যদি সুস্থ থাকতে চান

Displaying 181-200 of 716 results.
সকালের নাস্তায় ৭টি স্বাস্থ্যকর খাবার

সকালের নাস্তায় ৭টি স্বাস্থ্যকর খাবার

হ-বাংলা নিউজ: সকালের নাস্তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সারা দিন আমাদেরকে প্রাণবন্ত ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের নাস্তা বেশি পরিমাণে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে এবং সারাদিন ধরে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন সকালে স্বাস্থ্যকর এবং ভারী নাস্তা খেলে মস্তিষ্ক পুরোদিনের জন্য তৈরি হয়ে যায় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু সব ভারী খাবারই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই আমাদের জানতে হবে সকালের নাস্তায় কোন খাবারগুলো......

কেচাপ শিশুদের জন্য কেন স্বাস্থ্যকর নয়?

কেচাপ শিশুদের জন্য কেন স্বাস্থ্যকর নয়?

খাবারের স্বাদ বাড়াতে কেচাপের জুড়ি মেলা ভার। টোস্ট, রুটি, স্যালাড, ফ্রাই, বার্গার প্রভৃতি খাবারগুলো আমরা কেচাপ ছাড়া খাওয়ার কথা ভাবতেই পারিনা। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন কি, কেচাপ স্বাস্থ্যকর নাকি অস্বাস্থ্যকর? আমাদের মধ্যে অনেকেই ভাবেন, কেচাপ ক্ষতিকর নয়। কারণ এর মূল উপকরণ তো টমেটো। এতে এমন সব উপাদান বিদ্যমান আছে, যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। সমস্যাটা আসলে এখানেই। শিশুদের বেশি করে কেচাপ খাওয়ানো কিন্তু মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। কেননা তারা অনেক দিন ধরে নিয়মিত এই কেচাপ খেতে থাকলে তা শিশুদের নানা স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করে।

এবার জেনে নিন কেচাপ শিশুদের জন্য কেন......

না ছাড়লে প্রেসার বাড়বে!

না ছাড়লে প্রেসার বাড়বে!

"স্মোকিং ইজ ইনজুরিয়াস টু হেল্থ"। তো! একথা নতুন কী যে ধূমপান না ছাড়লে মরতে হবে। ঠিক বলেছেন, এর মধ্যে কোনও নতুন কথা নেই। কিন্তু মৃত্যুটা যে কতটা ভয়ানক হতে পারে তা একটি পরীক্ষায় জানা গেছে। এতদিন সবাই জানতেন যে ধূমপান করলে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। কিন্তু সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ধূমপানের অভ্যাস থাকলে হতে পারে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, আর তা থেকে আশঙ্কা বাড়ে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের।

গবেষণা কী বলছে:

দীর্ঘ কয়েক বছরে ধরে সংগ্রহ করা ডেটা বিশ্লেষণ করার সময় চিকৎসকেরা লক্ষ করেছিলেন রোজ একটা করেও সিগারেট খেলেও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা......

ঝেড়ে ফেলুন হতাশা

ঝেড়ে ফেলুন হতাশা

মানসিকরোগ-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে বেশ কয়েকটি গবেষণার ফলাফল থেকে জানানো হয়, ‘দেখা গেছে কোনো বিষয় নিয়ে আমরা যতটা না মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছি তার থেকেও বেশি চিন্তিত থাকি কীভাবে মানসিক চাপ দূর করা যায়- সেটা নিয়ে।’

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, যারা অতিরিক্ত মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যান তাদের হৃদ-স্পন্দনের পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

তাই মানসিক চাপ কমানোর জন্য চেষ্টা করতে হবে। আর সেজন্য রয়েছে বেশ কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর পন্থা।

মেডিটেশন বা ধ্যান: মানসিক চাপ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর ও পুরাতন উপায়। এটি মনের নেতিবাচক চিন্তা দূর......

কুমড়োর বিচির এত গুণ!

কুমড়োর বিচির এত গুণ!

বেলা ১১টা নাগাদ পেটে ছুঁচো নাচে? কিংবা বিকেল বেলায় কুড়মুড়ে মুচমুচে কিছু খেতে ইচ্ছে করে? আর সে ক্ষুধা—হোক না সেটা পেট কিংবা মনের, মেটাতে গেলা হয় গুচ্ছের শিঙাড়া-সমুচা না হয় ওরকমই কিছু একটা। কাল থেকে এ অভ্যাস বদলে ফেলা যাক, এখন থেকে নাশতায় সঙ্গী হোক কুমড়োর বিচি।

ভুল শোনেননি, আসলেই নাশতা হিসেবে কুমড়ার বিচি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে নিতে পারেন। ১০০ গ্রাম কুমড়ার বিচি থেকে ৫৬০ ক্যালরি পাওয়া যায়, তার মানে ক্ষুধা মেটানোর কাজটা ভালোই পারে এ বস্তু। আর সামান্য এই খাবারে পুষ্টিও গিজগিজ করছে। প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ মিষ্টি কুমড়ার বিচিতে আছে ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম,......

নাইট ক্রিম কেন জরুরী?

নাইট ক্রিম কেন জরুরী?

প্রতিদিন সকালে পরিষ্কার সুন্দর ত্বক পেতে কে না চায়? সারাদিন আমাদের ত্বকে অনেক ময়লা জমে, যা ত্বককে অনেক রুক্ষ ও নোংরা করে ফেলে। এতে ত্বকের লাবণ্য ভাব চলে যায় ও ত্বক দেখায় কালো। এর ফলে ত্বকে বলিরেখা, ব্রণ, সানবার্ণ ও চোখের নিচে কালি পড়তেও দেখা যায়। এভাবে নিয়মিত চলতে থাকলে কিছুদিন পর ত্বক কুচকে একটা বয়স্কভাব চলে আসে। আবার ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার না করে ঘুমালে সকালে উঠে ত্বক কেমন যেন মলিন লাগে। তাই সারাদিনের কাজের পর দরকার ত্বকের যত্ন। এক্ষেত্রে অবশ্যই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নাইট ক্রিম ব্যবহারের বিকল্প নেই। এটি হচ্ছে এমন এক জিনিস যেটি সারারাত ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে......

হতাশ হলে কী করব

হতাশ হলে কী করব

হতাশ হয়ে বসে না থেকে তা কাটানোর চেষ্টা করতে হবে। মডেল: রাজন ছবি: অধুনা

‘হতাশা’ শব্দটার সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। দেশের তরুণদের ভাবনা জানতে প্রথম আলোর উদ্যোগে ওআরজি-কোয়েস্ট গত মার্চে সারা দেশে জরিপ করেছে। সেখানে উঠে এসেছে আমাদের দেশের ৮২ শতাংশ তরুণ নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাহলে তাদের দিনের একটা সময় নিশ্চয়ই কাটে হতাশায়? হতাশ হলে তারা কী করে? আপনিই-বা কী করেন?

কারও বিশেষ কারণে হতাশ লাগে। কারও কারণ ছাড়াই হতাশ লাগে। হতাশ হলে দেখা যায়, অনেকেই আবার পছন্দ করে খাওয়াদাওয়া। ‘হতাশ হলে খিলগাঁও, বেইলি রোডের দিককার রেস্টুরেন্টগুলোতে চলে যাই, পকেটে যা টাকা আছে তা......

গরম সেঁক, নাকি ঠান্ডা?

গরম সেঁক, নাকি ঠান্ডা?

শরীরের ব্যথা-বেদনা কমাতে গরম সেঁক দেবেন, নাকি ঠান্ডা সেঁক? কোনটা কোথায় উপকারী? এ নিয়ে অনেকে ধন্দে পড়েন। আসুন, জেনে নিই কোন ধরনের সেঁক কী কাজ করে।

গরম সেঁক: গরম সেঁক বা তাপ দেওয়া হলে শরীরের ওই নির্দিষ্ট অংশে রক্তপ্রবাহ বাড়ে। মাংসপেশি বা সন্ধির স্টিফনেস বা জড়তা কাটাতে সাহায্য করে তাপ। কিন্তু যেকোনো আঘাতের প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গরম সেঁক না দেওয়াই উচিত। এতে রক্তপ্রবাহ বেড়ে গিয়ে প্রদাহ বা ফোলা আরও বাড়তে পারে। ফ্রোজেন শোল্ডার, মাংসপেশিতে টান, অস্টিওআর্থ্রাইটিস, পেটের ব্যথা ইত্যাদি সমস্যায় গরম সেঁক দেওয়া যেতে পারে। গরম সেঁক দেওয়ার নিয়ম হলো, একটা তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে......

যেসব ফলে ওজন কমে

যেসব ফলে ওজন কমে

শরীরের ওজন কমাতে কতজন কতকিছুই না করে থাকেন। শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ কেউ খাওয়া-দাওয়াই কমিয়ে দিয়েছেন।

মেনে চলছেন অনেক বিধি-নিষেধ। তারপরও কমছে না ওজন। তবে প্রতিদিনের খাবার সম্পর্কে একটু সচেতন থাকলেই শরীরে বাড়তি মেদ জমবে না। দ্রুত শরীরের ওজন কমাতে ফলের বিকল্প নেই। নিচে ওজন কমাতে সহায়ক ৭টি ফল নিয়ে আলোচনা করা হলো :

আপেল : আপেলের পেকটিন ফাইবার পেট ভরানোর পাশাপাশি দেহে মেদের পরিমাণও কমাবে। ভারী খাবার খাওয়ার আগে আপেল খাওয়া তাই উপকারী।

তরমুজ : তরমুজ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। দিনে একটা তরমুজ খিদে কমিয়ে দেওয়ার সঙ্গে মেদ জমতেও দেবে না।

লেবু......

সুস্থ থাকতে রসুন খান

সুস্থ থাকতে রসুন খান

রসুনকে শুধু রান্নার উপকরণ ভাবলে ভুল হবে। খাবারে স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও এর রয়েছে নানা গুণ। রোগ প্রতিরোধে বহু প্রাচীনকাল থেকেই রসুনের ব্যবহার হয়ে আসছে।  

১। নিয়মিত রসুন খেলে যকৃৎ এবং মূত্রাশয় সুস্থ থাকে। ডায়রিয়া,গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ও ক্ষুধামান্দ্য দূর করতেও সাহায্য করে।

২। রসুন খেলে মানসিক চাপ দূরে পালাবে। সারবে স্নায়বিক সমস্যাও।  

৩। শরীরকে বিষমুক্ত করতে রসুন কাজে আসে। এছাড়া কৃমি, জ্বর, ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে রাখে রসুন।

৪। রসুন যক্ষ্মা, নিমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের সংক্রমণ, কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।  

...

সুস্থ শরীর পেতে দারুচিনির অবদান

সুস্থ শরীর পেতে দারুচিনির অবদান

ওজন বাড়ছে। কোলেস্টেরল বাড়ছে।

হার্টের রোগসহ এসব রোগের ঘরোয়া টোটকা দারুচিনি। ইনসুলিন, কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সকালে মধু দিয়ে দারুচিনি বা দারুচিনি চায়ের জবাব নেই।

স্বাভাবিক পরিবেশে এই গাছের উচ্চতা ১০ থেকে ১৫ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। আদি নিবাস শ্রীলঙ্কায়। ইন্দোনেশিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, চিনেও প্রচুর উত্পাদন। গাছের চামড়া মশলা হিসাবে বৃবহৃত। এর ছালে থাকে সিনামাল ডিহাইড। অপূর্ব গন্ধের জন্য দায়ী। পাতায় থাকে ইউজিনল। দারুচিনিতে থাকে সামান্য প্রোটিন। কিন্তু এতে রয়েছে প্রচুর মিনারেল ও ভিটামিন।

আমাদের আজকের প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন, সুস্থ শরীর পেতে এই দারুচিনির......

ধূমপান ছাড়ুন একদিনেই

ধূমপান ছাড়ুন একদিনেই

ধূমপানের কারণে ফুসফুস ও অন্ত্রে ক্যানসার হতে পারে। ধূমপান হৃদ্রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া মুখের ক্যানসারের গুরুত্বপূর্ণ কারণও এই ধূমপান। কিন্তু কাউকে ধূমপান ছাড়ার কথা বলা হলেও তিনি বলেন, এতোদিনের অভ্যাস কি আর একদিনে ছাড়া যায়। ধীরে ধীরে ছেড়ে দেব।  

তবে গবেষণা বলছে, অন্য কথা। ধূমপান ছাড়লে ধীরে ধীরে নয়, একদিনেই ছাড়তে হবে। কারণ যারা ধীরে ধীরে ধূমপান ত্যাগ করার কথা বলেন তাদের থেকে যারা একদিনেই ছেড়ে দিতে চান, তারাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ধূমপান ত্যাগ করতে পারেন।

মার্কিন একদল গবেষক মোট ৬৯৭ জন ধূমপায়ীর ওপর গবেষণা চালিয়ে এমনই তথ্য উদঘাটন করেছেন। গবেষণায়......

ভাজাপোড়া খেলে কেন মোটা হয়?

ভাজাপোড়া খেলে কেন মোটা হয়?

রোগা হতে চাইলে সবচেয়ে আগে মাখন, ভাজাভুজি, চর্বি খাওয়া ছাড়তে হবে। কেন বলুন তো ডায়েটিশিয়ান, ডাক্তারেরা এই কথা বলে থাকেন? নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সব খাবার আসলে আমাদের খিদে বাড়িয়ে দেয়।

নেপলস ফ্রেডরিকো টু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছে, এই সব খাবারে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসে প্রভাব ফেলে। এই হাইপোথ্যালামাস আমাদের খিদে বেড়ে যাওয়া ও কমা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে খিদে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। যা ওবেসিটির লক্ষণ।

গবেষক মারিয়ানা ক্রিসপিনো ও মারিয়া পিনা মলিকার মতে, সুস্থ থাকার জন্য এখন ডায়েটের উপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছেন নিউট্রিশনিস্টরা।......

যাঁরা হজে যাচ্ছেন

যাঁরা হজে যাচ্ছেন

হ-বাংলা নিউজ: হজে যাওয়ার আগেই নিজ নিজ চিকিৎসকের কাছ থেকে ওষুধের মাত্রা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তালিকা করে নেওয়া ভালো

প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ পবিত্র হজ¦পালন করতে বাংলাদেশ থেকে যান। তাঁদের অনেকেরই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ, স্নায়ু ও বাতরোগ, কিডনি জটিলতা ইত্যাদি আছে। অনেকেই সেখানে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। হজে যাওয়ার আগেই নিজ নিজ চিকিৎসকের কাছ থেকে ওষুধের মাত্রা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তালিকা করে নেওয়া ভালো।

* হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় প্রচুর হাঁটতে হয়। তাই খানিকটা হাঁটার অভ্যাস......

আমড়া ফলের পুষ্টিগুণ

আমড়া ফলের পুষ্টিগুণ

অন্যান্য ফলের মধ্যে সুস্বাদু একটি হলো আমড়া। বাংলাদেশে পুষ্টিকর এই ফলটির দু'টি প্রজাতির চাষ হয়। দেশি আমড়া ও বিলাতি আমড়া। বিলাতি আমড়া দেশি আমড়ার মতো টক নয়। এটি খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। এতে শাঁস বেশি, আকারেও বড়। বিলাতি আমড়া কাঁচা খাওয়া হয়। বিলাতি ও দেশি দই’ধরনের আমড়া থেকেই সুস্বাদু আচার, চাটনি এবং জেলি তৈরি করা যায়। তরকারি হিসেবে রান্না করেও আমড়া খাওয়া যায়। মুখে রুচি বৃদ্ধিসহ অসংখ্য গুণাগুণ রয়েছে আমড়া। গোল্ডেন আপেলখ্যাত আমড়ার বৈজ্ঞানিক নাম Stondia Dulcis। এটি Anacardiaceae পরিবারভুক্ত। আমড়ায় জলীয় অংশ ৮৩.২, খনিজ ০.৬, লৌহ ০.৩৯, আঁশ ০.১, চর্বি ০.১, আমিষ ১.১, শর্করা ১৫, ক্যালসিয়াম ০.৫৫ শতাংশ।  
......

বর্ষায় সুস্থ থাকতে খেতে পারেন তেতো সবজি

বর্ষায় সুস্থ থাকতে খেতে পারেন তেতো সবজি

বর্ষা কালে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশ কিছুটা কমে যায়। এই সময় পেটের সমস্যা যেমন বেড়ে যায়, তেমনই অ্যালার্জি, ত্বকের ইনফেকশনও ভোগায়। তেতো খাবার শরীরে পিত্তরসের মাত্রা স্বাভাবিক করে হজমে সাহায্য করার পাশাপাশি এই সব খাবারের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ সংক্রমণ কাটাতেও সাহায্য করে। বর্ষায় প্ততিদিন এই সব খাবার খেলে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়।

চিচিঙ্গে, চালকুমড়ো, উচ্ছে জাতীয় সবজি যেমন পুষ্টিকর, তেমনই বর্ষায় শাক পাতা থেকে পেটের সমস্যা হতে পারে। তাই শাকের বদলে বেশি পরিমাণ এই জাতীয় সব্জি রাখুন ডায়েটে। এই সব সবজি থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ......

যে চিকিৎসা নিতে বাংলাদেশে বিদেশি রোগী

যে চিকিৎসা নিতে বাংলাদেশে বিদেশি রোগী

হ-বাংলা নিউজ:  বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবার মান নিয়ে নেতিবাচক খবরে যখন মিডিয়া সয়লাব! উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের মানুষ পাগলের মত যখন ছুটে ভারত, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরে। ঠিক তখনই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা নিতে আসছে বাংলাদেশে! হ্যাঁ, বাংলাদেশের ডাক্তারদের কাছেই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের মত দেশ থেকে রোগীরা আসছেন ক্রনিক হেপাটাইটিস এর চিকিৎসা নিতে!

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ)......

তারুণ্য ধরে রাখতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট

তারুণ্য ধরে রাখতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট

হ-বাংলা নিউজ: প্রত্যেক মানুষের আগ্রহ সম্ভবত এখন সুস্থ, সুন্দরভাবে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকাতেই। পৃথিবীতে ৭০ বছর বয়সও কিন্তু খুব বেশি নয় বেঁচে থাকার জন্য। কিন্তু সে বয়সে গিয়েও যদি আপনি বয়সের তুলনায় অনেকটা বেশি সুস্থ, সুন্দর, কর্মঠ আর লাবণ্যময়ী হন, তবে তার আনন্দ সম্ভবত দ্বিগুণ হয়ে উঠবে।দীর্ঘদিন লাবণ্যময়ী থাকার জন্য অনেক কিছু করতে হবে বলে যাঁরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হন, তাঁদের কিন্তু আসলে দুশ্চিন্তার কারণ কিছু নেই। সুস্থ থাকার জন্য খেতে হবে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট......

কী খাচ্ছেন জেনে নিন

কী খাচ্ছেন জেনে নিন

আপনি কি ব্যথা, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগে ভুগতে ভুগতে বিরক্ত হয়ে কথিত হারবাল ওষুধের প্রতি ঝুঁকেছেন? দীর্ঘমেয়াদি রোগের (যেমন: বাতরোগ, হাঁপানি বা চর্মরোগ) কোনো স্থায়ী চিকিৎসা নেই জেনে হতাশ হয়ে বিজ্ঞাপনের ভাষায় ভুলেছেন? রোগ-শোকে আপনি কার সাহায্য নেবেন, কী করবেন—তার এখতিয়ার অবশ্যই আপনার; কিন্তু যা করছেন তা জেনে-বুঝে তারপর করুন।

বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসাব্যবস্থায় কোনো লুকোছাপা নেই। ওষুধের সঙ্গেই এর রাসায়নিক নাম, কী দিয়ে তৈরি, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী বা কত মাত্রায় খেতে হয়—সবই লেখা থাকে। ইন্টারনেটে ওষুধের নাম লিখে সার্চ করলেই আপনি পেয়ে যাবেন সব তথ্য। তার বাইরে ওষুধসংক্রান্ত......

অ্যাসিডিটি এড়াতে নিয়ম মেনে ফল খান

অ্যাসিডিটি এড়াতে নিয়ম মেনে ফল খান

সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু—সব ক্ষেত্রেই উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হলো ফলমূল। ডায়েটিশিয়ানরাও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং মেদ কমাতে ফল খাওয়ার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তবে অনেকেই আছেন যারা অ্যাসিডিটির দোহাই দিয়ে ফল খাওয়া এড়িয়ে চলেন। এটা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ প্রত্যেক মানুষের সুস্থতার জন্যই ফল খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তবে নিয়ম মেনে ফল না খেলে উপকারের চেয়ে বরং ক্ষতি হয় বেশি। তাই ক্ষতি এড়াতে সঠিক নিয়ম মেনেই ফল খান। এতে অ্যাসিডিটির সমস্যা এড়ানোর পাশাপাশি ওজনও কমবে।

ফল খাওয়ার সঠিক নিয়ম-

মেনন

মেলন জাতীয় ফলের (বাঙ্গি) সঙ্গে আর কোন ফলই খাওয়া উচিত নয়। এ জাতীয় ফলে জলের......

সর্বাধিক পঠিত