প্রবাসী লেখকদের কলাম

Displaying 161-180 of 429 results.
জাপানি বসন্তে সাকুরা ও রূপসী 'ঐরান'দের র‍্যালি

জাপানি বসন্তে সাকুরা ও রূপসী 'ঐরান'দের র‍্যালি

হ-বাংলা নিউজ :  আধুনিকতার প্রতাপে ঐতিহ্যবাহী কিমোনোর প্রভাব কমেছে। এখন জাপানি নারীরা বিশেষ দিন ছাড়া কিমোনো পরে না বললেই চলে। প্যান্ট-শার্ট পরে, ফ্যাশন করে। তাছাড়া কিমোনো দামেও অনেক বেশি, একেকটি ২০ হাজার ইয়েন থেকে শুরু করে ২০ লাখ ইয়েন পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিমোনো, সাধারণ কাজবান্ধব নয়! কয়েক স্তরে রঙিন ভারি কাপড় পরতে হয়, অনেকটা গরম! কর্মক্ষেত্রে জাপানি নারীর সমান অংশগ্রহণে কিমোনোর জনপ্রিয়তা কমেছে। তারপরেও প্রতি বাড়িতে কিমোনো আছে, অন্তত জনপ্রতি একটি দামি কিমোনো......

প্রবাসে মানবতা বন্দী সব মিথ্যার মোড়কে ঢাকা।

প্রবাসে মানবতা বন্দী সব মিথ্যার মোড়কে ঢাকা।

জাহাঙ্গীর বাবু,হ-বাংলা নিউজ : সিংগাপুরে  অভিজাত পাওয়ার ফুল সাপ্লাই কোম্পানী লোক আনিতেছে দেদারছে। ফেরত যাইতেছে দেদারছে।পাব্লিক সহ্য করিতেছে দেদারছে।মাঝে মইধ্যে কথা হইলে দু:খ করিতেছে দেদারছে কিছু দেশী ভাই আইপি ব্যাবসা করিতেছে দেদারছে।কেউ ড্রাইভার,ফোরম্যান হইয়া ভালো আছে দেদারছে।কেউ ক্ষোভে আছে দেদারছে।আসবেন,আসতেই হবে, নিজের অর্থের শ্রাদ্ধ নিজেই করেন দেদারছে। বেশির ভাগ লোক ভালো নেই।শতকরা দশ বিশ ভাগ ভালো থাকলেও বাকীরা ভালো নেই। বিল্ডিং কন্সট্রাকশনের কাজ কমে গেছে।লেভী সরকারী ট্যাক্স বেড়েছে।খরচ বেড়েছে।ভোর......

কানাডায় পড়ালেখা চালিয়ে যেতেই হয়

কানাডায় পড়ালেখা চালিয়ে যেতেই হয়

ইমাম উদ্দিন,টরন্টো, কানাডা থেকে:ভিকি লাইফ লং লার্নার। হোয়াইট কানাডিয়ান। পেশায় ডাক্তার। পিএইচডি করেছে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগেরি থেকে। তাঁর সাথে আমার দেখা হয় টরন্টোর জর্জ ব্রাউন কলেজে। আমি ছিলাম ক্যারিয়ার এন্ড ওয়ার্ক কাউন্সেলর ডিপ্লোমা প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী। ভিকিও। লিংকড-ইন প্রোফাইলে তাঁর পড়াশোনা আর ক্যারিয়ার দেখে আমি অবাকই হয়েছিলাম। তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এটা কেন পড়তে এসেছো? ’ক্যারিয়ার চেইঞ্জ। ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং প্রফেশনে আসতে চাই।’

শুধু ভিকি নয়, সে সময় আমার সহপাঠিদের মধ্যে ৭৯% কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রীধারী......

পুষ্পিতার কান্না

পুষ্পিতার কান্না

উন্মুক্ত একটা শূন্যতা চারদিকে। অবিরাম একটা ঘোর। একটা রহস্য। কিছু বুঝতে পারা না পারার আবছা আকস্মিকতা। কিছু ভ্রম, কিছু সত্য, কিছুটা অবিশ্বাস। সবকিছুর দোলাচলে ঘূর্ণমান কিছু ভাবনা মারপ্যাঁচ খেলতে থাকে পুষ্পিতার ভেতর। টিভির সুইচ অন করে টিভির পাশের থেকে রিমোট নিয়ে সোফায় বসে। একের পর এক চ্যানেল ঘোরাতে থাকে। কোনো কিছুতেই মন বসছে না। মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে আছে। মনটা বেশ ভারিও লাগছে। এই মুডে থাকলে সে সিগারেট জ্বালিয়ে টানতে থাকে। এখন মা রাহেলা বাসায় থাকায় সিগারেটের দিকে হাত বাড়াচ্ছে না। হাতটা যাচ্ছে শুধু রিমোটের বাটনের ওপর। টিভি পর্দার প্রত্যেকটা চ্যানেলের মতো যদি মনের পর্দা......

প্রবাসীরা দেশে ফোন করেন সুখের আশায়

প্রবাসীরা দেশে ফোন করেন সুখের আশায়

প্রতিদিন বাসা থেকে বের হয়ে যখন ট্রেন স্টেশনে আসি তখন সেখানে নির্মাণসংশ্লিষ্ট কাজ যারা করেন, তাদের একবেলা কাজ হয়ে যায়। ওখানে নির্মাণাধীন এমআরটি (ট্রেন) স্টেশনে কাজ করেন অনেক বাংলাদেশি। ওই সময় তারা স্টেশনের ফ্লোরে বসে বাসা থেকে আনা কাগজে মোড়ানো খাবারের পোঁটলা খুলে দুপুরের খাবার খান। প্রায় দিনই আমি এটা দেখতে পাই। 

কয়েক দিন আগে বাসা থেকে বের হতে আমার সামান্য দেরি হয়। যখন আমি ওই এলাকায় পৌঁছাই তখন তাদের সবার খাবার খাওয়া শেষ। দেখতে পেলাম, তারা বেশির ভাগ কানে ফোন লাগিয়ে কথা বলছেন। হয়তো দেশে কারও সঙ্গে কথা বলছেন—স্বজন, প্রিয়জন বা আপনজন। প্রায় সবাই হাসিমুখে কথা বলছেন।......

পাতানো স্বপ্ন

পাতানো স্বপ্ন

সু’ বলেই ডাকতাম মেয়েটিকে। সুহাসিনী থেকেই সু। রাজ্যের আকণ্ঠ ভালো লাগায় ঠাসা এই নাম। এই নামটি যেন আমার হৃদয়ে গেঁথে গিয়েছিল সযতনে!

আট-দশটা সাদামাটা প্রেমের গল্পের মতো আমাদের সম্পর্কের শুরুটাও হয়েছিল বন্ধুত্ব দিয়ে। তারপর বন্ধুত্বের মাঠ পেরিয়ে ভালোবাসার আশ্রয়ে নিজেদের পারস্পরিক সমর্পণ।

তুমুল বৃষ্টি মাথায় নিয়ে একতোড়া বকুল আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেছিল—এই ফুলগুলোতে তুমি কি দেখ?

কি অর্থ হতে পারে এই বাক্যটার? কোনটার কথা বলতে চেয়েছিল।

ওই বকুল তোড়া, ওই বৃষ্টিস্নাত মিষ্টি হাসিটা নাকি আমার হাতে তার নিজস্ব সত্তাকে সমর্পণ করার ইচ্ছেটা? কোনটার কথা বলতে চেয়েছিল।

......

আমাদের বটমূল

আমাদের বটমূল

জাফরিআলকাদরী, মিশিগানথেকে : ঢাকার বৈশাখী মেলার সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী বিষয়টা কি? অবশ্যই রমনার বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। আমরা যারা ৮০ বা ৯০ এর দশকে ঢাকায় বড় হয়েছি, তাদের কাছে এর আকর্ষণ কেমন সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিদেশে এসে প্রথম যে অনুভুতি হয় বাঙ্গালীর তা হল সুতো কেটে যাওয়া। কোথায় যেন সব হারিয়ে যায় প্রানের রসগুলো। তাই নস্টালজিয়া থেকেই হোক কিংবা প্রাণের খোরাক মেটাতেই হোক, প্রবাসে কিছুদিন থাকার পরেই বাঙ্গালী জড়িয়ে পড়ে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে। যারা দেশে থাকতে প্রত্যক্ষভাবে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন তারা তো বটেই, যারা ছিলেন না তারা এগিয়ে আসেন নানাভাবে এসব আয়োজনে......

নড়াইল এক্সপ্রেস

নড়াইল এক্সপ্রেস

নড়াইল এক্সপ্রেস  

জাহাঙ্গীর বাবু 

নড়াইল এক্সপ্রেস নাড়িয়ে দিলো 

কোটি মানুষের হৃদয় 

লাল সবুজের উড্ডীন পতাকা হাতে 

ম্যাশ,মাশরাফি,নড়াইল এক্সপ্রেস এর জয় । 

কাটা,ছেড়া ,শরীর ,ভাঙা হাঁড় 

থামাতে পারিনি ভালোবাসা দেশ মাতৃকার, 

দেশের তরে দিয়েছে উজাড় করে শতভাগ 

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে 

মাশরাফি বিন মর্তুজা  উজ্জ্বল নাম। 

ক্লীন ইমেজ ,ইস্পাত কঠিন কমিটমেন্ট 

চোখে যার পজেটিভ ক্রিকেটের বাংলাদেশ 

মানবতার তরে কাঁদে যার মন 

মাশরাফি বিন মর্তুজা তার নাম.

নড়াইল নয় শুধু পুরো বাংলাদেশের গর্ব 

দলনেতা ,ক্যাপ্টেনের......

জার্মানিতে ৪০ বছর: অবশেষে ছাত্র ভিসা

জার্মানিতে ৪০ বছর: অবশেষে ছাত্র ভিসা

আমি তখন মেঝ থেকে কাগজগুলো উঠিয়ে দাঁড়িয়েছি। তখন দেখি দরজা দিয়ে দীর্ঘকায় সৌম্য চেহারার একজন ভদ্রলোক কক্ষে প্রবেশ করলেন।

গত পর্বে  বলছিলাম, ছাত্র ভিসা নিতে এসে ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে আমার দুর্ভোগের কথা। উনি আমার ছাত্র ভিসার আবেদন দিতে চাননি। আমার সব কাগজপত্র ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। তবে এই ভদ্রলোকটি এসে দোভাষী সাক্সেনাকে কী যেন জিজ্ঞেস করলেন। সাক্সেনা তাকে উত্তর দিলেন। তখন তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কী হয়েছে মিস্টার?

আমি তাকে বললাম, আমি ছাত্র ভিসার জন্য এসেছি কিন্তু ৩১৩ নম্বর রুমের লোক সেই আবেদন চুড়ান্তভাবে নাকচের কথা বলার জন্য দোভাষীর ঘরে নিয়ে এসেছেন।

তিনি......

ফ্রান্সের সাদা বরফের গল্প

ফ্রান্সের সাদা বরফের গল্প

ফ্রান্স দেশটা আমার কাছে ছবির মতো একটি দেশ। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে আমার কাছে ফ্রান্স দেশটা একটু বেশি ব্যতিক্রমই মনে হয়েছে।

ইউরোপের অন্য দেশগুলোর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিপরীতে মানবসৃষ্ট সৌন্দর্য ও জৌলুসে ভরপুর। ফ্রান্স এ দিক দিয়ে ব্যতিক্রম, মানবসৃষ্ট কারুকার্যের পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই দেশটি।

এজন্যই পৃথিবীর ভ্রমণপিয়াসু মানুষের কাছে ফ্রান্স ভ্রমণ পছন্দের তালিকায় সবসময়ই প্রথম সারিতে। ফ্রান্সকে দেশের চারিদিকে ঘিরে রাখা পাহাড়-পর্বতগুলো দেখলেই মনে হয়, এইগুলো রাখাই হয়েছে ফরাসিদের প্রোটেকশন দেওয়ার জন্য।

দেখার মতো বিষয় হলো,......

পাহাড়-পর্বত আর বরফের দেশে

পাহাড়-পর্বত আর বরফের দেশে

মাহবুব মাসুম, জাপানের নাগানো থেকে : সত্যি অবাক করার মত একটা অঞ্চল জাপানের নাগানো। যত দূর চোখ যায় কেবল পাহাড় আর পর্বত মিলে আকাশ ছোঁয়েছে। শীতকালে পাহাড়-পর্বত একাকার হয়ে সাদা বরফেরুপান্তরিত হয়েছে। মনে হয় এ যেন সাদা পাহাড়ের দেশ!নাগানো অঞ্চলে রয়েছে ডজন খানেক পর্বতমালা। এছাড়া পুরো নাগানোটাই যেন পাহাড়ে ঢাকা। এ যাত্রায় উদ্দেশ্য বরফের দেশটাকে ঘুরে দেখা। প্রতিটা পর্বতের ভাজে ভাজে বিনোদনের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে রকমারি স্কি পার্ক। যে সব পার্কে শীতের এ সময়টাতে হাজারো মানুষ আসে বরফের মধ্যে স্নো বোটিং করতে। কেউ আসে স্নো স্কি খেলতে। বিশাল পর্বতের উচু ভাজ থেকে সাই করে নিচের দিকে......

প্রবাসের ভাবনা- পারভীন বানু

প্রবাসের ভাবনা- পারভীন বানু

প্রবাসে এই রঙের খেলা,

গ্রীস্মে বসে কত মেলা।

শত শত সংগঠন,

কি করে হয় দেশ গঠন।

স্বেচ্ছাচারের নিয়মনীতি

নেই পরোয়া নেইকো ভীতি।

মুখোশ পড়ে হয়ে বাহির,

করছে কেহ নেতা জাহির।

পদটি নিয়েই কাড়াকাড়ি,

সভার মাঝেই মারামারি।

ধর্ম বলো রাজনীতি,

কোথায় আছে সুনীতি।

হাজার হাজার বিভক্তি,

নেই সুজনের আসক্তি।

হিংসা কিংবা বিদ্বেষে,

সময় কাটে পরদেশে। 

...

উন্নয়নের মহাসড়কে অভিবাসীরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক যে কারনে

উন্নয়নের মহাসড়কে অভিবাসীরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক যে কারনে

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : নাগরিকদের কোন শ্রেণীবিন্যাসের সুযোগ আইনগতভাবে না থাকলেও এক কোটি প্রবাসী বাংলাদেশীরা বাস্তবে অনেক আগে থেকেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকের ট্রিটমেন্ট পাচ্ছেন, সেটা আজ নতুন করে বলার নয়। তারপরও তা বলতে হচ্ছে ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬ ঢাকায় সরকারীভাবে উদযাপিত আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে ব্যবহৃত একটি ‘বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ প্রতিপাদ্য বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে। “উন্নয়নের মহাসড়কে অভিবাসীরা সবার আগে” এমন ডাহা মিথ্যাচার করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রবাসীদের ধিক্কার কুড়িয়েছে। উন্নয়নের......

সত্যি একদিন হাসবে একাত্তরের বিজয়ের পতাকা = জাহাঙ্গীর বাবু

সত্যি একদিন হাসবে একাত্তরের বিজয়ের পতাকা = জাহাঙ্গীর বাবু

বিজয় দিবসে যখন শুনি ভিনদেশী গীত
লজ্জিত হয় স্বাধীনতা ,লজ্জিত জাতীয় সংগীত।

সে কি সন্মান,হাতের মুঠোয় ফুল ,ফুলের ডালিতে
খানিক পরেই ,ফুলের শ্রদ্ধার অর্ঘ্য লুটায় মাটিতে!

ক্যামেরার ফ্লাসে , ক্লিক ,ক্লিক, আলোকিত চারদিক
সংবাদ কর্মীর পাদুকার আঘাতে ,শহীদের আত্মা ছুটে কি দিগ্বিদিক ?

মানুষের উপর মানুষের ঢল ,শহীদ বেদীতে দেখায় বল
কার পূর্বে কে দেবে ফুল,হুড় মুড় ,লেগে যায় গন্ডগোল !

সে কি প্রতিযোগিতা,লক্ষ, কোটি ব্যায়ে ,ফুলের ডালি,সভা,সেমিনার ,
কে নেয় খবর  কেমন আছে ,কেমন থাকে শহীদ পরিবার?

মুক্তি যোদ্ধার সার্টিফিকেট নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ করে স্বাধীনতা!
দেশপ্রেম দেখায়......

বুদ্ধিজীবী হত্যা পাকিস্তানী জান্তাদের চূড়ান্ত পরাজয়ের পূর্ব মুহুর্তের মরন কামড় =  মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু

বুদ্ধিজীবী হত্যা পাকিস্তানী জান্তাদের চূড়ান্ত পরাজয়ের পূর্ব মুহুর্তের মরন কামড় = মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু ,সিঙ্গাপুর : স্বাধীনতার সূর্য দেখবে বলে, যারা দীর্ঘ নয় মাস এই অবরুদ্ধ নগরীতে বেঁচেছিলন অবিক্রীত স্বাধীন চিত্তসহ ওরা ভেবেছিল তাঁদের মেরে এ দেশকে যদি মেধাশূন্য করা যায় সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যাবে এই বঙ্গ ,কিয়দাংশে হয়েছে ও তাই .আজ যদি সে সব গুনি জন বেঁচে থাকতেন হয়তো হতে পারত এক অন্য রকম বাংলাদেশ।হিংসা হানাহানি হীন নির্লোভ বাংলাদেশ .শান্তির প্রতীক হত এই লাল সবুজের পতাকা।।পূর্ব পাকিস্তানকে ফিরে পাওয়ার সুপ্ত আশায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফাটল ধরাতে এ দেশীয় রাজাকার আল বদর আল সমস বাহিনীর সহযোগিতায় রায়ের বাজার বদ্ধ ভূমিতে চালায় ইতিহাসের......

ঘুম কাঁতুরে দূতাবাস ও কনস্যুলেট : এতিম প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি!

ঘুম কাঁতুরে দূতাবাস ও কনস্যুলেট : এতিম প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি!

মনোয়ারুল ইসলাম : রাত পোহালেই দুঃসংবাদ। হামলা, হেট ক্রাইমসহ নানা অশুভ সংবাদ আসছে। স্বপ্ন ভংগের ট্রাম্পীয় ছায়া ইমিগ্র্যান্টদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে। আমরা ভালো নেই।ভালো নেই বাংলাদেশ কমিউনিটি। ঘুম কাঁতুরে বাংলাদেশ দূতাবাস ও কন্সুলেট নীরব। এ ঘুম চোখের নয়। নয় রাত্রি নিশির ঘুম। এটি নির্লিপ্ততার ঘুম। দায়িত্বহীনতার ঘুম। কমিউনিটির অস্বস্তি ও উদ্বেগে সাড়া নেই। বরং সংগীত সন্ধ্যায় ব্যস্ত তারা। অবশ্য কনসাল জেনারেল শামীম আহসান একজন সংগীত পিয়াসী সজ্জন মানুষ। এ নিয়ে তার খ্যাতিও আছে। কিন্তু—–। নিউইর্য়কস গোটা আমেরিকায় লাখো বাংলাদেশী ভালো যে নেই তার খবর কি রাষ্ট্রদূত ও......

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মালয়েশিয়ার সঙ্গী হোন!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মালয়েশিয়ার সঙ্গী হোন!

মোহাম্মদ আলী বোখারী, টরন্টো থেকে : একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন যে এক কোটি বাংলাদেশি প্রতিবেশী ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তারা গতকালের দৈনিক আমাদের অর্থনীতির শিরোনামে বিস্মিত হবেন বৈকি! তাতে উম্মুল ওয়ারা সুইটি রচিত সংবাদের শিরোনামটি হচ্ছেÑ ‘রোহিঙ্গাদের দুয়ার খুলে স্রোতের মতো আসতে দিতে পারি না : প্রধানমন্ত্রী’।

সেটি গত বুধবার বিকালে দশম জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রদত্ত বক্তব্য থেকে উদ্ধৃত। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থী......

রক্তের প্লাবনে ভাসছে মানবতা ,ধিক,বিশ্ব বিবেক = জাহাঙ্গীর বাবু

রক্তের প্লাবনে ভাসছে মানবতা ,ধিক,বিশ্ব বিবেক = জাহাঙ্গীর বাবু

আফগান ,ফিলিস্তিন ,সিরিয়া ,মায়ানমার ,
ফোরাতের তীরের মৃত্যুর কারবালা !
রক্তের নদী ,সাগর ,কসাইখানা যেনো মুক্তিযুদ্ধের ভয়াল একাত্তর !

লেখা ছাড়া আমার কিন্তু করার নেই কিছুই
যাদের আছে তাদের বলি ,আমার দেখানো মানবতায় কিচ্ছু হবে না,
চাইলেই আমার বাড়িতে স্থান দিতে পারবো না ,
একটি পরিবার,একটি শিশু,একজন নারী।

গল্প, কবিতা, টক,ঝাল ,মিষ্টি  শো তে আওড়াতে পারি
পত্রিকায় পাতায় চটকদার ,অশ্রু বিসর্জনের দু চার লাইন ,
কিংবা পাতার পর পাতা,পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা  লিখে
চোখ ভিজেয়ে দিতে পারি ,রক্তের নদী হবে কি ?

বাংলাদেশ সরকারকে  আশ্রয় দিতে  বলছি দেয়া উচিত ,
আই ওয়াশ  মালয় মন্ত্রীকে......

প্রবাসী একটি  জাতির নাম =  মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু

প্রবাসী একটি জাতির নাম = মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বাবু

ভালবাসার কাঙ্গাল বাড়ি ছাড়া,ব্যাথাতুর ,ঘর ছাড়া, সীমানার বাইরে জীবিকার সন্ধানে চলে আসা মানুষের নাম প্রবাসী। বিদেশী  বলেদেশের লোক,যে দেশে যায় তাদের দেশের মানুষ বলে অভিবাসী। যে যাই বলুক,ধর্ম,বর্ণ ভেদাভেদের বাইরে যে নাম তার নাম মানুষজাতি। আমি বলি প্রবাসী জাতি। এখানে ভোটাধিকার আর পাসপোর্ট বিড়ম্বনার কথাই  বলব.

প্রবাসীরা প্রবাস থেকে অনেকেই  নির্বাচনের সময় দেশে যেতে পারে না। প্রয়োগ করতে পারে না গনতান্ত্রিক অধিকার। নিজের  পছন্দেরব্যক্তিকে দিতে পারে না ভোট। শুনেছি লন্ডন আমেরিকায় নাকি দিতে পারে , কোন বিশেষ অঞ্চলের লোক। বাংলাদেশের  যারা  বিদেশেথাকে তারা একটি......

স্বপ্নের মালয়েশিয়ায় দুঃস্বপ্নের জীবন

স্বপ্নের মালয়েশিয়ায় দুঃস্বপ্নের জীবন

মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল, মালয়েশিয়া থেকে : কাকডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠেই হোটেলে হাউজকিপিংয়ের কাজ করতে ছুটে চলা আর রাতে কাজ শেষে বাসায় ফিরে ক্লান্ত হয়ে ঘুম। আবার সকাল হলেই কাজে ছুটে চলা। গত চার মাস ধরে এভাবেই দিনরাত কাটছে মালয়েশিয়া প্রবাসী ১৬ বছরের সুদর্শন যুবক মোফাজ্জলের।

দু’চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে স্টুডেন্ট ভিসায় মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমালেও কয়েক মাসের মধ্যেই মোফাজ্জেলের কাছে প্রবাসের এ জীবন দুঃস্বপ্নের জীবন হয়ে ওঠে। স্থানীয় এক এজেন্টের মাধ্যমে মাসিক দেড় হাজার রিঙ্গিত বেতনে কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে কাজ করছেন তিনি। প্রায় পাঁচ মাস আগে তিন লাখ টাকা খরচ করে মালয়েশিয়ায়......

সর্বাধিক পঠিত