প্রবাসী লেখকদের কলাম

Displaying 141-160 of 366 results.
কানাডীয়ান কোর্টের আদেশ উপেক্ষা: শিশু রোওজের মানবেতর জীবন ও উদ্ধারে বিড়ম্বনা

কানাডীয়ান কোর্টের আদেশ উপেক্ষা: শিশু রোওজের মানবেতর জীবন ও উদ্ধারে বিড়ম্বনা

জাহান(এডমন্টন থেকে)ঃ প্রবাস জীবনের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা নিয়ে অনেকেই লিখেন, প্রতিদিনই প্রকাশিত হচ্ছে এসব  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, গল্প-কবিতা-ছড়া সহ নানাহ খবর। তাদের দুঃখ গাথা নিয়ে নিবেদিত এমনই একজন সংবাদকর্মী সাইফুর হাসান, কানাডার আলবার্টা প্রদেশের এডমন্টন সিটিতে যার বসবাস। দৈনিক প্রথম আলোর প্রবাস পাতা সহ দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে নিয়মিত নিবন্ধ ও প্রতিবেদন লেখক। বাবা স্বনামধন্য লেখক, সাংবাদিক ও একাত্তুরের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশী কানাডিয়ান, জীবন-জীবিকার তাগিদে ইউরোপ হয়ে কানাডায় বর্তমানে বসবাসরত তাদের গোটা পরিবার। দেশে বসবাসরত সাইফুরের চাচা, ফুফু,......

বিএনপি রাজনীতির নতুন চমক =  সানাউল হক নিরু

বিএনপি রাজনীতির নতুন চমক = সানাউল হক নিরু

সাবাশ। বিএনপি রাজনীতিতে নতুন চমক, মহানায়কদের আবির্ভাব অত্যাসন্ন। পত্রিকার পাতায় চোখ রাখুন। বিএনপি রাজনীতির চিহ্নিত বেইমান ও বিশ্বাসঘাতক তৃপ্তি, বকুল, স্বপন, জেড এ খান এবং আরও অনেকের সাথে দরদাম চলছে _গোপন মিশন অন, নেত্রীর গ্রীন সিগনালে সব মীর্জাফররা চাঙ্গা। ঘোষণা দিয়ে চাঁদাবাজি চলছে, এযেন টাকা কালেকশনের খেলা। মনোহরদী বেলাব আসনের সাবেক এমপি ও সংস্কারপন্থি নেতা সর্দার শাখাওয়াত হোসেন বকুল বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দুহাতের টাকা উঠাচ্ছেন, টার্গেট ৫০ লক্ষ। এটি নেত্রীর ডিমান্ড, বাকী শিমূল বিশ্বাস, ফখরুল, শাহজাহান গংদের যাকে যা দিয়ে ম্যানেজ......

আওয়ামী লীগে গৃহ বিবাদ -বশীর উদ্দীন আহমেদ

আওয়ামী লীগে গৃহ বিবাদ -বশীর উদ্দীন আহমেদ

মন্ত্রীত্ব যাওয়ার পর যাওয়ার পর আমার কর্মস্থল ময়মন্সিং ফিরে যাওয়ার কথা। করাচি ত্যাগ করে ময়মনসিং যাওয়ার পথে খন্দকার আব্দুল হামিদের অনুরোধে কয়েক দিন ঢাকায় থেকে গেলাম।প্রধান মন্ত্রী আতাউর রহমান খান (যার পূত্র ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খাঙ্কে তিনি নিজে বিএনপিতে ভর্তি করান, এবং এরশাদেরত আমলে নয় মাস প্রধান মন্ত্রী ছিলেন) আমাকে ঢাকায় থেকে যেতে ও হাই কোর্টে প্রেক্টিস করতে অনুরোধ করেন।লীডার ও(হুসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী) একই পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলিলেন রাজনিতীর প্রয়োজনে আমার ঢাকা থাকা অবশ্যক। বাড়ী ভাড়া করিলাম।ময়মনসিং থেকে লাইব্রেরী ঢাকায় স্থানান্তর করিলাম।
আলী পুরে......

টাকা নাই, মায়ের লাশটা নেন পুলিশ ভাই!- বশীর উদ্দীন আহমেদ!!

টাকা নাই, মায়ের লাশটা নেন পুলিশ ভাই!- বশীর উদ্দীন আহমেদ!!

বরাবর,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আমি সুদূর কক্সবাজার থেকে জসিম উদ্দীন বলছি,
সি,এন,জি নামক তিন চাকার গাড়ি দিয়ে মৃত্যুর
পথযাত্রী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া যাবে কি?
নাকি সেই রাতের মত পুলিশ নামক নরপশুদের
থাবায় আমার "মা" কিংবা বাবার জীবনও রাস্তায়
মাঝে পথে থেমে যাবে?

সেই দিন রাতের কথা চকরিয়া থানার অধীনে
ডুলহাজারা পুলিশ ফাড়ির সামনে আমাদের সি,এন,জি থামানো হল, তখন রোগীর স্বজনদের চিৎকারে
আকাশটা ভারি হয়ে গেছে। আমি বাইক নিয়ে
রোগীর এক ছেলেকে নিয়ে গাড়ির সাথে সাথে
ছিলাম,গাড়ি যখন পুলিশ থামাল আমি সামনে চলে
আসলাম। পুঁলিশকে বুঝানোর চেষ্টা করলাম রাত ১১
টার......

বাংলা ভাষার টানে

বাংলা ভাষার টানে

মো. মোসাদ্দেকুর রহমান, কাগোশিমা (জাপান) থেকে : গিয়েছিলাম কাগোশিমা বিমানবন্দরে। প্রিয়মুখ ড. সাখাওয়াত ভাই ও ভাবিকে বিদায় জানাতে। পিএইচডি গবেষণা শেষে দেশে ফিরছেন। তাঁরা বোর্ডিংয়ের লাইনে দাঁড়িয়েছেন আর আমরা পাশে গল্প করছি। এমন সময় কেউ একজন বলে উঠ​লেন, স্লামালাইকুম।

সবাই ফিরে তাকালাম। দেখি এক জাপানিজ দম্পতি।
আপনারা কি কাগোশিমায় থাকেন?
মুহূর্তের জন্য সবাই হতবাক হয়ে গেলাম। নিজের চিরচেনা ভাষাটিকেই কেমন যেন ভীষণ অচেনা লাগল। কিছুটা সুস্থির হয়ে ইকবাল ভাই জবাব দিলেন, হ্যাঁ।
তাঁরা বললেন, আমরা অনেকক্ষণ থেকেই আপনাদের দেখছি, বাংলায় কথা বলছেন। তাই এগিয়ে এলাম।......

যা' দেখিলাম যা'শিখিলাম!- বশীর উদ্দীন আহমেদ!!

যা' দেখিলাম যা'শিখিলাম!- বশীর উদ্দীন আহমেদ!!

আমাদের রাজনীতিকরা একটু ঠান্ডা লাগলেই বিদেশে যান চেপ আপ করাতে ! এয়ার এম্বুল্যান্সে দিয়ে এয়ার লিফট ও করা হয়!! তাদের জীবিন মূল্যবান! কেউ কেউ আবার চিকিৎসার জন্য বিদেশে গিয়ে মরহুম হয়ে ফিরে আসেন! খাদিজাদের কপালে সেই সুযোগ নেই! কেন নেই! সদিচ্ছা থাকলে অসম্ভব কিছু ছিলনা! অন্তত কিছুটা প্রায়াশ্চিত্ত করা যেত! বিশেষ কারণে আমাকে কয়েকবার দিল্লী কোলকাতা যেতে হয়। হোটেল প্যাক্ট বাংলাদেশী। কেন এসেছেন?? চেক আপ!! আর সাথে বিলাশ ভ্রমন ও আর লেভীস কেনা কাটা! তারাও জানেন বাংলাদেশীরা পয়সাওয়ালা(রাস্ট্র ধনী না হলেও) ।দুধাল গাভী তাই বাংলাদেশী অতিথীদের যত্নও আলাদা! দুহাতে মাল খরচ করেন!! আশার কথা আমাদের......

স্মৃতিচারণ কানাইঘাট!! = বশীর উদ্দীন আহমেদ

স্মৃতিচারণ কানাইঘাট!! = বশীর উদ্দীন আহমেদ

কথায় বলে "পান পানি নারী ,এত তিনে জৈন্তা পূরী!"! প্রকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব লীলাভূমি সিলেটের জৈন্তা পুর অঞ্চল! কানাইঘাট,গোয়াইন ঘাট ও জৈন্তা উপজেলা সমন্বয়ে জৈন্তা পুর অঞ্চল! জানা যায়  এককালে আলাদা জৈন্তা রাজ্য ছিল। রাজধানি ছিল জৈন্তায় ! রাজবাড়ী এখন ও বর্তমান!! এই অঞ্চলের মানুষ খুবই শজ সরল ও অতিথী পরায়ন! আমার চাকুরী জীবনের এক উল্ল্যখযোগ্য অন্ড জূড়ে রয়েছে জৈন্তা এলাকা! এ'প্নচলের মানুষের কথ্য ভাষাও ইন্টারেস্টিং! আসুন একটু স্মৃত চারণ করি!

মানুষ বৃদ্ধ হলেও তার মন নাকি সরস থাকে!! আমারো হয়েছে সেই অবস্থা! মানুষকে নাকি তার "আছল" মূলের দিকে টানে!! ইদানিং আমার বিভিন্ন কর্মস্থলের......

রসিদ পুরের নূর মাস্টার-আলোকিত মানুষ!!-বশিড় উদ্দীন আহমেদ।।

রসিদ পুরের নূর মাস্টার-আলোকিত মানুষ!!-বশিড় উদ্দীন আহমেদ।।

কমল গঞ্জের পতনুষার   উষার হাই স্কুলের আমার শ্রদ্ধেয় নূর মাস্টার ভাই ও শিক্ষক ছিলেন। তিনি ছিলেন অসম্ভব মেধাবী!! ১৯৭৬ সালে যখন পাশের হার ৪% চট্টগ্রাম বিবি(ভিসি আবুল ফজলের আমল) তখন তিনি বিএ পাশ করেন।দীর্ঘ অসুস্থতার কারণে শক্ষা জীবনে গ্যাপ ছিল। পরে উনাকে আমরা ফেঞ্চু গঞ্জের মানিক কোনা হাইস্কুলে ও মৌলবী বাজার পৌর সভা হাইস্কুলে নিয়ে যাই( উনার আগ্রহ নেই আমাদের আগ্রহে),প্রেসিডেন্ট এরশাদ ক্ষমতা দখল করে কিছু থানাকে আপ গ্রেড করেন প্রাথমিক ভাবে কয়েক জন টীএন ও ও ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। প্রচন্ড মেধাবী নূর মাস্টার ভাই সেই পরীক্ষায় টিকে যান। কিন্তু সমস্যা......

বিশ্বজিৎ, খাদিজা বনাম তনু এবং মানবতা = মানিক শিকদার

বিশ্বজিৎ, খাদিজা বনাম তনু এবং মানবতা = মানিক শিকদার

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের অবরোধের মধ্যে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে একটি মিছিল। হঠাৎ বোমার শব্দ কোন কিছু না বুঝেই ভয়ে দৌড় দেয় তরুনটি, তার এই দৌড় দেখেই সন্দেহ হয় বীর পুরুষদের ধর ধর বলে হামলা চালানো হয় এক তরুনের উপর, চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে ক্ষত বিক্ষত করা হয় তাকে। আর যারা মহা উল্লাসে এই বীর কর্ম সম্পাদন করে তা মুলত: অবরোধ বিরোধী। সরকারের পক্ষেই তাদের এই অভিযান, প্রাথমিক ভাবে বীর পুরুষরা ধারনা করেন  `টার্গেট’  বিএনপি জামাতের কর্মী! নিজেকে বাঁচানোর জন্য আপ্রান চেষ্টা করে ছেলেটি প্রাণপনে দৌড়ায় কিন্তু বীর পুরুষরা তার পিছু ছাড়ে না। ওই......

অন্নপূর্ণা (একটি নতুন গল্প) = যুথিকা বড়ুয়া

অন্নপূর্ণা (একটি নতুন গল্প) = যুথিকা বড়ুয়া


এক

পাখীর কলোরবে ঘুম ভেঙ্গে গেল পামেলার। পূর্ব দিগন্তের প্রান্তরে উষার প্রথম সূর্য্যরে কোমল রক্তিমাভা জানালার পর্দা ভেদ করে আবিরের মতো লাল হয়ে ছেয়ে গিয়েছে সারাঘর। ভোরের ¯িœগ্ন মৃদু শীতল বাতাস আমোদিত হয়ে আছে, রংবেরং-এর ফুলের মধুর সৌরভে। কি আনন্দময় হাস্যোৎজ্জ্বল সকাল! যেন সমন্ত মানুষগুলিকে অভিবাদন জানাচ্ছে আর অকুণ্ঠভাবে আহ্বান করছে, প্রকৃতির মন মাতানো বৈচিত্র্যময় রূপ আস্বাদন করার জন্য। চারিধারে হৃদয় আকুল করা কি মধুর আবেশ! ছুঁয়ে যায় মন-প্রাণ, সারাশরীর। ভরে ওঠে পরিতৃপ্তিতে।
 
চোখ মেলতেই চারিদিকে প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্যের সমাহার এবং প্রাণবন্ত উচ্ছাসের টানে......

ডোনাল্ড ট্রাম্পও আমেরিকান সাংবাদিকতা

ডোনাল্ড ট্রাম্পও আমেরিকান সাংবাদিকতা

আমেরিকার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের সর্বাধিক প্রচারসংখ্যার দৈনিক দ্য অ্যারিজোনা রিপাবলিক ১২৬ বছরের পুরোনো সংবাদপত্র। রক্ষণশীল মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক আদর্শের প্রচারক এই পত্রিকা সব সময় রিপাবলিকান দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এসেছে। প্রকাশনার শুরু থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আমেরিকার প্রতিটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেই পত্রিকাটি সুস্পষ্ট ভাষায় রিপাবলিকান দলের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে।
কিন্তু গত ২৭ সেপ্টেম্বর পত্রিকাটি এক বিরাট ব্যতিক্রমী কাজ করেছে। রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাদ দিয়ে একদম সোজাসাপ্টা সমর্থন ব্যক্ত করেছে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী......

রকম ফের!! বশীর উদ্দীন আহমেদ!!

রকম ফের!! বশীর উদ্দীন আহমেদ!!

ফন্দিফিকির! লূটপাটের রকম ফের!! বোবার নাকি শত্রো নেই! কিন্তু বোবা হয়ে থাকাটি মনে হয় পৃথিবীর সব চেয়ে কঠিন কাজ!! তাই আমিও বোবা হয়ে থাকতে চাই কিন্তু পারিনা! আমার এই অনিচ্ছাকৃত অপারগতার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী! প্রায়রিটি বা অগ্রাধিকার কাহাকে বলে?? অন্ন বস্ত্র চিকিৎসা শিক্ষা বাসস্থান যোগাযোগ নাকি স্টেডিয়াম!! নাকি সরকারী মডেল মসজিদ,নাকি সরকারী গোরস্থান??
প্রতি উপজেলায় একটি আদর্শ সরকারী মসজিদ!! প্রতি উপজেলায় একটি আধুনিক স্টেডিয়াম!! একই ডিজাইনে লক্ষ শহীদের সমাধি নির্মান!! যে সকল মন্ত্রনালয়/বিভাগে সচরাচর লুটপাটের সুযোগ সুবিধে নেই তারা নানা কৌশল ফন্দী -ফিকীর করেন কিভাবে আখের গোছানো......

আমাদের প্রবাসজীবন

আমাদের প্রবাসজীবন

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া) :: আমরা জীবন-জীবিকার তাগিদেই দূর প্রবাসে আছি। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন প্রায় কোটি কোটি বাংলাদেশি। এর মধ্যে বিরাট অংশ মধ্যপ্রাচ্যে। ইউরোপ, আমেরিকা, মালয়েশিয়া, জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ পৃথিবীর বহু দেশে বাংলাদেশিরা প্রবাসী হিসেবে আছেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক জায়গায় ও এক মঞ্চে আনার উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে ইউরোপের বাংলাদেশিদের সংগঠন অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (আয়েবা)।
আগামী ১৯-২০ নভেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটের প্রস্তুতি হিসেবে আয়েবার নেতারা স্বাগতিক......

লন্ডনের থানা বনাম বাংলাদেশের থানা

লন্ডনের থানা বনাম বাংলাদেশের থানা

দুই লাখ আশি হাজার জনসংখ্যা অধু্যষিত একটি কাউন্সিলের পুলিশ কমান্ডার তিনি। তাঁর অধীনে চারটি থানা। তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ৬৫০ জন পুলিশ। অথচ তাঁর চলাফেরা একেবারেই সাদামাটা। সিভিল পোষাকে থানা ভবনের ছোট একটি রুমে বসে কাজ করেন। কোমরে ওয়াকিটকি আর পিস্তলও ঝুলানো নেই। দরজার সামনে মুর্তির মতো দণ্ডামান কোনো পুলিশ গার্ড নেই। অন্যান্য পুলিশ কনস্টেবলদের সঙ্গে কথা বলেন সহকর্মীর মতো। পুলিশ অফিসাররা কখনো স্যার বলেন না। নাম ধরেই সম্বোধন করেন তাঁকে। রুমে প্রবেশের সময় হাত-পা দিয়ে স্যালেউট করেননা । কমান্ডারের টেবিলের পাশে একপায়ে দাঁড়িয়ে স্যার স্যার বলতে বলতে ফরমায়েশ শোনার......

কবি শহীদ কাদরী স্মৃতির আড়ালে আরো কত স্মৃতি = এবিএম সালেহ উদ্দীন

কবি শহীদ কাদরী স্মৃতির আড়ালে আরো কত স্মৃতি = এবিএম সালেহ উদ্দীন

এবিএম সালেহ উদ্দীন : নিউইয়র্ক থেকে : মানুষের স্মৃতি সতত বিরাজমান। একজন মানুষ যতক্ষণ পৃথিবীতে বেঁচে থাকবেন তার অতীত এবং স্মৃতি সর্বদাই তার সঙ্গে থাকবে। এই ক্ষেত্রে দু:খের বদলে সুখের স্মৃতি অনেকটা মধুময় এবং জীবন্ত থাকে। আবার দু:খের স্মৃতিও মানুষকে অহর্নিশ কাঁদায়।  আর স্মৃতিকে কেউ ভুলে থাকতে পারে না। এখানে ওস্কার ওয়াইডের সেই বিখ্যাত উক্তিটি উল্লেখ করা যায়Ñ‘স্মৃতি হচ্ছে এমন ডায়েরি যা আমরা সকলেই বয়ে বেড়াই’। তেমনই সুখ-দু:খের হাজারো স্মৃতির ডালা নিয়ে কত মানুষের......

কাশ্মীর সমস্যা ও তার সমাধান- বশীর উদ্দীন আহমেদ!!

কাশ্মীর সমস্যা ও তার সমাধান- বশীর উদ্দীন আহমেদ!!

সমস্যা যত জটিল তার সমাধান তত সহজ! আর সম্যসা যত সহজ তার সমাধান তত জটিল!!
বৃটিশ বেনিয়ারা যখন ভারত ছেড়ে যেতে বাধ্য হয় মহাত্মা গান্ধীর অহিংস ও আসহযোগ আন্দোলনের  তোড়ে তখন তারা তাদের চিরাচরিত নীতি "ডিভাইড এন্ড রুল" অনুসরন করে ভারত বর্ষের স্থায়ী বিবাদ সৃষ্টি করে যেতে চাইল। শের-এ  বাংলার ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবানুসারে যে সকল রাজ্যে মুসলিম সংখ্যা গরীস্ট সেখানে মুসলিম রাস্ট্র ও যেখানে হিন্দু সংখ্যা গরীস্ট সেখানে হিন্দু রাস্ট্র অর্থাৎ একাধিক রাস্ট্র গঠনের কথা ছিল।কিন্তু বৃটিশ সেই দিকে না গিয়ে একটা গোজামিল করে স্থায়ী অশান্তি প্রতিস্টার ও ভারত বর্ষকে দুর্বল করার প্রয়াসে......

যুক্ত ফ্রন্টের প্রচার কার্য্য শুরু- বশীর উদ্দীন আহমেদ

গোড়ার দিকে প্রচার কার্য্যে কোন সিস্টেম ছিলনা। হক সাহেব ও ভাসানী সাহেবের সফর সূচীই ছিল একমাত্র ভরসা।উভয় নেতার জন প্রিয়তা ছিল আকাশ চুম্বী। ফলে তাতেই আমাদের কাজ  চলিয়া যাইত কিন্তু নিশ্চিত হইবার উপায় ছিলনা। কিন্তু পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী বগুড়ার মোহাম্মদ আলী ও প্রাদেশেক প্রধান মন্ত্রী নূরুল আমীন মুসলিম লীগ কর্মী বাহিনী ও "গ্রীণ শার্ট" নামক স্বেচ্ছা সেবক বাহিনী লইয়া মাঠে নামিলেন। তার উপর আইজি,ডিয়াইজি,জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কমিশনারগণো তাদের বাহিনীতে যোগ দিলেন।মোহাম্মদ আলী স্পেশীয়াল ট্রেনে দেশ ভ্রমন ও প্রচার শরু করিলেন। কায়েদে আযমের বোন মিস ফাতেমা জিন্নাহ ও মৌলানা......

আওয়ামী লীগের জন্ম, যূক্তফ্রন্ট গঠন ও মুসলিম লীগের ভরাডুবি(২)-বশীর উদ্দীন আহমেদ

আওয়ামী লীগের জন্ম, যূক্তফ্রন্ট গঠন ও মুসলিম লীগের ভরাডুবি(২)-বশীর উদ্দীন আহমেদ

যূক্তফ্রন্ট গঠনের গোড়ার দিকে দুই দলের কোন কোন উপনেতার মধ্যে কোন কোন বিষয়ে মন-কষাকষি হইল। সেই  মন কষাকষি  দুই প্রধান নেতা মওলানা ভাসানী ও হক সাহেব পর্যন্ত্য সংক্রমিত হইল। ফলে যূক্তফ্রন্টের ভিত্তী পাকা হইতে অযথা বিলম্ব হইল। ফ্রেন্ট ভাঙ্গিয়া যায় যায় আর কি!! উভয় দলের সমর্থকগণ ঢাকায় বিক্ষুব পালটা বিক্ষুব দেখাইলেন। খোদা খোদা করিয়া শেষ রক্ষা পাইল। শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাহেবের দুরদর্শীতা ও আত্নত্যাগের মাধ্যমে এটা সম্ভব হইল। হক -ভাসানী -সোহরাওয়ার্দী সমন্বয়ে সুপ্রিম নিমিনেটিং বোর্ড গঠিত হইবে এটা স্পস্টই বুঝা গেল। ইহাতে আওয়ামীলীগের পাল্লা ভারী হইয়া যাইবে ,কৃষক শ্রমিক......

যূক্তফ্রন্ট গঠন ও মুসলিম লীগের ভরাডুবি!- বশীর উদ্দীন আহমেদ

যূক্তফ্রন্ট গঠন ও মুসলিম লীগের ভরাডুবি!- বশীর উদ্দীন আহমেদ

১৯৫৩ সালের মে মাসে ময়মনসিংহ শহরে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের বিশেষ কাউন্সিল অধিবেশন আহ্বান করা হইল। ভাসানী ও শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে ছাত্র-জনতার সক্রিয় সমর্থনে  ইতিমধ্যেই আওয়ামী মুসলিম লীগ খুবই জন প্রিয় প্রতিস্টানে পরিণত হয়েছে। অভ্যররথনা কমটির সভাপতি হিসেবে আমি যুক্ত ফ্রন্ট (শেরে বাংলা ফজলুল হকের দলের সাথে) গঠনের পক্ষে যূক্তি দেই। আবেদন জানাই। শেষ পর্য্যন্ত কাউন্সিল কৃষক-শ্রমিক প্রজা পার্টির সাথে  যুক্ত ফ্রন্ট করার অনুমতি দেয়। অতপর হক সাহেন ও ভাসানী সাহেব যৌথ বিবৃতি দিয়ে যুক্ত ফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত ঘোষনা করেন।যৌথ ইস্তেহার রচনার ভার আমার উপরই......

আওয়ামী লীগের জন্ম ও সংগঠনে বাধা!!-বশীর উদ্দীন আহমেদ!

আওয়ামী লীগের জন্ম ও সংগঠনে বাধা!!-বশীর উদ্দীন আহমেদ!

১৯৫০ সালে মওলানা ভাসানী ও জনাব শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাহেব আওয়ামী লীগ সংগঠনে ময়মন্সিনহ আসিলেন।প্রধান মন্ত্রী নূরুল আমীনের লাঠীয়াল জনবা মোনেম খার নেতৃত্বে এষরে মুসলিম লীগ কর্মীরা একেবারে ক্ষীপ্ত! [ উল্লেখ্য যে আয়ূবের এই পাছাটা গোলাম পরে আয়ূবের বদান্যতায় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর নিযোক্ত হয়]। নেতৃবৃন্দ আসিতেছেন শুনিয়া মুসলিম লীগ কর্মীরা স্বয়ং মোনেম খার নেতৃত্বে মাইকে পোস্টারে এই দুই বয়োজেস্ট শ্রদ্ধেয় নেতার বিরুদ্ধে অশ্লীল কটু-কাটব্য শুরু করিলেন।শেষ পর্যন্ত গুন্ডামী করিয়া আমাদের সভা ভাঙ্গিয়া দিলেন।গুন্ডামীটা করিলেন অতিশয় ভদ্রভাবে।টাউন হল ময়দানে সভা! একপাশে টাউন......

সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত