যদি সুস্থ থাকতে চান

Displaying 1-20 of 486 results.
অ্যাসিডিটি এড়াতে নিয়ম মেনে ফল খান

অ্যাসিডিটি এড়াতে নিয়ম মেনে ফল খান

সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু—সব ক্ষেত্রেই উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হলো ফলমূল। ডায়েটিশিয়ানরাও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং মেদ কমাতে ফল খাওয়ার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তবে অনেকেই আছেন যারা অ্যাসিডিটির দোহাই দিয়ে ফল খাওয়া এড়িয়ে চলেন। এটা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ প্রত্যেক মানুষের সুস্থতার জন্যই ফল খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তবে নিয়ম মেনে ফল না খেলে উপকারের চেয়ে বরং ক্ষতি হয় বেশি। তাই ক্ষতি এড়াতে সঠিক নিয়ম মেনেই ফল খান। এতে অ্যাসিডিটির সমস্যা এড়ানোর পাশাপাশি ওজনও কমবে।

ফল খাওয়ার সঠিক নিয়ম-

মেনন

মেলন জাতীয় ফলের (বাঙ্গি) সঙ্গে আর কোন ফলই খাওয়া উচিত নয়। এ জাতীয় ফলে জলের......

বদভ্যাসে পিঠব্যথা

বদভ্যাসে পিঠব্যথা

যেসব কারণে মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন, তার মধ্যে ‘পিঠব্যথা’ অন্যতম। যতগুলো কারণে অপারেশন করার প্রয়োজন হয়, এর মধ্যে তৃতীয় কারণ হলো পিঠব্যথা। এ ব্যথা হওয়ার কারণ অনেক। তবে তুচ্ছ দৈনন্দিন অভ্যাসের জন্যও এ ব্যথা হয়। সেসব বিষয়ে সাবধান থাকলে ব্যথামুক্ত থাকা যায়।

দীর্ঘসময় কুঁজো হয়ে বসে থাকা : চেয়ারের ওপর বাঁকা হয়ে বসলে বুকের মাংসপেশিতে চাপ পড়ে। ফলে কাঁধ সামনের দিকে ঝুঁকে যায়। আর বাঁকা হয়ে বসলে শক্তির অপচয় হয়। ফলে পিঠ ও ঘাড়ে ব্যথা হয়। এ ক্ষেত্রে ৯০ ডিগ্রি কোণ করে ও চেয়ারের চাকার কাছাকাছি বসার চেষ্টা করুন। তা হলে আর বাঁকা হয়ে বসতে হবে না। তা ছাড়া অনেকেই জানেন না, পা ছড়িয়ে বসার......

রাতে ভুলেও যেসব খাবার খাবেন না!

রাতে ভুলেও যেসব খাবার খাবেন না!

সুস্থ থাকতে গেলে পুষ্টিকর খাবার যেমন খেতে হবে, তেমনি পর্যাপ্ত ঘুমও প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ধীরে ধীরে খারাপ হতে থাকে। অনিদ্রার জন্য দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ যেমন দায়ী, তেমন দায়ী কিছু খাবারও। অর্থাৎ এমন কিছু খাবার রয়েছে যা রাতে ঘুমানোর আগে খেলে ঘুম নষ্ট করে। জেনে নিন তেমনই কয়েকটি খাবারের কথা।

১। ক্যাফেইন সরাসরি মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। যার ফলে মস্তিষ্ক সজাগ থেকে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কফি খেলে তার প্রভাব দীর্ঘ সময় থাকে। ফলে ঘুম দেরীতে আসে।

২। নানা অনুষ্ঠানে বা পার্টিতে গেলে উপায় নেই। তবে চেষ্টা করবেন রাতে বেশি মশলাদার খাবার না খেতে।......

সুস্থ শরীর-মন পেতে প্রতিদিন জগিংয়ের প্রয়োজন

সুস্থ শরীর-মন পেতে প্রতিদিন জগিংয়ের প্রয়োজন

ভোরের চমৎকার আলো আর মুক্ত বাতাসে জগিং-এর জন্য আরামদায়ক ঘুম ছেড়ে উঠে পড়া একটু কষ্টসাধ্য হলেও এর স্বাস্থ্যগুণ অনেক। ভোরের নির্মল বাতাসে হাঁটলে শরীরের সাথে মন ও মস্তিষ্ক সতেজ হয়। চলুন জেনে নেওয়াযাক, জগিং সম্পর্কে এ রকম কিছু তথ্য যা আপনাকে উদ্বুদ্ধ করবে নি য়মিত জগিং করতে।

নিয়মিত জগিং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হাঁড় ও মাংসপেশী শক্তিশালী করে, শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। নিয়মিত ব্যায়ামে শরীরের এনডোরফিন নামক হরমোন নিঃসরণ বাড়ায় যা শরীরের ব্যথা কমায়, মনকে সতেজ করে, মুখের রুচি......

ব্যায়াম ছাড়া সুস্থ থাকার কিছু সহজ উপায়

ব্যায়াম ছাড়া সুস্থ থাকার কিছু সহজ উপায়

দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততার মাঝে ব্যায়াম করা আমাদের অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই বলে যে শরীর ফিট কিংবা সুস্থ থাকবে না তা কিন্তু নয়। ব্যায়াম ছাড়াই আপনি নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে পারেন। এমনকি ধরে রাখতে পারবেন আকর্ষণীয় ফিগারও। আসুন জেনে নেই ব্যায়াম ছাড়া সুস্থ থাকার কিছু উপায় সম্পর্কে।

১. যতটা সম্ভব হাঁটুন

হাঁটা যে অনেক ভালো একটি ব্যায়াম, তা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। যখন সম্ভব লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন, অফিস যাওয়া আসার পথে কিছুদূর হাঁটুন, পরিবারের সদস্যদের সাথে হাঁটতে যান, একাই একাই পার্কে হেঁটে আসুন। একটা নির্দিষ্ট সময় বা দূরত্ব হাঁটবেন ধরে নিলে সেটাই......

ওজন কমাতে দ্রুত সাহায্য করবে যে ৬টি ফল

ওজন কমাতে দ্রুত সাহায্য করবে যে ৬টি ফল

আমাদের শরীর সুস্থ আর সুন্দর রাখতে ফলজগতে রয়েছে বহু এমন ফল যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারি। বিশেষ করে আমাদের মেদ কমানোর জন্য। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল সেই রকম ৬টি ফলের সন্ধান যা খুব জলদি আপনার ওজন কমাতে খুব সাহায্য করবে।

১। স্ট্রবেরি- 

ওজন কমানোর ফলের মধ্যে স্ট্রবেরি অন্যতম। এই ফলে প্রচুর নিউট্রিশনের সঙ্গে রয়েছে অল্প মাত্রায় ক্যালোরি। এছাড়াও প্রতিদিন যে পরিমাণ ফাইবার দরকার তা স্ট্রবেরিতে পর্যাপ্ত পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়াও, ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম রয়েছে।

২। পেঁপে- 

পেঁপে এমন একটি ফল যা আপনি সেদ্ধ, পাঁকা বা রান্না সব অবস্থাতেই খেতে পারেন।......

মশা মারার সহজ পদ্ধতি

মশা মারার সহজ পদ্ধতি

হ-বাংলা নিউজ:  সারা দেশে এখন আতঙ্কের নাম চিকুনগুনিয়া। মশাবাহিত রোগ চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা না গেলেও প্রচণ্ড ব্যথা এবং যন্ত্রণায় ঝুঁকিতে রয়েছেন বৃদ্ধ এবং ক্রনিক রোগীরা।  অন্যান্য জ্বরের মতোই খুব সাধারণ অসুখ এটি। চিকুনগুনিয়া একটি মশাবাহিত আলফা ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগে জটিলতার কারণে ৫ দিন থেকে ১২ মাস পর্যন্ত ভোগান্তি হতে পারে এবং সাধারণ কাজকর্মে অসুবিধা হতে পারে, এমনকি চলাফেরা করতেও সমস্যা হতে পারে। এমনকি জটিল আকারে দেখা দিতে পারে, তাই মোকাবিলা......

কোলেস্টেরল বেশি থাকলেও নিশ্চিন্তে খেতে পারেন বাদাম

কোলেস্টেরল বেশি থাকলেও নিশ্চিন্তে খেতে পারেন বাদাম

হ-বাংলা নিউজ: কোলেস্টেরল বাড়তে দিলেই বিপদ হার্টের! তাই প্রথমেই খাদ্যতালিকা থেকে ছেঁটে ফেলা হয় বাদাম, নারকেলের মতো খাবার। সত্যিই কি এই খাবারগুলো কোলেস্টেরলেরা মাত্রা বাড়িয়ে দেয়? সেলিব্রিটি নিউট্রিশনিস্ট  রুজুতা দিবাকর কিন্তু বলছেন উল্টো কথা। তার মতে, যাদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি তারাও নিশ্চিন্তে নারকেল, কাজু ও চিনেবাদাম খেতে পারেন। কারণ শরীরে কোলেস্টেরল তৈরির জন্য লিভারের প্রয়োজন। উদ্ভিদের শরীরে লিভার থাকে না। উদ্ভিদ ফাইটোকোলেস্টরল উত্পন্ন করে। যাকে প্লান্ট কোলেস্টেরলও বলা হয়ে থাকে। এই ফাইটোস্টেরল......

জানেন দুধের পরে ডিম খেলে কী হয়?

জানেন দুধের পরে ডিম খেলে কী হয়?

হ-বাংলা নিউজ: সমাজে বিভিন্ন খাবার নিয়ে এক ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রবাদ চালু রয়েছে। তেমনই একটি হলো দুধের পর ডিম খাওয়া। অনেকেই বলে থাকেন দুধের পর নাকি মাংস বা ডিম জাতীয় প্রোটিন খাওয়া ভালো নয়। এতে নাকি শরীর খারাপ আরও বাড়তে পারে।  তবে গবেষণা বলছে, দুধের পরে বা সঙ্গে ডিম খাওয়া মোটেই খারাপ নয়। বরং ডিমের প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিড, ফ্যাট এবং দুধের প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম একসঙ্গে খাওয়া হলে শরীরের পক্ষে উপকার অনেক বেশি। তবে কাচা দুধ বা কাচা ডিম খেলে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, এতে ফুড পয়েজিনের......

কোন প্রোটিন খাব, কতটা খাব

কোন প্রোটিন খাব, কতটা খাব

দিলরুবা শারমিন : মাছ, মাংস, ডিম, ঘন ডাল—এসব ছাড়া একেবারে চলাই কঠিন। আবার অনেকে ডায়েটে না বুঝেই বাদ দিয়ে দিচ্ছেন প্রোটিন। তাতে তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের সমস্যা। প্রোটিনকে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। সহজ করে বললে একধরনের প্রোটিন, যা আমরা প্রাণী থেকে পাই তাকে ফার্স্ট ক্লাস প্রোটিন বলে আর যেসব প্রোটিন আমরা উদ্ভিদ থেকে পাই, তাকে সেকেন্ড ক্লাস প্রোটিন বলে।

প্রোটিন কোনটি নেব আর কতটা নেব এ ব্যাপারে ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, ‘মাছ, মাংস, ডিম বা ডাল প্রোটিন নেওয়ার মাধ্যম যাই হোক না কেন, মনে রাখতে হবে মানুষের প্রোটিন নেওয়ার পরিমাণ......

খাদ্যাভ্যাসের ওপরে নিয়ন্ত্রণ রাখুন, সুন্দর থাকুন

খাদ্যাভ্যাসের ওপরে নিয়ন্ত্রণ রাখুন, সুন্দর থাকুন

হ-বাংলা নিউজ: রূপ বজায় রাখতে গেলে খাদ্যাভ্যাসের ওপরে নিয়ন্ত্রণ রাখাটাও জরুরি। এমনটাই বলছেন পুষ্টিবিদ এবং রূপচর্চা বিশেষজ্ঞরা। বেশ কয়েকটি জিনিস খাবারের তালিকা থেকে বাদ রাখতে বলছেন তারা। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, সেগুলো কী কী-

১। অ্যালকোহল-

মদ্যপান করার পর ত্বকে পানির মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে বলিরেখা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অ্যালকোহলের সঙ্গে সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের রোগের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান হওয়াটা জরুরি।

২। অতিরিক্ত লবণ-

বেশি লবণ খাওয়া চলবে না। শরীরে লবণের পরিমাণ যত বাড়বে, তত পানির পরিমাণও......

ত্বকের যত্নে মসুর ডাল

ত্বকের যত্নে মসুর ডাল

হ-বাংলা নিউজ:  সারা পৃথিবী জুড়েই অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার মসুরের ডাল। শিম গোত্রের এই খাদ্যশস্য মূলত শুঁটিজাতীয় মৌসুমি ফলের শুকনো বীজ। তবে মসুর ডাল শুধু সুস্বাদুই নয়, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ। যেমন, খনিজ পদার্থ, আঁশ, খাদ্যশক্তি, আমিষ, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি-২ ও শর্করা ইত্যাদি। মসুর ডাল সহজপাচ্য এবং এতে প্রোটিনের পরিমাণ সর্বাধিক। প্রতি ১00 গ্রাম মসুর ডালের পুষ্টিগুণ এমন -জলীয় অংশ ১২.৪ গ্রাম, খনিজ পদার্থ ২.১ গ্রাম, আঁশ ০.৭ গ্রাম,......

যে কারণে দাঁড়িয়ে পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর

যে কারণে দাঁড়িয়ে পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর

শীত হোক বা গ্রীষ্ম, শরীরে যথেষ্ট পরিমাণে পানি থাকা বা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা উচিত। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে পানি মানুষের শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাই পানি এমন ভাবে খাওয়া উচিত, যাতে শরীরের যথেষ্ট পরিমাণে পানি থাকে। আয়ুর্বেদ অনুযায়ী, দাঁড়িয়ে পানি খাওয়া উচিত নয়। এমনকী, আপনি কী ভাবে পানি খাবেন, তার ওপরে নির্ভর করে সারা দিন আপনার শরীর কেমন থাকবে।  

পানি খাওয়ার সময়ে, পানি ঠান্ডা না গরম তার ওপরে নজর দেওয়া হয় না। কিন্তু পিপাসা নিবারনের জন্য অনেক সময়েই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পানি খেয়ে ফেলি আমরা অনেকেই। দাঁড়িয়ে পানি খাওয়ার সময়ে, স্নায়ু অনেক বেশি উত্তেজিত থাকে। শুধু দাঁড়িয়ে......

প্রতিদিন পটল খাচ্ছেন তো? জেনে নিন

প্রতিদিন পটল খাচ্ছেন তো? জেনে নিন

প্রতিদিন পটল খাচ্ছেন তো? জেনে নিনপটল ভাজা হোক কিংবা পটলের তরকারি অথবা দই পটল। এসব খেতে তো দারুণ লাগে। কিন্তু জানেন কি? পটল খাওয়া শরীরের পক্ষে কতটা ভালো ?

১। পটলে ভালো পরিমাণে ফাইবার থাকে যা খাদ্য হজমে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা সমাধানে এবং লিভারের সাথে সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানেও সাহায্য করে।

২। পটলের বীজ এমন একটি স্বাস্থ্যকর বীজ যা কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে এবং মল নির্গমনে সাহায্য করে।

৩। পটলে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। তাই ওজন কমানোর জন্য নিশ্চিন্তে পটলের তরকারি খেতে পারেন। এটি পেট ভরা রাখতে ও খিদে কমাতে সাহায্য করে।

৪। পটলের......

দাঁতের সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া উপায়

দাঁতের সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া উপায়

দাঁত ব্যথা এবং মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া এ ব্যাপারগুলো অনেক অসহ্যকর। দাঁতের ব্যথা এবং মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া রোধের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। কিন্তু কোনো লাভ হয় না, স্বল্প সময়ের জন্য তা কমলেও আবার তা শুরু হয়ে যায়। এছাড়াও দাঁত ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে অল্প অল্প রক্ত পড়ে আর তাতেই আমাদের অনেক অসহ্য লাগে, এই ব্যাপারটা যখন মারাত্মক পর্যায়ে চলে যায় তখন শক্ত খাবার খাওয়ার সময়ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। আর এরকম অবস্থা হলেই ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেয়া উচিত। কিন্তু ঘরোয়া কিছু সহজ উপায় আছে যার মাধ্যমে সাময়িকভাবে দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধ করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধ করার......

খুব সহজেই অ্যালার্জি দূর করবেন যেভাবে

খুব সহজেই অ্যালার্জি দূর করবেন যেভাবে

এবার আর শুধু অতিরিক্ত খাবার খেলেই নয়, খাবারের গন্ধ শুঁকলেই আপনি মোটা হয়ে যেতে পারেন। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনটাই জানা গেছে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, বেশ কিছু ইঁদুরের ওপর গবেষণা চালানো হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। সেখানে আকারে স্থূলকায় ইঁদুরদের ঘ্রাণশক্তি হ্রাস করে দেওয়া হয় কৃত্রিম উপায়ে। এবার সেই ইঁদুরদের হাই ক্যালোরি যুক্ত ডায়েট দেওয়া হলেও দেখা যায় যে, তাদের ওজন অস্বাভাবিকরকমভাবে কমে গিয়েছে।  

অন্যদিকে, আবার আকারে ক্ষীণকায় কিছু ইঁদুরদের লো ক্যালোরিযুক্ত ডায়েট দেওয়া হলেও শুধুমাত্র সুগন্ধী প্রয়োগ করার ফলে তাদের ওজন দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ইঁদুরদের মতো একইরকম......

খুব সহজেই অ্যালার্জি দূর করবেন যেভাবে

খুব সহজেই অ্যালার্জি দূর করবেন যেভাবে

ছোটোখাটো অ্যালার্জির সমস্যায় প্রায় সবাই ভুগে থাকেন। কারও চিংড়িতে অ্যালার্জি, তো কারও বেগুনে, আবার কারও ধুলোতে। তবে জানেন কি, আপনার হাতের সামনেই এমন একটা জিনিস রয়েছে, যা খুব সহজেই দূর করতে পারে এই অ্যালার্জি। যা করতে হবে আপনাকে –

১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।

২) শুকনো নিম পাতা পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন।

৩) এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।

৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে,......

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করবে কফি!

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করবে কফি!

কফি একটি জনপ্রিয় পানীয়, ক্লান্ত-শ্রান্ত শরীরকে চাঙ্গা করতে এক কাপ গরম কফি খুবই কার্যকরী। তবে চাঙ্গা করা ছাড়াও কফি আপনাকে দিতে পারে অনেকগুলি রোগের হাত থেকে নিস্তার। আসুন দেখে নেওয়া যাক-

ডায়াবেটিক কন্ট্রোল:

বিভিন্ন হার্ট ডিজিজ আর ডায়বেটিস অনেকটা কমে যায় যদি নিয়মিত অল্প পরিমাণে কফি পান করেন। তবে মাথায় রাখবে কফিটি হতে হবে চিনি ছাড়া।

পার্কিনসন্স ডিসিজের সম্ভাবনা হ্রাস:

দিনে কয়েক কাপ কপি খেলে পার্কিনসন্স ডিসিজ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়।

স্কিন ক্যানসার থেকে রক্ষা:

নিয়মিত কফি পান স্কিন ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমিয়ে দেয়। সেইসঙ্গে দেহের অন্য......

চিকুনগুনিয়া ‘শেষ হইয়াও হইল না শেষ’

চিকুনগুনিয়া ‘শেষ হইয়াও হইল না শেষ’

চিকুনগুনিয়া এখন আতঙ্কের নাম। এই জ্বর তিন থেকে চার দিনের মধ্যে সেরে যায়। তবে হাড়ের জোড়ের ব্যথা কমতে চায় না। ব্যথার তীব্রতাও প্রচণ্ড। রোগীর স্বাভাবিক হাঁটাচলা, হাত দিয়ে কিছু ধরা এমনকি হাত মুঠ করতেও বেশ কষ্ট হয়। তবে কখনো কখনো গিঁটের ব্যথা কয়েক মাস এমনকি কয়েক বছরের বেশি সময় থাকতে পারে। আর শরীর প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে। কাজে অনীহা দেখা দেয়। উদ্যম বা শারীরিক-মানসিক শক্তিও কমে যায়। জ্বর ভালো হওয়ার পরেও তাই কিছু নিয়মকানুন ও সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়।

এই রোগের চিকিৎসা

চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক। এই রোগের বিশেষ কোনো ওষুধ বা টিকা নেই। একটানা......

মাসিক যখন অনিয়মিত

মাসিক যখন অনিয়মিত

ডা. ফাহমিদা তুলি : বয়স ৪৫ বা ৫০ বছর পেরোনোর আগে হঠাৎ মাসিক বন্ধ হয়ে গেলে যেকোনো নারীর দুশ্চিন্তা স্বাভাবিক। নিয়মের এই ব্যত্যয় পরিবারে একটি নতুন শিশুর আগমনের সুসংবাদের পরিবর্তে কোনো রোগের লক্ষণ হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।

১২-১৩ বছর বয়স থেকে ৪৫-৫০ বছর অবধি একজন নারীর প্রজননকাল। অর্থাৎ সন্তান ধারণের জন্য তাঁর শরীরে এই সময়ে প্রতি মাসে ডিম্বাণু তৈরি হয়। শুক্রাণুর সংস্পর্শে সেই ডিম্বাণু নিষিক্ত না হলে সেটা মাসিক রক্তস্রাবের মাধ্যমে নারীর শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। কিন্তু নানা কারণে এই নিয়মে ছন্দপতন ঘটতে পারে, যেমন অনিয়মিতভাবে ব্যাপারটা......

সর্বাধিক পঠিত