক সমস্যা হলো তাইওয়ান নিয়ে। তাইওয়ান বস্তুত দাঁড়িয়ে আছে আমেরিকার প্রত্যক্ষ সমর্থনে। চীন অবশ্য সম্মুখ শত্রুতায় যায় না সহজে। তারা খুবই কৌশলী জাতি। আর পরিশ্রমী জাতি হিসেবে তাদের খ্যাতি সারা দুনিয়ায়। তারা ধারে......

দূরত্বে থেকেও ভালোবাসি

দূরত্বে থেকেও ভালোবাসি

জাহাঙ্গীর বাবু, সিঙ্গাপুর থেকে : ছোটবেলা থেকেই আমার লেখালেখির অভ্যাস। এটা প্রবাসজীবনে আরও বৃদ্ধি পায়। কারণ জীবন তখন নিঃসঙ্গতায়। কলম চলে দুর্বার গতিতে ডায়েরি আর চিঠির পাতায়। কত লিখেছি মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির বুকে চিরে দিগন্তহীন রাস্তার মাঝে বালির টিলায়। বাবা চিঠি লিখতেন তখন সপ্তায় দুই-তিনটা। পাশের বাড়ির কার কী হলো থেকে শুরু করে হরতাল, সরকার, এমনকি বৃদ্ধ বয়সে কেউ বিয়ে সাদি করল কিনা সে খবরও পেতাম চিঠির পাতায়। বাবার চিঠি ছিল আমার কাছে সংবাদপত্রের মতো।

বিয়ে যে করেছি তার আগের এক বছর ছিল চিঠির প্রেম। বাবা তার ছবি পাঠিয়েছিলেন চিঠির খামে। সঙ্গে ঠিকানা। সেই এক দেখাতেই......

স্মৃতিতে ওসমানী নগর-বশীর উদ্দীন আহমেদ!

স্মৃতিতে ওসমানী নগর-বশীর উদ্দীন আহমেদ!

বশীর উদ্দীন আহমেদ্: ওসমানী নগর ,একটি নাম একটি ইতিহাস। মূক্তিযূদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গ বীর জেনারাল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীর স্মৃতি বিজড়িত দয়ামীর তার পিতৃ-পুরূষের বসতবাড়ী।কমল গঞ্জের মতই ওসমানী নগর নামে কোন শহর বন্দর কিম্বা হাট বাজার নেই! উপজেলার নাম ওসমানী নগর।কমল গঞ্জেও তাই।কমল গঞ্জ নামে কোন হাট বাজার শহর বন্দর নেই। সিলেটে আসলে যে কেউ যেমন হযরত শাহজালালের মাজার জিয়ারত করেন,ওসমানী নগরেও কেউ আসলে প্রথমেই ওসমানী সাহেবের পিতৃ পুরুষের ভীটে মাটি জিয়ারত (ভিজিট) করেন।আমার বেলায়ও তার ব্যাতিক্রম ঘটেনি।বাড়ীটি মহামান্য সরকার বাহাদুর সংরক্ষণ করেন নি! এমনকি প্রধান ফটকে......

প্রত্যাশা ও নিয়তির বিধান

প্রত্যাশা ও নিয়তির বিধান

আমার প্রবাসজীবন প্রায় দেড় যুগের বেশি। প্রবাসে জীবন ধারণের পথ চলায় বাঙালি ও বাংলাদেশের সুনাম ও ভাবমূর্তি নষ্ট করার ক্ষেত্রে আমাদের কৃতকর্ম কোনো অংশেই কম নয়। প্রবাসে বাঙালিদের ওঠাবসা, আড্ডা অথবা বন্ধুত্বের মাঝে দুটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়। এক. নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব (ফ্রেন্ডলি রিলেশনশিপ)। দুই. স্বার্থযুক্ত বাণিজ্যিক সম্পর্ক (কমার্শিয়াল ফ্রেন্ডলি রিলেশনশিপ)। এই দুইয়ের আবর্তে প্রবাসী বাঙালি কমিউনিটি ঘূর্ণমান।

প্রথম সম্পর্ক সব সময় বাঙালি কমিউনিটিকে শক্ত কাঠামো দিয়ে নিজ দেশীয় সুনাম বর্ধিত করে বলেই বিশ্বাস করি।

দ্বিতীয় সম্পর্কে শুধুই স্বার্থ জড়িত। আর এই স্বার্থ......

মেরির দুঃস্বপ্নের দায় কার?

মেরির দুঃস্বপ্নের দায় কার?

একটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছিল। কার্যত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে সব যুদ্ধের শেষ যুদ্ধ। এমনকি মানবজাতির ইতি ঘটানোর শেষ খাঁটি যুদ্ধ। বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, তিনি জানেন না, ঠিক কোনো অস্ত্র দিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হবে। কিন্তু চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ লাঠি আর পাথর দিয়ে হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন আইনস্টাইন।

গত সাত দশকের পাপের বোঝা এখন পরাশক্তির কাঁধে। যুদ্ধের দামামা বাজছে। এ যুদ্ধ কোথায় নিয়ে যাবে, এমন প্রশ্নের উত্তর কারও জানা নেই। যেমন জানেন না আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড......

প্রবাসীর মরদেহ সরকারি খরচে দেশে পাঠানো হোক

প্রবাসীর মরদেহ সরকারি খরচে দেশে পাঠানো হোক

মাহবুব সুয়েদ, পর্তুগাল থেকে:পৃথিবীতে মানুষ আসে একা, চলেও যায় একা। এটা নিয়তি, এটাই বাস্তবতা। সবাই চান মাঝখানের এই সফরে সুখ সমৃদ্ধি আর ভালোবাসার বৃত্তে থেকে জীবন কাটাতে। মা-বাবা, ভাই-বোন আর প্রিয়তমা স্ত্রী-সন্তানদের মুখের দিকে চেয়ে বা একটু আলাদা সুখ লাভের আশায় কিছু মানুষ পাড়ি দেন অন্য দেশে। জীবন আর জীবিকার টানে তিনি হয়ে যান পরবাসী। নিজ দেশ থেকে হাজার মাইল দুরে এসে থিতু এবং কষ্টার্জিত টাকাগুলো মাস শেষে দেশে থাকা প্রিয়জনের কাছে পাঠাতে বাধ্য হন। পশ্চিমা বিশ্বে যারা আসেন তারা হয়তো মানবাধিকার ভোগ করতে পারেন আজকাল, কিন্তু যারা মধ্যপ্রাচ্য বা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে যান জীবন......

উষা রঞ্জনের স্বপ্ন

উষা রঞ্জনের স্বপ্ন

পি আর প্ল্যাসিড, টোকিও (জাপান) থেকে : জাপানে কোনো কোনো বাংলাদেশির ইচ্ছা ও অক্লান্ত পরিশ্রম এনে দেয় তাদের সফলতা। পরবর্তীতে যার ফল ভোগ করেন তারা নিজেরা। কখনো কখনো ভোগ করি আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। এমনকি তাদের একক প্রচেষ্টার ফলে অর্জিত সফলতার সঙ্গে গৌরবের সঙ্গে জড়িয়ে যায় দেশের নামও। শুধু তাই নয়, তাদের একক প্রচেষ্টায় অর্জিত সাফল্যের জন্য উজ্জ্বল হয় বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশের নাম। জাপানে এমনই একজন সফল মানুষের নাম উষা রঞ্জন দাস (৪৭)। 

তিনি জাপানে এসেছেন ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর মাসে। ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ একাডেমি (চট্টগ্রাম) থেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে......

‘উপজেলা’ ও ‘গ্রাম সরকার’ সম্পর্কিত মিথগুলো বুঝতে হবে; স্থানীয় সরকারের প্রকার, স্তরসংখ্যা ও গন্তব্য ঠিক করতে হবে; গণস্বপ্ন ২০২০, গণস্বপ্ন ২০৫০ এবং নকলবাজী বাহাস বুঝতে হবে

বাপসনিউজ (হাকিকুল ইসলাম খোকন): স্থানীয় সরকারের প্রকার, স্তরসংখ্যা ও গন্তব্য আগে কেন ঠিক করতে হবে তা জানতে হলে, বুঝতে হলে বিদ্যমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও এর অতীত সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতে হবে; পাশাপাশি অতীতে স্থানীয় সরকারকে নিয়ে অবৈধ শাসকদের অসৎ উদ্দেশ্যমূলক কর্মকান্ড, তার ধারাবাহিকতা, কুফলগুলো ও মিথগুলো কিভাবে জনগণ, সরকার, রাজনৈতিক দল, সুশীলসমাজ ও এনজিওগুলিকে প্রভাবিত করে চলেছে তাও ভালভাবে জানতে হবে, বুঝতে হবে। এই লেখাটি অবয়বে ছোট্ট রাখতে কেবল বাংলাদেশ আমলের দুইজন অবৈধ শাসক এর অপকর্মের স্মারক হিসেবে “উপজেলা” ও “গ্রাম সরকার” সংক্রান্ত মিথগুলো ও এগুলোর......

সর্বাধিক পঠিত